পোষ্য কোটা নামের অথর্ব-অপদার্থ গণবিরোধী কোটা এখনই চিরতরে উচ্ছেদ কেন জরুরি?
---
#মানুষ গদিতে বসলে বা এর আশেপাশে গেলেই তার বুদ্ধিমত্তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে কি?
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা ন্যায্য আন্দোলনে নেমেছে আর খালি হাতে ফিরেছে এমন নজির একটিও আছে?
পোষ্য কোটাও এবার ইন শা আল্লাহ একেবারে মূলসহ উচ্ছেদ হবে।
প্রশাসনের পণ্ডিতসমাজ চিন্তা করলে বুঝতে পারার কথা, যেহেতু এ ধরনের আন্দোলন করেই তারা এ পর্যন্ত এসেছেন।
শুধু শুধু পরিস্থিতি জটিল করলে প্রশাসনেরই ভাবমূর্তি ক্ষতি হবে। প্রশাসন দুর্বল হবে।
প্রশাসনের এটাও বোঝা উচিত যে, অথর্ব কোটার নির্লজ্জ সুবিধাভোগী বেহায়াপাল কর্মবিরতিতে গিয়ে থ্রেট বা হুঁশিয়ারি দেওয়ার দিন ৫ আগস্ট ২০২৪ এ শেষ হয়েছে।
এরা কর্মবিরতি বা ধর্মঘট ডাকলে সাধারণ-অসাধারণ শিক্ষার্থীরা এক হয়ে ওদের অন্যায্য সুবিধার নির্লজ্জ খায়েশকে প্রতিরোধ করবে।
অতএব, নির্দ্বিধায় জাবি প্রশাসনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মত করে পোষ্য নামের বেহায়া কোটা উঠায় দেওয়া।
পোষ্য কোটা উঠায় দিন নির্ভয়ে। অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের খুশিতে, করতালিতে, স্লোগানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে থাকা সুবিধাবাদী বেহায়া শ্রেণিটি অবিলম্বে গর্তে লুকাবে।
২।
পোষ্য কোটা নামের অথর্ব গণবিরোধী কোটার বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় গর্জে উঠেছে—অনলাইন ও অফলাইন উভয় জায়গায়।
তবে শিক্ষকদের এ নিয়ে সরব আওয়াজ নাই! শিক্ষক সমিতি, প্রগতিশীল শিক্ষক কারোরই না!
এমনকি বড় ছাত্রসংগঠন—ছাত্রদল, শিবির, বাম প্রভৃতিও—চুপ। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ। অনিষিদ্ধ থাকলেও পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিতো না এটা নিশ্চিত! লিটন নাকি নিজেই একটা পোষ্য কোটা!
চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এই ন্যায্য দাবি অবশ্যই মেনে নিতে হবে, হবেই হবে। তাও শিক্ষকরা নির্বিকার!
আজ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে পোষ্য কোটা উচ্ছেদের দাবিতে গণঅনশন করছে জাবির ছেলেমেয়েরা।
প্রশাসনে বিচক্ষণ কেউ থাকলে আজ-কালকেই 'পোষ্যকোটা বিলুপ্ত'—এই ঘোষণা দিতে বলুন৷
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের বিপদে ফেইলেন না৷
এই দাবি না মেনে ছাত্রছাত্রীরা হলে বা হল ভ্যাকেন্ট করে ঘরে ফিরবে বলে মনে হয়না।
৩।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের বুঝতে হবে, নানা তদবিরে হওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মকর্তারা মূলত এই অন্যায্য কোটার সুবিধাভোগী!
তাদের অপদার্থ ছেলেমেয়েরা পোষ্য কোটায় ভর্তি হয়ে অন্যান্য অনৈতিক বা অমেরুদণ্ডী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ফেভার ভিক্ষা করে সিস্টেমে শিক্ষক বা কর্মকর্তা হয়ে যায়! অযোগ্যতার দুষ্টচক্র চলমান থাকে।
কিন্তু আন্দোলনের সময় অলীক স্বপ্ন দেখিয়ে লোক ভিড়ায় ' দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ' শ্রেণির থেকে।
ভালো করে অনুসন্ধান করুন—পোষ্য কোটায় শিক্ষক হওয়া ১০০%ই শিক্ষক-শিক্ষিকার সন্তান। কর্মচারীদের কেউই এটা হয়নি! কিন্তু তলে তলে কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের ক্ষেপিয়ে দেয় শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এবার সেই ফাঁদে পা দিয়েন না।
এই তীব্র অযোগ্য কোটা ব্যবস্থা চালু রাখার বৈষম্যযুক্ত আবদার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট নয়া বাংলাদেশে চলবেনা। অন্যায্য কোটা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ভিত্তিবীজ বিরোধিতার শামিল।
এটা সংশ্লিষ্টরা যত দ্রুত বুঝবেন ততই কল্যাণ।
৪|
কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ গত ৩০ জানুয়ারি দেখলাম লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে ৪ দফা—মানববন্ধন, কর্মবিরতি, ভর্তি পরীক্ষা বর্জন, সব অফিসকে এই অযোগ্যতার পক্ষে আনা ইত্যাদি—ঘোষণা দিয়েছে; অথর্ব পোষ্য কোটা বহাল রাখার জন্য।
ছাত্রছাত্রীদের উচিত পরীক্ষা হওয়াটা নিশ্চিত করা। এরপর অথর্বদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করা।
পরিষদের এই দফায় স্পষ্ট মিথ্যাচার করা হয়েছে যে, কোটাধারী অপদার্থপাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকেনা।
আমাদের সাথে ৩-৫ মাস ক্লাস হওয়ার পরে হঠাৎ ক্লাসে উদয় হওয়া যে কোটাপাল পড়েছে তাদের প্রতিটি অপদার্থ হলে থেকেছে।
এবং শিক্ষক নামের তেলা মাথায় তেল দেওয়া একচোখাদের পিরিতের ভান্ডার তাদের জন্য খুলে দেওয়ায় তারা নম্বরের বন্যায় ভেসে গিয়ে শিক্ষক পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে!
তাদের একাডেমিয়ায় আসাটাই হচ্ছে একটি স্পষ্ট অনৈতিক প্রক্রিয়ায়। পরে শিক্ষকদের দলকানা, পোষ্যকানা পৃষ্ঠপোষকতায় নানা শো অফ এচিভমেন্ট ইনসাফের দৃষ্টিতে গণনাযোগ্য যোগ্যতা নয়।
দ্বিতীয় মিথ্যাচারে এরা বলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সিটের বাইরে পোষ্যকোটারুরা আসে৷ তাই অন্যদের এ নিয়ে ভাবার কথা না।
না, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অতিরিক্ত শ খানেক ছাত্রছাত্রী পোষ্য কোটা থেকে নেওয়া হবে তা সাধারণ মানুষের সন্তানদের থেকে নেওয়াই ইনসাফ।
এরা এতো সুবিধা পেয়েও যদি অপদার্থ বা বখাটে হয় তার দায় বিশ্ববিদ্যালয় নিতে পারেনা।
ঐ আসনগুলো দূর-দূরান্ত থেকে কষ্ট করে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা কৃষক-শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সন্তানদের কপালে জুটুক। এটাই ন্যায়। এটাই ইনসাফ। এটাই হক্ব।
যারা বলবেন কর্মরত হরিজন বা মালি ইত্যাদি সম্প্রদায়ের জন্য ১% কোটা রাখা যায় তারা বলুন, অন্তত এখানে কর্ম নাই এমন হতদরিদ্র হরিজন, কৃষক-শ্রমিক শ্রেণির সন্তানদের কী কোটা দেবেন?
আমি তখন দ্বিতীয় বর্ষে—২০১৩ এর দিকে—পড়ি। একটি ছেলে পরিবারের একমাত্র সম্বল গরু বিক্রি করে ভর্তি পরীক্ষার কোচিং করে পরীক্ষা দিতে এসেছে! ওয়েটিংয়ে থেকেও চান্স হয়নি! তার কোটা কে দেবে?
আহমাদ নামের একটি ছেলের সাথে আমার পরিচয় আছে। মানুষের ক্ষেতে কিষাণ দিয়ে বা কামলা খেটে কয়েক হাজার টাকা জমিয়ে সে পরীক্ষা দিতে এসেছিল। জাবিতে হয়নি। একে কী কোটা দেবেন?
ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা গ্রামের দরিদ্র মেয়েটি বা ছেলেটি বা তাদের পরিবারের অভাবের কথা ভেবে বলুন, পোষ্য কোটা কীভাবে জায়েজ হয়?
অর্থে-বিত্তে, সামাজিক সুবিধায় পিছিয়ে থাকা সত্যিকার মানুষের জন্য কোটা নিশ্চিত করতে না পারলে বাকিসব কোটা মূলত সুবিধাবাদের ধ্বজাফলক—সুস্পষ্ট বেইনসাফ, মানুষের হক্ব নষ্ট।
৫।
পোষ্যকোটা কীভাবে পরিবেশ দূষিত করে সেটি নিয়ে দুই লাইন বলি।
সত্য ঘটনার ওপর বর্ণিত এ গল্প আপনাদের সবার জানা। কারণ, কম-বেশি সব বিভাগে এইসব অপদার্থ একটি-দুটি বা তারও অধিক ছিল। 'বিসমিল্লাহর গলদ' এইসব পোষ্যকোটাদের অবশ্য ভক্তশ্রেণিও পাবেন প্রতি ক্লাসে!
ধরুন, আপনার ক্লাসে পোষ্যপুত্র বা পোষ্যকন্যা আছে। ক্লাস শুরুর দিকে না এসে পরের দিকে, কখনো কয়েক মাস ক্লাস হয়ে গেলে উনারা উদিত হলেন!
ইহারা যদি শিক্ষক বা শিক্ষিকার সন্তান হয় তাইলে বাকিসব শিক্ষক এদের দেখলে এতো মৃদু হাসি দিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করবে যেন কালকেই এরা ডিপার্টমেন্টে যোগদান করবে। শিক্ষক/শিক্ষিকা কেবল লজ্জায় পোষ্যদের 'ছার বা ম্যাদাম' বলতে পারছেনা। কিন্তু মুখে না বললেও ঈশারায়, হাতে-পায়ে, সম্বোধনে, কাজে-কর্মে, নম্বর বণ্টনে এটি স্পষ্ট করে দেবে।
পোষ্যদের বাবা-মা মানে আমাদের ছার (কদাচিৎ ম্যাঁয়াম') আবার নিয়মিত ঐ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে ফোন দেবেন, দেখা হলে নানা অপ্রয়োজনীয় বিষয় জানতে চাইবেন। খোশগল্প করবেন। বাসায় ডেকে ভাত খাওয়াবেন। টিচার্স ক্লাবে জল খাবেন। সব কিছুর মূল হল পোষ্যছানার রেজাল্ট অর্থাৎ নম্বর ঠিকঠাক দিচ্ছো তো তোমাদের ভবিষ্যৎ 'খলিগ/খলিগা'কে? আমি কিন্তু প্রশাসনের কাছের। তোমাদের 'ইন্টারেস্ট' আছে ওরা ভালো করলে!
এরপর ধরেন, তাৎক্ষণিক পরীক্ষায় হিজ অর হার এক্সিলেন্সি পোষ্যটি লিখতে দুর্বল!
ফলে টিচারদের বেশি বেশি এসাইনমেন্ট দিতে বলবে যেন বাড়িতে বসে 'বাবা, মা ছেলে মেয়ে' মিলে 'xtraaখঠিনস' এসাইনমেন্ট নিয়ে আসতে পারে! এতে নম্বর উঠাতে সুবিধা হয়!
অন্যদিকে পরীক্ষায় উল্টাপাল্টা নম্বর দেখে ফেলেন কী না এ কারণে খাতাও অনেক সময় ফেরত দেবেনা!
দিনশেষে যে পোষ্যদের কোনো ডিগ্রি কলেজ বা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় টেকার যোগ্যতা নাই তারা আপনার বিভাগে মেধাতালিকায় উপরে উঠে প্লেস পেয়ে যাবে এবং পোষ্যটির পিতা-মাতা বিদ্যমান প্রশাসনের পদলেহনকারী হলে বিভাগে শিক্ষক-শিক্ষিকা হিসেবেও তাদের দেখতে পারেন! বিভাগের চেয়ারম্যান নিজের মেরুদণ্ড খুলে জমা দিয়ে হক্ব নষ্টের দোকান খুলবেন।
এরপর ফেসবুকে তাদের এতো গুণকীর্তন দেখবেন, তাদের প্রশংসার স্তুতিতে অফলাইন অনলাইন এমনভাবে প্রকম্পিত হবে যে চারপাশে শুনবেন,' ও/উনি পোষ্য হলেও হেভি মেঢাবী! ওয়াও, অসসাম লেখছার দেন...! পোষ্যটিজ্ঞানঢিভি'!
এটাই পোষ্য কোটার জীবনচক্র। সর্বহারা রিপন মিয়ার ভাষায়—এটা বাস্তব।
এই নির্মম বাস্তবতাকে এবার 'নাই' করে দিতে হবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কিছুতেই পোষ্যকোটা বিষয়ে ছাড় দেওয়া যাবেনা।
একইসাথে স্বামী বা স্ত্রী কোটা নামের শরমহীন কোনো কোটাও আর জাবিতে থাকতে পারবেনা। ভিসি কোটার মত এগুলোও বাতিল হবে। এমন একটা অন্যায্য কোটা ছিল এবং তা এখানে প্রয়োগও হয়েছে অথচ এ নিয়ে কোনোদিন কোনো শিক্ষক বা শিক্ষিকা টুঁ শব্দটি করেনি। একে বলে শ্রেণিস্বার্থ!
এতোগুলো মানুষ মরে গেলো এদেশে কেবল এই কোটা উচ্ছেদের আন্দোলনকে সরকার ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি বলে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করি এখান থেকে শিক্ষা নেবে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ায় ভুল হলে ভুলকারীদের পরিণতি একই।
আর কোটাপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সাবধান। এই বাংলাদেশে আর কোনো বৈষম্যমূলক সুবিধা কাউকে দেওয়া হবে না।
ইতোমধ্যে অনেক বিবেকবান আত্মমর্যাদাসম্পন্ন শিক্ষক-শিক্ষিকা স্পষ্ট করেছেন তারা পোষ্য কোটা রাখতে চান না। অবশ্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক যেভাবে পোস্ট দিয়ে এই কোটার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন তা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা যাচ্ছেনা। এমনকি পোষ্য কোটা উচ্ছেদের ব্যাপারে একটি সমন্বিত বিবৃতিও দিতে ব্যর্থ আমাদের শিক্ষকগণ। অন্যায্য সুযোগ নেওয়ার ওকালতি বয়ানের প্রতিবয়ান: আলাপ-উন্মোচন-বিনির্মাণ তারা হাজির করেননি। অবশ্য আশা করি আমাদের বিবেকসম্পন্ন শিক্ষকবৃন্দ পোষ্যকোটার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে দাঁড়াবেন। ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর নজির আছে।
এবার পোষ্য কোটা উচ্ছেদের ব্যাপারে বিশাল জনমত গোটা বাংলাদেশে। অন্তত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনচেতা বিবেকবান ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সব ধরনের অন্যায্য সবিধার ব্যাপারে অভাবনীয় ঐক্য রয়েছে।
মনে রাখবেন—ঐক্যই শক্তি। এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সব ধরনের অবৈধ কোটার মূলোৎপাটন করতে হবে।
এখনই সময়। এখন অন্যায্য কোটার জন্য আন্দোলন করলে অন্যায্য কোটার সুবিধাভোগী কেউও পাশে এসে বলবেনা—'আমিও কোটারু'। আজ পর্যন্ত কোনো অবৈধ কোটা সুবিধা গ্রহণকারী কোটার পক্ষে প্রকাশ্যে দাঁড়ায়নি, কোটায় চাকরি বা সুবিধা নিয়েছে তাও স্বীকার করেনি।
এখন, এই মুহূর্তগুলোকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে পোষ্য কোটার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে সবাই আওয়াজ দিন।
এখন না হলে আর কোনোদিনও পোষ্য কোটার অভিশাপ থেকে মুক্তি আসবেনা।
Now or Never—ইংরেজি এই প্রবচনটি এখনের জন্য ভীষণ প্রযোজ্য।
আর এখন পোষ্য কোটামুক্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করে ইনসাফের ইতিহাস বিনির্মাণেরও অনন্য সুযোগ।
0 Comments