সর্বশেষ

টুংগীপাড়ায় ১৮ এসেছে নেমে!

বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত উপজেলা টুংগীপাড়ায় গত ১৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিপুল উত্‍সাহ-উদ্দীপনা আর উত্‍সবের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়।সকালে উপজেলা পরিষদে পান্তা ভাত আর মরিচ এর সাথে ইলিশ দিয়ে 'গণভোজের ' মধ্য দিয়ে দিনটির অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।এরপর বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা প্রদর্শন করা হয়।এসময় বিপুলসংখ্যক জনতা করতালির মাধ্যমে খেলোয়ারদের অভিনন্দন জানান।এরপর একে একে বাংলার বিভিন্ন প্রাচীন খেলা ও ঐতিহ্যের প্রদর্শনী চলে।পুরো অনুষ্ঠানে উপস্খিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যান।বরাবরের মত ১লা বৈশাখে ও টুংগীপাড়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও জমজমাট স্থান ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি শেখ মুজিবর রহমানের সমাধি সৌধ।সকাল হওয়ার পর থেকে ই এখানে নানা বয়সের মানুষ আসতে শুরু করে।বেশিরভাগ দর্শনার্থীদের এদিন এতিহ্যবাহী বাঙালির সাজে দেখা গিয়েছিল।তবে এতো আনন্দের মাঝে ও কিছু নিকৃষ্ট মানসীকতার উগ্র মেয়ে ও ছেলেদের নোংরা পোশাক ও আপত্তিজনক চলাচল জাতির স্থপতির সমাধির অসম্মান করেছে-এটা বলা আবশ্যক।আমরা সমাধি সোধের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নিকট এই দাবী জানাতে বাধ্য হই যে, অবিলম্বে সৌধে প্রবেশের একটা কঠোর নীতিমালা তৈরি করা হোক যাতে যেকোনো নারী তার নোংরামী,বেহায়াপনা আর যৌনচাহিদা পূরনের একমাত্র মাধ্যম এই পবিত্র মহান ব্যক্তির সমাধি সৌধকে মনে না করে ।সন্ধ্যায় স্থানীয় পাটগাতী বাজারের পৌর মার্কেটে ইসলামী ব্যাংকের অর্থায়নে এক বর্ণাঢ্য'১লা বৈশাখ উদযাপন অনুষ্ঠান' অনুষ্ঠিত হয়।এবার ই প্রথম সারা বাংলাদেশে এই ধরনের উত্‍সবে ইসলামী সংগীত পরিবেশিত হল ।এই অনুষ্ঠানে এত বেশি সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয় যে টুংগীপাড়ার ইতিহাসে এত মানুষ খুব ই কম একজায়গায় দেখা গিয়েছে।সবাইকে ১৪১৮ এর বৈশাখী শুভেচ্ছা।
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments