গোপালগঞ্জ জেলার প্রাণকেন্দ্র টুংগীপাড়া উপজেলার ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় তিনহাজার কৃষক এবছর ধানচাষে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হতে পারে।এর কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মধুমিতর ক্ষুদ্র প্রশাখা বাঘিয়ার নদীতে ও দেখা দিয়েছে।উপজেলার সর্ববৃহত্ ও সমৃদ্ধ গ্রাম গিমাডাংগার কৃষক ও জমির মালিকরা এর জন্য চিন্তিত।মূলত তাদের এই চিন্তার কারণ বাঘিয়ার নদীর পানির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।এবছর শান্তিয়া,মধুতলা,নটাভাঙা,হোগলা,মশিয়া,জয়ানদি,ডুমুরতলা,চড়ার ডিম ও পূবের বিল প্রভূতি স্থানের চাষযোগ্য জমিতে অতিরিক্ত পানি জমার কারণে কৃষকেরা ধানরোপন করতে পারছেনা।সারা পৃথিবিতে উষ্ণতা বৃদ্ধিতে এন্টার্কটিকার বরফ গলে বিপুল পরিমাণ পানি পাঁচটি মহাসাগরে এসে প্রায় একফুট পানির উচচতা বাড়াচ্ছে।এর কারণে বাংলাদেশের মত নিম্নভূমির দেশের নদীগলোর পানি বেড়ে যায়।যার কারণে এই শুষ্ক মৌসুমে ও সারাদেশে পানিতে থৈ থৈ করছে।গিমাডাংগার শাহজালাল সজু নামক এক কৃষক বলেন,''পানি বাড়ার জুন্নি সুমায় প্রায় শেষ ওয়ে গেলিও সব জমিতি ধান রুতি পারি নাই।এহোনো পুনারো কাঠা বাহি রইছে ।পানি এইবাবে বাড়তি থাকলি ধান সব মরি যাবে।আল্লায় জানে কী অয়।''পৃথিবীব্যাপি এই বিপর্যে আমরা ও শঙ্কিত।মহান আল্লাহ বাংলাদেশের উপর বিশেষ করে টুংগীপাড়ার গরীব কৃষকেদের উপর অনুগ্রহ করুক।