১।
দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের মিডিয়া ভয়ঙ্কর বর্বর জঙ্গী সন্ত্রাসীদের কবল থেকে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় ৭৮ জন মানুষকে উদ্ধার করার পরও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা পুলিশ, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, সোয়াত, র্যাব এবং সেনাবাহিনীর কোন প্রশংসাসুলভ সংবাদ করলোনা। পুলিশের দুজন কর্মকর্তা পর্যন্ত নিহত হলেন সন্ত্রাসীদের বোমায়, তবু সংবাদমাধ্যম এই অভিযানের মূল সাফল্য ৪ জঙ্গী হত্যার পাশাপাশি ৭৮ জন মানুষকে নিরাপদে বের করা নিয়ে স্পেশাল কোন কাভারেজ দিলোনা। অথচ পৃথিবীর সস্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের ইতিহাসে এই ধরণের অভিযানে অক্ষত ও নিরাপদ অবস্খায় এত বেশি সংখ্যক মানুষকে উদ্ধার করার নজির নেই। এটা নিয়ে সংবাদমাধ্যম বা ফেসবুক পণ্ডিতদের কোন কানাঘুঁষা নেই। বরং এরা ব্যস্ত আছে বাংলাদেশ সরকারের আইএস টেররিস্টদের দেশে ‘অস্তিত্ত্ব থাকাকে অস্বীকার করার স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত বা অবস্থানকে’ চ্যালেঞ্জ করার জন্য। কচুমার্কা সংবাদমাধ্যম সেনসেশনালিজম বিক্রি করে পত্রিকার কাটতি বৃদ্ধি করে, দেশ ও জাতির ব্যাপারে তারা চিন্তিত নয়। আমাদের গর্বের সামরিক বাহিনী পৃথিবীর যেকোন হুমকিকে নিশ্চিহ্ণ করতে পারে এই কথা মিডিয়ায় কখনো আসেনা। তারা ‘দেশে আইএস কুত্তারা আছে’ এইটা পশ্চিমকে জানিয়ে দেশকে ওয়ার অন টেরর প্রকল্পে যুক্ত করতে চায়। এরা এটা বোঝেনা, নাকি বুঝেও না বুঝার ভাণ ধরে যে, দেশে আইএস টেররিস্ট আছে এইটা পশ্চিমারা জানলে ওরা দেশে ড্রন হামলা ইত্যাদি চালাতে পারে সম্ভাব্য জঙ্গী স্থাপনায়। জঙ্গী বর্বররা সেটাই চায়। একজন বেসামরিক মানুষ মরলেই ওরা আখের গোছাতে পারবে। সে সুযোগ ওদের দেয়া যাবেনা।
২।
দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের মিডিয়া ভয়ঙ্কর বর্বর জঙ্গী সন্ত্রাসীদের কবল থেকে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় ৭৮ জন মানুষকে উদ্ধার করার পরও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা পুলিশ, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, সোয়াত, র্যাব এবং সেনাবাহিনীর কোন প্রশংসাসুলভ সংবাদ করলোনা। পুলিশের দুজন কর্মকর্তা পর্যন্ত নিহত হলেন সন্ত্রাসীদের বোমায়, তবু সংবাদমাধ্যম এই অভিযানের মূল সাফল্য ৪ জঙ্গী হত্যার পাশাপাশি ৭৮ জন মানুষকে নিরাপদে বের করা নিয়ে স্পেশাল কোন কাভারেজ দিলোনা। অথচ পৃথিবীর সস্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের ইতিহাসে এই ধরণের অভিযানে অক্ষত ও নিরাপদ অবস্খায় এত বেশি সংখ্যক মানুষকে উদ্ধার করার নজির নেই। এটা নিয়ে সংবাদমাধ্যম বা ফেসবুক পণ্ডিতদের কোন কানাঘুঁষা নেই। বরং এরা ব্যস্ত আছে বাংলাদেশ সরকারের আইএস টেররিস্টদের দেশে ‘অস্তিত্ত্ব থাকাকে অস্বীকার করার স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত বা অবস্থানকে’ চ্যালেঞ্জ করার জন্য। কচুমার্কা সংবাদমাধ্যম সেনসেশনালিজম বিক্রি করে পত্রিকার কাটতি বৃদ্ধি করে, দেশ ও জাতির ব্যাপারে তারা চিন্তিত নয়। আমাদের গর্বের সামরিক বাহিনী পৃথিবীর যেকোন হুমকিকে নিশ্চিহ্ণ করতে পারে এই কথা মিডিয়ায় কখনো আসেনা। তারা ‘দেশে আইএস কুত্তারা আছে’ এইটা পশ্চিমকে জানিয়ে দেশকে ওয়ার অন টেরর প্রকল্পে যুক্ত করতে চায়। এরা এটা বোঝেনা, নাকি বুঝেও না বুঝার ভাণ ধরে যে, দেশে আইএস টেররিস্ট আছে এইটা পশ্চিমারা জানলে ওরা দেশে ড্রন হামলা ইত্যাদি চালাতে পারে সম্ভাব্য জঙ্গী স্থাপনায়। জঙ্গী বর্বররা সেটাই চায়। একজন বেসামরিক মানুষ মরলেই ওরা আখের গোছাতে পারবে। সে সুযোগ ওদের দেয়া যাবেনা।
২।
সংবাদ মাধ্যমকে আরো দায়িত্ত্বশীল হতে হবে। যতক্ষণ না আইএস বিষয়ে বাংলাদেশ
সরকার ও সামরিক বাহিনী সরাসরি স্ট্রাটেজিক অবস্থা পরিবর্তন না করে ততক্ষণ
ইহুদী রিটা কাটজের কথা শুনে দেশকে পশ্চিমা থাবায় ছুঁড়ে ফেলার অপচেষ্টা করা
যাবেনা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও মানুষের ভালবাসায় এবং স্রষ্টার কৃপায়
অন্যান্য বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে অচিরেই বাংলাদেশ থেকে জঙ্গীবাদের শেষ শিকড়টিও
উপড়ে ফেলবে। শুধু সংবাদমাধ্যমে অবিবেচকের মত সংবাদ প্রচার বন্ধ করুন।
সন্ত্রাসীদের প্রোপাগাণ্ডা মেশিন হিসেবে কাজ করবেন না প্লিজ। আতিয়া মহলের
ঘটনার যেভাবে বর্ণনা দিয়ে পুলিশের অবস্থান জানিয়েছেন, যেভাবে হলি
আর্টিজানকে লাইভ দেখিয়েছেন তা আখেরে সন্ত্রাসীদের জন্য লাভজনক। আমাদের
সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীদের নির্বিঘ্নে কাজ করতে সংবাদমাধ্যম, সুশীলদের
সহায়তা করা উচিত। আর অনুৎপাদনশীল ফেসবুক পণ্ডিত যেসকল অুসুস্থ লোক জঙ্গী
অভিযানকে নাটক বলে তাদের আমার বিকৃত মানসিকতার সংকীর্ণ প্রানী মনে হয়। এরা
দেশ ও মানবতার শত্রু। এরা সব কিছুতে কনস্পিরেসি খোঁজে। এদের জন্মের
ব্যাপারেও কনস্পিরেসি খোঁজে কি না এই প্রশ্ন কেউ করেনি এদের। করা উচিত না?
৩।
এতদিন রাশিয়া যখন সিরিয়ায় বাশারকে রক্ষা করতে বিমান হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও তার মিডিয়া 'বেসামরিক মানুষ হত্যা' শীর্ষক প্রোপাগাণ্ডা চালিয়েছে। এখন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র যখন মসুলে বিমান হামলা চালিয়ে টেররিস্ট আইএস নির্মূল করতে চাচ্ছে রাশিয়া ও রাশিয়ান মিডিয়া 'বেসামরিক মানুষ হত্যা' তত্ত্ব দিচ্ছে। দুই পরাশক্তির এই ব্লেম গেইম সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। রাশিয়ার Watchdog Russia Today, Sputnik , TAAS আর আমেরিকার Propaganda Machines CNN, FOX, NBC, ABC । এসবের বাইরে নিজস্ব Agenda বাস্তবায়নে সংবাদ করে তুরস্কের Anadolu Agency, কাতারের Al-Jazeera, ব্রিটেনের BBC, চীনের Xinhua, ফ্রান্সের AFP ও FRANCE24, জার্মানীর DW এবং ইরানের Press TV। আপনি এই মিডিয়াগুলোর থেকে যেকোন একটি বা একপক্ষের সংবাদ নিয়মিত শুনলে সংবাদের অর্ধেক পাবেন। এরা প্রত্যেকে যার যার পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে সংবাদমাধ্যম ব্যবহার করে এবং এরা প্রত্যেকেই নিজস্ব স্বার্থে সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়। যেহেতু আন্তর্জাতিক সংবাদের প্রবাহটা পশ্চিম থেকে প্রাচ্যে আসে তাই আন্তর্জাতিক যেকোন ঘটনায় দূরের দর্শকের মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন পশ্চিমা নীতির প্রতি ইতিবাচক হয়। কিন্তু উপরের সবকটি মিডিয়া যদি একটি ঘটনার জন্য ঘুরে আসেন তবে আপনি একটি নিজস্ব পয়েন্ট অব ভিউ দাঁড় করানোর সাহস পেতে পারেন।
৪।
যুদ্ধ তৈরি করে পুঁজিবাদ টিকে থাকে। প্রতিপক্ষ তৈরি করে অস্ত্র বিক্রি করে অর্থনীতি চাঙ্গা করে পশ্চিম। মধ্যপ্রাচ্যের তেলে পশ্চিমা বিমান চলে এবং সেই মধ্যপ্রাচ্যেই বোমা মারে। সিরিয়া ইসরাঈলের নিরাপত্তার সাথে জড়িত বলে এটা নিয়ে লোকের ভাবনা বেশি কিন্তু আল সৌদ ইহুদীবাদীরা যে ইয়েমেনের গরীব হুথিদের মারছে তা নিয়ে পৃথিবীর মিডিয়ার চিন্তা কম। কারণ গরীব ইয়েমেনের স্যান্ডেল পায় দেয়া হুথিরা পেট্রো ডলার দিয়ে পশ্চিম থেকে অস্ত্র কিনতে পারবেনা। আইএস সন্ত্রাসী কুকুরদের মিডিয়া কাভারেজ না দিলে ঐ বর্বর, অসভ্যদের পরিচিতিটা আসতোনা। পৃথিবীর প্রতি মিডিয়ার আরো বেশি দায়িত্ত্বশীল হওয়া এখন সময় ও মানবতার দাবি।
৫।
বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধের দিকে বাংলাদেশকে ঠেলে দিতে চাওয়া মিডিয়াগুলোর এই সংবেদনশীল সংবাদ কাভার করতে গিয়ে শব্দ চয়নে সাবধান হওয়া জরুরি। রিটা কাটজের দেয়া তথ্য বিশ্বাস করবেন আপনারা আর বাংলাদেশের গোয়েন্দা, পুলিশ ও আর্মিদের কথা উপেক্ষা করবেন, তা কেন? এই মানসিকতা পরিহার করুন। সংবাদ বিক্রির পাশাপাশি একটু দেশপ্রেম ও মানবতা ধারণ করুন। এই মুহূর্তে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামের পশ্চিমা প্রকল্পে আমাদের সম্পৃক্ত করার বুদ্ধিবৃত্তিক অপচেষ্টা বন্ধ করুন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, সোয়াত দেশের সকল সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটন করতে পৃথিবীর যেকোন বাহিনীর চেয়ে যোগ্য, সক্ষম, দুর্ধর্ষ ও সক্রিয়। তাদের কাজ করতে দিন। আর সকলে প্রার্থনা করুন বর্বর, সন্ত্রাসী, পিশাচ জঙ্গী অমানুষদের হাতে আর যেন কারো রক্ত না ঝরার আগে ওদের শায়েস্তা করতে পারে আমাদের নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী।
.
হামলায় নিহত পুলিশের কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রইলো। র্যাবের গোয়েন্দাপ্রধানসহ যারা আহত হয়েছে তাদের জন্য হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে দোয়া করি সুস্থতার জন্য। আমাদের নিরাপদে বিচরণের জন্য যে সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনী নিরলস জীবন বাজি রেখে অভিযান পরিচালনা করছেন তাদের বিনম্র শ্রদ্ধা আমাদের। ২০১৭ সালের স্বাধীনতা দিবসে এই অসভ্য, জঙ্গী, সন্ত্রাসী কুকুরদের নির্মূল করতেই হবে। বাংলাদেশের বুকে এই কুলাঙ্গারদের কোন ঠাঁই নাই। একসাথে বাংলা মায়ের সম্ভ্রম ও অসাম্প্রদায়িক অহংকার রক্ষায় আমরা যার যার জায়গা থেকে চেষ্টা করবো। চলুন একসাথে উচ্চারণ করি:-
`মা গো, ভাবনা কেন?
আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে
তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি
তোমার ভয় নেই মা, আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।'
.
এখন প্রতিবাদের সময়। এখন প্রতিরোধের সময়। বাংলাদেশের লাল-সবুজ অস্তিত্ত্বকে যেসকল মূর্খ, ওয়াহাবী, ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীরা কলুষিত করেছে তাদের একটাকেও ছাড় দেয়া যাবেনা। এই বাংলাদেশে ওদের বাপ শায়েখ রহমান আর বাংলা ভাইয়ের মত নব্য জঙ্গীদের নির্মমভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। এই মার্চেই গেয়েছিলাম ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার গান। এই মার্চেই ফের গাইবে বাঙালি-
জয় বাংলা বাংলার জয়
হবে হবে হবে হবে হবে নিশ্চয়
কোটি প্রাণ একসাথে জেগেছে অন্ধরাতে
নতুন সূর্য উঠার এইতো সময়
জয় বাংলা বাংলার জয়।
কোন সন্ত্রাসী, খুনী, জঙ্গীবাদী, অমানবিক, বর্বর, মতবাদে বিশ্বাসী সাইকোপ্যাথিক টেররিস্টদের নয়; জয় বাংলাদেশ, বাংলা ও বাঙালির হবে।
৩।
এতদিন রাশিয়া যখন সিরিয়ায় বাশারকে রক্ষা করতে বিমান হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও তার মিডিয়া 'বেসামরিক মানুষ হত্যা' শীর্ষক প্রোপাগাণ্ডা চালিয়েছে। এখন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র যখন মসুলে বিমান হামলা চালিয়ে টেররিস্ট আইএস নির্মূল করতে চাচ্ছে রাশিয়া ও রাশিয়ান মিডিয়া 'বেসামরিক মানুষ হত্যা' তত্ত্ব দিচ্ছে। দুই পরাশক্তির এই ব্লেম গেইম সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। রাশিয়ার Watchdog Russia Today, Sputnik , TAAS আর আমেরিকার Propaganda Machines CNN, FOX, NBC, ABC । এসবের বাইরে নিজস্ব Agenda বাস্তবায়নে সংবাদ করে তুরস্কের Anadolu Agency, কাতারের Al-Jazeera, ব্রিটেনের BBC, চীনের Xinhua, ফ্রান্সের AFP ও FRANCE24, জার্মানীর DW এবং ইরানের Press TV। আপনি এই মিডিয়াগুলোর থেকে যেকোন একটি বা একপক্ষের সংবাদ নিয়মিত শুনলে সংবাদের অর্ধেক পাবেন। এরা প্রত্যেকে যার যার পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে সংবাদমাধ্যম ব্যবহার করে এবং এরা প্রত্যেকেই নিজস্ব স্বার্থে সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়। যেহেতু আন্তর্জাতিক সংবাদের প্রবাহটা পশ্চিম থেকে প্রাচ্যে আসে তাই আন্তর্জাতিক যেকোন ঘটনায় দূরের দর্শকের মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন পশ্চিমা নীতির প্রতি ইতিবাচক হয়। কিন্তু উপরের সবকটি মিডিয়া যদি একটি ঘটনার জন্য ঘুরে আসেন তবে আপনি একটি নিজস্ব পয়েন্ট অব ভিউ দাঁড় করানোর সাহস পেতে পারেন।
৪।
যুদ্ধ তৈরি করে পুঁজিবাদ টিকে থাকে। প্রতিপক্ষ তৈরি করে অস্ত্র বিক্রি করে অর্থনীতি চাঙ্গা করে পশ্চিম। মধ্যপ্রাচ্যের তেলে পশ্চিমা বিমান চলে এবং সেই মধ্যপ্রাচ্যেই বোমা মারে। সিরিয়া ইসরাঈলের নিরাপত্তার সাথে জড়িত বলে এটা নিয়ে লোকের ভাবনা বেশি কিন্তু আল সৌদ ইহুদীবাদীরা যে ইয়েমেনের গরীব হুথিদের মারছে তা নিয়ে পৃথিবীর মিডিয়ার চিন্তা কম। কারণ গরীব ইয়েমেনের স্যান্ডেল পায় দেয়া হুথিরা পেট্রো ডলার দিয়ে পশ্চিম থেকে অস্ত্র কিনতে পারবেনা। আইএস সন্ত্রাসী কুকুরদের মিডিয়া কাভারেজ না দিলে ঐ বর্বর, অসভ্যদের পরিচিতিটা আসতোনা। পৃথিবীর প্রতি মিডিয়ার আরো বেশি দায়িত্ত্বশীল হওয়া এখন সময় ও মানবতার দাবি।
৫।
বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধের দিকে বাংলাদেশকে ঠেলে দিতে চাওয়া মিডিয়াগুলোর এই সংবেদনশীল সংবাদ কাভার করতে গিয়ে শব্দ চয়নে সাবধান হওয়া জরুরি। রিটা কাটজের দেয়া তথ্য বিশ্বাস করবেন আপনারা আর বাংলাদেশের গোয়েন্দা, পুলিশ ও আর্মিদের কথা উপেক্ষা করবেন, তা কেন? এই মানসিকতা পরিহার করুন। সংবাদ বিক্রির পাশাপাশি একটু দেশপ্রেম ও মানবতা ধারণ করুন। এই মুহূর্তে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামের পশ্চিমা প্রকল্পে আমাদের সম্পৃক্ত করার বুদ্ধিবৃত্তিক অপচেষ্টা বন্ধ করুন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, সোয়াত দেশের সকল সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটন করতে পৃথিবীর যেকোন বাহিনীর চেয়ে যোগ্য, সক্ষম, দুর্ধর্ষ ও সক্রিয়। তাদের কাজ করতে দিন। আর সকলে প্রার্থনা করুন বর্বর, সন্ত্রাসী, পিশাচ জঙ্গী অমানুষদের হাতে আর যেন কারো রক্ত না ঝরার আগে ওদের শায়েস্তা করতে পারে আমাদের নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী।
.
![]() |
| জীবন বাজি রেখে ওরা আমাদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য লড়াই করছে। আর কিছু জঘন্য কীট এই অভিযানকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। |
হামলায় নিহত পুলিশের কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রইলো। র্যাবের গোয়েন্দাপ্রধানসহ যারা আহত হয়েছে তাদের জন্য হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে দোয়া করি সুস্থতার জন্য। আমাদের নিরাপদে বিচরণের জন্য যে সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনী নিরলস জীবন বাজি রেখে অভিযান পরিচালনা করছেন তাদের বিনম্র শ্রদ্ধা আমাদের। ২০১৭ সালের স্বাধীনতা দিবসে এই অসভ্য, জঙ্গী, সন্ত্রাসী কুকুরদের নির্মূল করতেই হবে। বাংলাদেশের বুকে এই কুলাঙ্গারদের কোন ঠাঁই নাই। একসাথে বাংলা মায়ের সম্ভ্রম ও অসাম্প্রদায়িক অহংকার রক্ষায় আমরা যার যার জায়গা থেকে চেষ্টা করবো। চলুন একসাথে উচ্চারণ করি:-
`মা গো, ভাবনা কেন?
আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে
তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি
তোমার ভয় নেই মা, আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।'
.
![]() |
| জঙ্গীদের ছাড় দেয়া হবেনা। জঙ্গীদের বুদ্ধিবৃত্তিক সমর্থন দেয়া বদমাশদেরও ছাড় দেবেনা বাংলার জনতা। |
এখন প্রতিবাদের সময়। এখন প্রতিরোধের সময়। বাংলাদেশের লাল-সবুজ অস্তিত্ত্বকে যেসকল মূর্খ, ওয়াহাবী, ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীরা কলুষিত করেছে তাদের একটাকেও ছাড় দেয়া যাবেনা। এই বাংলাদেশে ওদের বাপ শায়েখ রহমান আর বাংলা ভাইয়ের মত নব্য জঙ্গীদের নির্মমভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। এই মার্চেই গেয়েছিলাম ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার গান। এই মার্চেই ফের গাইবে বাঙালি-
জয় বাংলা বাংলার জয়
হবে হবে হবে হবে হবে নিশ্চয়
কোটি প্রাণ একসাথে জেগেছে অন্ধরাতে
নতুন সূর্য উঠার এইতো সময়
জয় বাংলা বাংলার জয়।
কোন সন্ত্রাসী, খুনী, জঙ্গীবাদী, অমানবিক, বর্বর, মতবাদে বিশ্বাসী সাইকোপ্যাথিক টেররিস্টদের নয়; জয় বাংলাদেশ, বাংলা ও বাঙালির হবে।


