সর্বশেষ

রাজনীতিজীবীদের নতুন ফাঁদ আবিষ্কার

আমি মন থেকে হরতালের অপরাজনীতিকে ঘৃণা করি।
রাজনীতিজীবীরা সাধারণের তেমন প্রয়োজনে আসেননা,কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া।এরা জেলে থাকলেই বরং সাধারণ জনতা ভালো থাকে ।ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন এর সময় উচ্চমূল্যে পন্য কিনেও জনতা ভাল ছিল এই রাজনীতিজীবীরা জেলে ছিল বলেই।এটা প্রাথমিক কথা,এটা জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।


তথাপি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার জামিন নিতে আসা নেতাদের ঢালাও গ্রেফতার করে ভাল করেনি,কিছুতেই ভাল করেনি।
অনেক বড় বড় নৃশংস খুনের,লুটের ও জালিয়াতির এখনো নিষ্পত্তি হয়নি,রাজাকারদের বিচার হয়নি,ইলিয়াস আলীর গুম রহস্য ভেদ হয়নি,বিডিআর হত্যাকান্ড এখনো রহস্যময়,ছাত্রসংগঠনের নেতা কর্মীরা দেদারছে খুন ও গুম হচ্ছে-
হচ্চে সাংবাদিক খুন ও নির্যাতন
....ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি...
তারপরও একটা কল্পনাভিত্তিক মামলায় জামিনপ্রত্যাশী রাজনীতিজীবীদের জেলে পাঠানো অবিশ্বাস্য ব্যাপার!
আরো একবার স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন একটি প্রতিহিংসা চরিতার্থের উপায়ের উদ্ভাবন ঘটল।আওয়ামী লীগ যে অবধারিতভাবে তাদেরই জালে ধরা পড়বে এটা সুনিশ্চিত।
আওয়ামী লীগ কেন এতো বেশি ফ্যাসিস্ট আচরণ করছে?
তারা কী কোন উত্‍স থেকে এই ধৃষ্টতার উত্‍সাহ পাচ্ছে?
যদি পায় তবে কী সেটা,কারা তারা?
যদি না পেয়ে থাকে,তবে কেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ভুলে যাচ্ছেঃ
পিপীলীকার পাখা গজায় মরিবার কালে অথবা
মোমবাতি নিভিবার পূর্বে ধপ করিয়া জ্বলিয়া ওঠে
????
আমি প্রতিহিংসাবিহীন দেশপ্রেমভিত্তিক রাজনৈতিক অঙ্গনের স্বপ্ন দেখি যেখানে
প্রতিনিয়ত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিবে প্রত্যেক রাজনীতিজীবী ।
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments