সর্বশেষ

পাটগাতী ইউপি নির্বাচন:নিরীক্ষার নিরীক্ষা

এই লেখা যখন আমি লিখছি তখন পাটগাতী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত তরুণ চেয়ারম্যান মাসুদ গাজীর মেয়াদ ১৭ দিন হয়ে গেল ।পাঠক আপনি হয়ত নির্বাচনের পূর্বে আমার লেখা পর্যবেক্ষণটি পড়ে থাকবেন,সেখানে আমি যে যৌক্তিক মূল্যায়ন করেছিলাম আমি তা তখনকার গ্রাম্য মুরব্বিদের ভাবগতি দেখে ই করেছিলাম।তবে আমরা যতই আধুনিকতার কথা বলি আমরা কিন্তু এখনো লোভ,পরশ্রীকাতরতা ছাড়তে পারিনি।এবারের নির্বাচন আমাকে প্রত্যক্ষভাবে এসব জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করেছে।
এবারের নির্বাচনে তৌফিক হোসেন প্রার্থী ছিলেন ততক্ষণ যতক্ষণ তিনি নিজে পূর্বপাড়ার ছেলে হিসেবে ভোট চেয়েছেন,কিন্তু যখনই তার কর্মীরা অপরপ্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেনের জন্য ভোট চাওয়া শুরু করলো তখন সাধারণ জনতা তার ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলল।তাদের ভাষ্য ছিল এরকম,'সে নিজের জন্য ভোট চাক,আমরা তাকে গিমাডাংগার ছেলে হিসেবে ভোট দিব।কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে যা মনে হচ্ছে তাতে সে(তৌফিক হোসেন)যেন জাহাঙ্গীর হোসেনের এজেন্ট হিসেবে দাঁড়িয়েছে।'এছাড়া তার সঙ্গে যেসকল নেতাকর্মীরা ছিল তাদের মধ্যে একমাত্র খালিদ বিশ্বাস ই ছিলেন সামাজিকভাবে গ্রহণীয় ব্যক্তি।আবার,তৌফিক হোসেন নিজে বিজয়ী হতে চাচ্ছেননা এটা যখন জনগণ বুঝে ফেলল তখন তারা যেসব ভোট জাহাঙ্গীর হোসেনকে দিতেন সেসব ভোট ও মাসুদ গাজীকে দিলেন।তৌফিক হোসেনের অপকৌশল আর আত্মমর্যাদাহীনতা তার জনপ্রিয়তা শুণ্যের কাছাকাছি নামিয়ে দেয়।খালিদ বিশ্বাসের ভাষায়,'...আমি যখন প্রচণ্ড আবেগ আব ভালবাসা দিয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে কাপ-পিরিচ মার্কায় ভোট চাই,ঠিক তখনই পাশের সবাই দেয়াল ঘড়ির জন্য দোয়া চায়।এরকম ঘটনা আমাকে প্রচণ্ডভাবে মর্মাহত করে,আমি বিস্মিত হই!'পরিশেষে আমি মাসুদ গাজীর সাফল্য কামনা করি,ব্যক্তিগতভাবে আমি তাকে গভীরভাবে ভালোবাসি।আমি তার কাছে একটা দাবি জানাবো আর তা হলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখার দৃঢ় অনুরোধ করছি।মাসুদ ভাই, গিমাডাংগা এতো বড় গ্রাম এখানে একটা স্থায়ী খেলার মাঠ নেই...বিষটা বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবেন আশা করি 1
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments