কাল গভীর রাত থেকে আজ পর্যন্ত বিশিষ্ট বিরক্তিকর ভাঁড় ও অল্পবুদ্ধির লেখাপড়া কম জানা হীনম্মন্য মানের ছোটখাটো মাঝারি মানের স্ট্যাটাস ল্যাখক আবুল খয়ের মোহাম্মদ রইছুদ্দিন ঢালী যে বকবক করছেন এর কারণ দেখেন। সলিমুল্লাহ খান তার মেধা দিয়ে স্মরণশক্তি দিয়ে পড়াশোনা করে যে জ্ঞান পুনরুৎপাদন করেন তাতে তাকে অসম্মান করার কিছু নেই, তার ক্রিটিক থাকতে পারে।
তাই পড়াশোনা না জানা রইছুদ্দিন ঢালী যখন সলিমুল্লাহকে ছোট করেন তার প্রতিবাদ আমাদের করতে হয়। তাতে আবার রইছুদ্দিনবাটখারার আঁতে ঘাঁ লাগে এবং তিনি ক্ষেপে ওঠেন😃 প্রশ্ন হলো, যিনি স্বঘোষিত ভাঁড় (যদিও বিরক্তিকর ভাঁড়, এবং ভাঁড় ও লেখক হিসেবে হিরো আলম রইছুদ্দিনের চেয়ে শক্তিশালী) রইছকে ভাঁড় বললে তাতে তার আপত্তি বা 'সম্মানহানি' হওয়ার কিছু নাই। নিজেকে ভাঁড় বলে প্রকৃতপক্ষে কেউ যেন তারে ভাঁড় না বলে সে ব্যবস্থা করেন রইছ। তার নিম্নমানের স্ট্রাটেজি ডিকোড করলে দেখবেন সে যে মূলত ছোট এটি বললেই তার ছোট গাত্রে দাহ হয়। যাহোক, জনৈক ব্যক্তি রইছুদ্দিনের সলিমুল্লাহকে ছোট করা কমেন্ট পোস্ট করার পর আমার মন্তব্য হয়
"আর তথ্য ধারণ করার সক্ষমতা ও যোগ্যতা না থাকাই বিশিষ্ট বিরক্তিকর ভাঁড় আবুল খয়ের রইছুদ্দিন ঢালীর (অপ)জ্ঞান।
ছোটখাটো নিম্নমানের স্ট্যাটাস লেখক ও সাক্ষাৎকার ব্যবসায়ী রইছুদ্দিন যা করছেন একে বলে মুদি দোকানদারি।"
এরপর জনাব পোস্টকারীকে রইছুদ্দিন অনুরোধ করেন,"*******, আপনার ওয়াল ব্যবহার কইরা ফেসবুক ইউজার মঈনুল রাকীব আমার সম্মান নষ্ট করতেছেন। ওনার কমেন্ট ডিলিট করার জন্যে অনুরোধ করতেছি।"
***** "ওকে। ডিলিট করে দিচ্ছি"
রইছ বাহে এতে 'থ্যাংক্স' দেন।
পরে আমি এতে আপত্তি জানাই। কিন্তু আমি কোথায় নষ্ট করলাম তা ভাঁড় রইছুদ্দিন ও পোস্টকারী উভয়ের কাছে জানতে চাই। উত্তর না দিয়ে পোস্ট গায়েব হয়। আমি মনে করি এতে রইছুদ্দিনের আত্মকেন্দ্রীক স্বার্থপর খাই খাই ছোটলোকপনাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কীভাবে, সে নিজেকে তেল মারা স্তুতি শুনতে পছন্দ করে অথচ অন্যের লেখা না পড়ে, না বুঝে তাকে 'ছোট, মাঝারি' ইত্যাদি বলে।
নিজে গাওয়ার যোগ্যতা না থাকলেও অন্যদের গাওয়াকে খাটো করে। এসব করে পাবলিক পোস্ট দিয়ে। অর্থাৎ পাবলিক স্পেসে রইছুদ্দিন উল্টাপাল্টা করবে, কিন্তু পাবলিককে এর কাউন্টার দিতে দেবে না। এর প্রতিবাদ জানালে কমেন্ট ডিলিট করে, ব্লক করে। এটা রইছুদ্দিনীয় ফ্যাসিবাদী হিপোক্রেসিময় ছোটলোকী। তাই আমি পোস্টকারীকে বলি,
"******, আদতে ভাঁড়ের কোনো সম্মান থাকে না। উনি স্বঘোষিত ভাঁড়। উনি লেখক হিসেবেও ছোট। উনার যোগ্যতা নাই এটা আমি দেখাই। এই সত্যকে উনি 'সম্মান নষ্ট' বলে আমার ক্রিটিককে ডিলিট করতে চান। উনি কিন্তু ছোটখাটো স্ট্যাটাস ল্যাখক হয়েও বাটখারায় অনেককে মাপেন, তো ভাঁড় রইছুদ্দিনকে মাপলে তার ইজ্জত কেন যাবে?
কেন আপনি এমন একজন ভাঁড়ের কথায় আমার কমেন্ট ডিলিট করবেন? এটা অন্যায়। রইছুদ্দিন তার ছোটত্বকে ধরিয়ে দিলে নিজের ওয়ালে অন্যকে ব্লক দেয়, আর অন্যের ওয়ালে এলে তেল মেরে নির্দেশ দেয়। আপনি তা কেন পালন করবেন?"
এর উত্তর পোস্টকারী দেননি।
এরপর রইছকে মেনশন করে আমি লিখি," কেন হে ছোট লেখক, 'কমেন্ট পড়ি নাই' লিখে দিলেই তো ভাঁড় হিসেবে নিজের অবস্থানের জানান দেওয়া হয় (এটা কেন লিখেছি এটা সে ভালোভাবে জানে। আমার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে রইছুদ্দিনকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার আগে তার অল্পবুদ্ধির নিম্নমানের স্ট্যাটাসে তার অথর্বচিন্তাকে আমি খারিজ করতাম। এতে তার জ্বলতো এবং সে এসে লিখতো পড়ি নাই। কিন্তু ইদানীং অন্যদের পোস্টের নিচে এসে খুবই মনোযোগ দিয়ে আমার কমেন্ট পড়েন এবং আমার মনে হয় ভয় নিয়ে অপেক্ষা করেন কার পোস্টের নিচে যুক্তি, তথ্য দিয়ে তার কাছাঢিলা লুঙ্গি টান মেরে মঈনুল রাকীব খুলে দেয়। এ কারণে তার আসল ছোটত্ব প্রকাশক আমার কমেন্ট ডিলিট করানোর রইছুদ্দিনীয় কারসাজি বেশ কবছর ধরে চলছে। এতে কখনো সফল, কখনো অসফল। কদিন আগে মারুফ মল্লিক তার আজ্ঞাবহন করে তাকে সফল করেছেন। ) 😃 তো আপনার পড়া নাই, লেখা দুর্বল, আবার ফটর ফটর করেন, অন্যকে ছোট করেন। নিজের ছোটত্ব গায়ে লাগে কেন?"
এরপর আঁতে লাগা ঘাঁকে শুকাতে রইছুদ্দিন হুমকি দিচ্ছেন তার লেখাপড়া না জানা দশার করুন চিত্র যার ওয়ালে প্রকাশ পাবে তাকে ব্লক দেবে😃! এই হচ্ছেন আমাদের ভাঁড়সাবের বর্তমান দশা! আর তার সর্বশেষ স্ট্যাটাস তার ছোট স্ট্যাটাস লেখক হিসেবে ব্যবহার উন্মোচনঅভিযাত্রার সর্বশেষ মাঝারি নিদর্শন।
0 Comments