হৃদয় নাওয়ের পাটাতন ছিদ্র করে ডুবিয়েছো উত্তাল নদীতে,
ছুঁড়ে ফেলেছো বেলি ফুলের তরতাজা তোড়াটি সবার সামনে,
তারপর অনায়েসে বিশ্বাসের গাছটির শিকড় উপড়ে
আমার হৃত্পিন্ডটি বুক চীরে বের করে দাঁত দিয়ে চিবিয়েছো,
খন্ড খন্ড করে ভ্যানিটি ব্যাগ অথবা এন্ড্রয়েডে রেখেছো প্রদর্শনের জন্য
খুন হওয়ার আগে এই পর্যন্ত আমি স্পষ্ট স্মরণ করতে পারছি।
এখন আমি শরীরসর্বস্ব অশরীরী,একটি ফাঁপা মানবদেহ
আমি আর সেই ধ্রুপদী প্রেমিক নই যে-
প্রতারিত হওয়ার পরও তোমার সুখ চাইবো,ধ্রুপদী প্রেমিক একটি অলীক ধারনা
আমি চাই তুমি ভীষণ খারাপ থাকো,পথেঘাটে বিশ্রি রকমের অপমানিত হয়ে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কান্না করো,
যেসব লম্পটদের সাথে ফ্রয়েডীয় সম্পর্কে জড়াও
তাদের মাধ্যমে গর্ভবর্তী হয়ে যাও-আমি চাই
যতগুলোর সাথে শয্যায় যাও সবার একেকটি বাচ্চা হোক তোমার পেটে
আর দুনিয়ার লোকে বলুক-'এ তো বারো ঘাটের জল খাওয়া এক বেওয়ারিশ শকুনী...'
আমি চাই তীব্র যাতনায় জর্জরিত হয়ে আয়নায় দেখো তোমার পাপী মুখখানি।
কেউ হয়তো বলবে,ভালবাসলে কেউ এমন চাইতে পারেনা,
তারা ভুল বলে;তীব্র ভালবাসা রূপান্তরিত হয়ে তীব্র ঘৃণায় পরিণত হতে পারে,এই রূপান্তর বিজ্ঞানসম্মত
আগেই স্বীকার করেছি,'আমি ধ্রুপদী প্রেমিক নই',আমি প্রায়োগিক
তুমি যত বেশি কষ্ট পাবে আমার তত বেশি কষ্ট কমবে,
তুমি আমার ব্যস্তানুপাতিক-এমন কি তুমি যদি বার্ধক্যে উপনীত হও
ঐ শতবার ব্যবহৃত গায়ের চামড়া ঝুলে পড়ে
তারপরও তোমার প্রতি কোন করুনা হবে বলে মনে হয়না
বরং আমি চাইবো তুমি আশ্রয়হীনা হয়ে থাকো,
আমি চাই তোমার তৃতীয় বা চতুর্থ স্বামীটিও শেষ বয়সে হাতে ধরিয়ে দিক নিষ্ঠুর তালাকানামা ।
তুমি বলেছিলে,কোনদিন ছেড়ে যাবেনা,সংরক্ষণ করবে আজীবন আমার বিশ্বাসমালা
বলেছিলে ঐ দেহে কোন পুরুষের হাত কোনদিন পড়বেনা,
তুমি বলেছিলে আমার জীবন নিয়ে অশ্লীল খেলা খেলবেনা
তুমি কথা ভেঙেছো,খেলেছো,কারচুপি করে জিতেছো আর বাজারের পন্য করেছো পূজনীয় দেহকে
আমাকে করেছো উপহাস,জনে জনে ধরে ধরে এঁকেছে আমার বিচিত্র অস্তিত্ত্বহীন বদনাম ।
এসব দেখে,এসব শুনে আমি ভীষণ কাঁদছিলাম,ভেঙে পড়ে পতিত হয়েছিলাম ধুলায়
তুমি বলেছিলে,
'এখন জ্বল,এখন পোড়,তুই মরে যা,ধ্বংস হ-
তোর অন্ধ ভালবাসা আমার ছেলেধরা ব্যবসার বড় প্রতিবন্ধকতা '
আমি বলেছিলাম,কোনদিন ভুলবোনা,ভুলিনি এখনো
আর মনে রাখবো-অভিশাপের তীর ছুঁড়ে যাবো মৃত্যু অবধি
আমি মানুষ,আমি তোমার প্রেমিক নই,নই কোন ধ্রুপদী।
বিভত্স পিশাচের মত কচুকাটা করেছো আমার ভালবাসাকে;তাতে যে ঘৃণা ও প্রতিশোধের স্পৃহা জেগেছে
তা স্বয়ং ঈশ্বরের হস্তক্ষেপ ছাড়া নিভবেনা
আর সে আসবেনা,তুমি খুব বাজে;বাজে কারো প্রয়োজনে ঈশ্বর আসেনা।
তুমি নর্দমার কীট হয়ে জন্ম নিবে এ খবর শুনলে
আমি উত্সব করতাম,জানতেনা?এখন তো জানলে
আমি চাই তুমি পুড়ে যাও অসুখী যন্ত্রণায়,
দুনিয়ার সবচেয়ে অসুখী হও,দেখতে চাই এইডস যাতে দ্রুতই তোমারে ধরে
আমি চাই পথেঘাটে ছেঁড়া কাপড় পরিহিত পাগলীর মতো ঘুরে বেড়াও,পাপের দাবদাহে
জ্বলে পুড়ে অর্জন করো মানবিক কিছু আচার,কিছু ব্যবহার।
আমি চাই ঈশ্বর যাতে তোমাকে ক্ষমা না করে নিক্ষেপ করে একসাথে সপ্ত দোযখে
তারপর অনন্তকাল পুড়ে ভস্মীভূত হলেও
আমি চাই তুমি আরো পুড়ে যাও,আমার পা ধরে কোটি কোটিবার মাফ চাইলেও
আমি চাই তুমি ভয়ঙ্কর একাকীত্ত্বে তীব্র অসুখী থাকো।
তুমি কি জঘন্য কর্ম করেছো তুমি জানো,
তুমি কি করেছো তা তো আমিও জানি
নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে হবেই তাই তোমাকে
তুমিই এমন ভয়ঙ্কর কামনার পিছনের সেই বদরানী।
[উত্সর্গ:আমার বন্ধু জনি,আমার বন্ধু সাদ্দাম,আমার বন্ধু সোহেল ও আরো অনেকে যারা বিশ্বাস করেছে আর তাদের বেঁচে থাকার জীবনী এই বিশ্বাসগাঁথাকে নষ্ট করে তছনছ করে দিয়েছে কোন এক 'তুমি'।]
ছুঁড়ে ফেলেছো বেলি ফুলের তরতাজা তোড়াটি সবার সামনে,
তারপর অনায়েসে বিশ্বাসের গাছটির শিকড় উপড়ে
আমার হৃত্পিন্ডটি বুক চীরে বের করে দাঁত দিয়ে চিবিয়েছো,
খন্ড খন্ড করে ভ্যানিটি ব্যাগ অথবা এন্ড্রয়েডে রেখেছো প্রদর্শনের জন্য
খুন হওয়ার আগে এই পর্যন্ত আমি স্পষ্ট স্মরণ করতে পারছি।
এখন আমি শরীরসর্বস্ব অশরীরী,একটি ফাঁপা মানবদেহ
আমি আর সেই ধ্রুপদী প্রেমিক নই যে-
প্রতারিত হওয়ার পরও তোমার সুখ চাইবো,ধ্রুপদী প্রেমিক একটি অলীক ধারনা
আমি চাই তুমি ভীষণ খারাপ থাকো,পথেঘাটে বিশ্রি রকমের অপমানিত হয়ে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কান্না করো,
যেসব লম্পটদের সাথে ফ্রয়েডীয় সম্পর্কে জড়াও
তাদের মাধ্যমে গর্ভবর্তী হয়ে যাও-আমি চাই
যতগুলোর সাথে শয্যায় যাও সবার একেকটি বাচ্চা হোক তোমার পেটে
আর দুনিয়ার লোকে বলুক-'এ তো বারো ঘাটের জল খাওয়া এক বেওয়ারিশ শকুনী...'
আমি চাই তীব্র যাতনায় জর্জরিত হয়ে আয়নায় দেখো তোমার পাপী মুখখানি।
কেউ হয়তো বলবে,ভালবাসলে কেউ এমন চাইতে পারেনা,
তারা ভুল বলে;তীব্র ভালবাসা রূপান্তরিত হয়ে তীব্র ঘৃণায় পরিণত হতে পারে,এই রূপান্তর বিজ্ঞানসম্মত
আগেই স্বীকার করেছি,'আমি ধ্রুপদী প্রেমিক নই',আমি প্রায়োগিক
তুমি যত বেশি কষ্ট পাবে আমার তত বেশি কষ্ট কমবে,
তুমি আমার ব্যস্তানুপাতিক-এমন কি তুমি যদি বার্ধক্যে উপনীত হও
ঐ শতবার ব্যবহৃত গায়ের চামড়া ঝুলে পড়ে
তারপরও তোমার প্রতি কোন করুনা হবে বলে মনে হয়না
বরং আমি চাইবো তুমি আশ্রয়হীনা হয়ে থাকো,
আমি চাই তোমার তৃতীয় বা চতুর্থ স্বামীটিও শেষ বয়সে হাতে ধরিয়ে দিক নিষ্ঠুর তালাকানামা ।
তুমি বলেছিলে,কোনদিন ছেড়ে যাবেনা,সংরক্ষণ করবে আজীবন আমার বিশ্বাসমালা
বলেছিলে ঐ দেহে কোন পুরুষের হাত কোনদিন পড়বেনা,
তুমি বলেছিলে আমার জীবন নিয়ে অশ্লীল খেলা খেলবেনা
তুমি কথা ভেঙেছো,খেলেছো,কারচুপি করে জিতেছো আর বাজারের পন্য করেছো পূজনীয় দেহকে
আমাকে করেছো উপহাস,জনে জনে ধরে ধরে এঁকেছে আমার বিচিত্র অস্তিত্ত্বহীন বদনাম ।
এসব দেখে,এসব শুনে আমি ভীষণ কাঁদছিলাম,ভেঙে পড়ে পতিত হয়েছিলাম ধুলায়
তুমি বলেছিলে,
'এখন জ্বল,এখন পোড়,তুই মরে যা,ধ্বংস হ-
তোর অন্ধ ভালবাসা আমার ছেলেধরা ব্যবসার বড় প্রতিবন্ধকতা '
আমি বলেছিলাম,কোনদিন ভুলবোনা,ভুলিনি এখনো
আর মনে রাখবো-অভিশাপের তীর ছুঁড়ে যাবো মৃত্যু অবধি
আমি মানুষ,আমি তোমার প্রেমিক নই,নই কোন ধ্রুপদী।
বিভত্স পিশাচের মত কচুকাটা করেছো আমার ভালবাসাকে;তাতে যে ঘৃণা ও প্রতিশোধের স্পৃহা জেগেছে
তা স্বয়ং ঈশ্বরের হস্তক্ষেপ ছাড়া নিভবেনা
আর সে আসবেনা,তুমি খুব বাজে;বাজে কারো প্রয়োজনে ঈশ্বর আসেনা।
তুমি নর্দমার কীট হয়ে জন্ম নিবে এ খবর শুনলে
আমি উত্সব করতাম,জানতেনা?এখন তো জানলে
আমি চাই তুমি পুড়ে যাও অসুখী যন্ত্রণায়,
দুনিয়ার সবচেয়ে অসুখী হও,দেখতে চাই এইডস যাতে দ্রুতই তোমারে ধরে
আমি চাই পথেঘাটে ছেঁড়া কাপড় পরিহিত পাগলীর মতো ঘুরে বেড়াও,পাপের দাবদাহে
জ্বলে পুড়ে অর্জন করো মানবিক কিছু আচার,কিছু ব্যবহার।
আমি চাই ঈশ্বর যাতে তোমাকে ক্ষমা না করে নিক্ষেপ করে একসাথে সপ্ত দোযখে
তারপর অনন্তকাল পুড়ে ভস্মীভূত হলেও
আমি চাই তুমি আরো পুড়ে যাও,আমার পা ধরে কোটি কোটিবার মাফ চাইলেও
আমি চাই তুমি ভয়ঙ্কর একাকীত্ত্বে তীব্র অসুখী থাকো।
তুমি কি জঘন্য কর্ম করেছো তুমি জানো,
তুমি কি করেছো তা তো আমিও জানি
নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে হবেই তাই তোমাকে
তুমিই এমন ভয়ঙ্কর কামনার পিছনের সেই বদরানী।
[উত্সর্গ:আমার বন্ধু জনি,আমার বন্ধু সাদ্দাম,আমার বন্ধু সোহেল ও আরো অনেকে যারা বিশ্বাস করেছে আর তাদের বেঁচে থাকার জীবনী এই বিশ্বাসগাঁথাকে নষ্ট করে তছনছ করে দিয়েছে কোন এক 'তুমি'।]
0 Comments