১।
ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা খুলছি আর প্রথম পাতায়ই দেখি কিছু বিকৃত মানসীকতার উপস্থাপন।দেখলাম বিয়ের বয়স ১৬ করা নাকি খুব খারাপ।দেরিতে বিয়ের কথা বলছেন 'গণ্যমান্য নারীবাদী','বুদ্ধিব্যবসায়ী','অধিকার কর্মী' প্রমুখ।প্রতিদিন প্রায় পত্রিকায় এই নিয়ে প্যাঁচাল।বিরক্তিকর!প্রথমত নারীর বিয়ের বয়স কমিয়ে ১৬ করা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত,কিন্তু এটিই সর্বোচ্চ ন্যায় বিচার নয়।রাষ্ট্র বিয়ের বয়স নির্ধারণ করে দিতে পারেনা।এটি ব্যক্তিগত বিষয়,সামষ্টিক নয়।
২।
একজন ব্যক্তি তার জৈবিক চাহিদা ও অন্যান্য সামাজিক প্রয়োজন মেটাতে বিয়ে করে।আচ্ছা,আমরা যে ১৮ বছরের আগে বিয়ে দিতে চাইনা,তার কারণ কি?নারীর সন্তান জন্মদানের ঝুঁকি ও কথিত মানসীক সমস্যা।প্রথমটা যৌক্তিক।কিন্তু এর জন্য বিয়ে বন্ধ হবে কেন?এর জন্য সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে উত্সাহিত করা যেতে পারে।সেটিও অনৈতিক।দম্পতি সন্তান নেবে কি না সেটি তাদের ব্যাপার,সেটি পুঁজিবাদী নারীবাদী বা রাষ্ট্রের ভাবনার বিষয় না।আর অল্প বয়সে বিয়ে করলে মানসীক সমস্যা দেখা যায় এটি একটি ডাহা অপপ্রচার।এ বিষয়কে কোন গবেষণা নেই।মেডিকেল সায়েন্সে গেলে বরং বেশি বয়সে বিবাহিতদের মানসীক সমস্যা দেখা যেতে পারে।শারিরীক সমস্যার কথা না-ই বললাম।
৩।
বেশি বয়সে বিয়ে করার এই অনৈতিক চিন্তা এসেছে পশ্চিম থেকে।অথচ ঘোর পশ্চিমেই ১৮ এর আগে বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ।যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি স্টেটে ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে ১৬ বা তার নিচে জৈবিক সম্পর্ক স্থাপন বৈধ।এর কারণ কি?কারণ ভৌগলিক ভিন্নতায় বয়ঃসন্ধিক্ষণ এসে থাকে।উষ্ণপ্রধান অঞ্চলের নারীদের নারীত্ত্ব আগে প্রকাশিত হয়।ফলে তাদের আগেই বিয়ে হয়।আরব অঞ্চলে তাই ১০ বছরের মধ্যেই বিয়ের উপযুক্ত হয় নারী।এর একটু পর পুরুষ।আপনি আরবকে পশ্চিমা স্কেলে মাপলে এটি কথিত বাল্যবিবাহ হবে,যা অযৌক্তিক।
শীতপ্রধান ও ককেসীয় অঞ্চলে বয়ঃসন্ধিক্ষণ একটু দেরিতে হয়।সেখানে তাই ১৬ বা ১৮ বছর বয়সের আগে জৈবিক সম্পর্ক প্রকাশ্য নয়।তবে আড়ালে কিন্তু চালিয়েই যায়।এখন আমি আপনি তা বন্ধ করতে পারবো?না,এটি নৈতিকতার ব্যাপার।আপনি বিয়ে করবেন আপনার নৈতিকতাকে সমুন্নীত রাখতে।আপনাকে সৃষ্টি করতে।এখন ভোগবাদ বিয়ে বলতে যেটা প্রচার করছে তা অসত্য,বিয়ে কেবল একসাথে থাকা না।একসাথে থেকে সমাজ,সভ্যতা ও উত্পাদন ব্যবস্থা সচল রাখতে ভূমিকা রাখা।নারী ও পুরুষের চরিত্র ভাল রাখা।
৪।
বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ ও ইদানিং গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের আওতায়।এখানে যৌবনপ্রাপ্তি দ্রুত হয়।একারণেই এখানে কথিত বাল্যবিবাহ দেখা যায়।শত শত বছর ধরে এই ভূখন্ডে অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে আসছে।আমাদের পূর্বপুরুষরা তাতেই সুখ পেয়েছিল।আমরা সামাজিক সেই গঠনতন্ত্র ভেঙে যখনই পশ্চিমা ভোগবাদী নীতি গ্রহণ করলাম সেই অশান্তির শুরু।সেই আসলো চরিত্রহরণ,ইজ্জত নেয়া,ধর্ষণ,গণধর্ষণ,স্ক্যান্ডাল,ব্রেক আপ নামের শরীরপিয়াসী সিস্টেমের গ্রহণযোগ্যতা এবং তা চলছে ধুমছে।
৫।
এখন ধরি,কেউ কেউ বেশি বয়সে বিয়ে করতে চায়।ধরলাম এদের সংখ্যা ৫০%।তো এদের জন্য বাকি ৫০% এর উপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন কেন?শহুরে পর্ণোগ্রাফি দেখা সমাজের ছেলেমেয়ের বিয়ের প্রয়োজন মিটিয়ে ফেলতে পারে নানা উপায়ে।তারা প্রেম করে,অবাধে মেশে,তাদের লিটনের ফ্ল্যাট আছে,চিপা আছে চাপা আছে,স্কাইপ আছে,ইমো ভাইবার,ট্যাংগো,ইনস্টাগ্র্যাম,মেসেঞ্জার ও ফেসবুক আছে।তাদের জৈবিক প্রয়োজন তারা পূরণ করে।কিন্তু গ্রামের ছেলেটি বা মেয়েটি?তার তো বিকল্প উপায় নেই।সে তো কঠোর নৈতিকতার শৃঙ্খলে বন্দি।তাকে আপনি আমি বিয়ে থেকে বঞ্চিত করে কি তার যৌন অধিকার প্রাপ্তি থেকে তাকে বঞ্চিত করছিনা?এটা কি চরম অনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়?
৬।
যদি যুক্তরাষ্ট্রের একেক স্টেটে একেক রকম বয়স চালু থাকে তবে এদেশে কেন নয়?যেহেতু এই নৈতিকতা বিধ্বংসী বাল্যবিবাহ রোধ এসেছে পাশ্চাত্য থেকে সেহেতু তাদের নিয়মেই শহরের মেয়েদের জন্য ১৮ না ৩০ দিক।তাতে কারো আপত্তি নাই,বরং তারা খুশিই হবে।কিন্তু গ্রামের মেয়ে ও ছেলেদের জন্য বয়সের অনৈতিক বাঁধা তুলে নেয়া হোক।বিয়ে করার পূর্ণ অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার।বয়স কোন বাঁধা নয়।আজ যারা বয়সের অজুহাতে বিয়ে বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে এরা এই সমাজ বিধ্বংসী,এরা অনৈতিক,এরা মানব সভ্যতার জন্য হুমকি।
৭।
অপ্রিয় সত্য এখন ছেলে ও মেয়েরা ১০ বছরের পরেই বিপরীত লিঙ্গের ব্যাপারে জেনে যাচ্ছে।পনের বছরের ছেলে মেয়েরা মাধ্যমিক শেষ করছে।এসময় তাদের সেলফোন থাকে।আর অধিকাংশের সেলফোনে পর্ণগ্রাফি একবার না একবার আসে।ফলে সে নীতিভ্রষ্ট হয়ে যেতে পারে।
এখন ছেলে মেয়েরা প্রেম করছে।একটি চরম অপ্রিয় সত্য প্রেম মানেই এখন নিশ্চিত আংশিক বা পূর্ণ শারিরীক যোগাযোগ।তো বিয়ে বন্ধ করে আপনি আমি কি করলাম?ঠিকই তো এইসব বিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া ছেলে মেয়ে শারিরীক সম্পর্ক করছে।এখন সমস্যা হয়না?নাকি বিয়ের আগে জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করে পশুর মত অবাধ যৌনাচার করলে ছেলে ও মেয়ের কোন সমস্যা আপনাদের দেখার বিযয় না?যত দোষ বিয়ে করে বৈধ উপায়ে জৈবিক প্রয়োজন মেটালে,তাইনা?
ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা খুলছি আর প্রথম পাতায়ই দেখি কিছু বিকৃত মানসীকতার উপস্থাপন।দেখলাম বিয়ের বয়স ১৬ করা নাকি খুব খারাপ।দেরিতে বিয়ের কথা বলছেন 'গণ্যমান্য নারীবাদী','বুদ্ধিব্যবসায়ী','অধিকার কর্মী' প্রমুখ।প্রতিদিন প্রায় পত্রিকায় এই নিয়ে প্যাঁচাল।বিরক্তিকর!প্রথমত নারীর বিয়ের বয়স কমিয়ে ১৬ করা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত,কিন্তু এটিই সর্বোচ্চ ন্যায় বিচার নয়।রাষ্ট্র বিয়ের বয়স নির্ধারণ করে দিতে পারেনা।এটি ব্যক্তিগত বিষয়,সামষ্টিক নয়।
২।
একজন ব্যক্তি তার জৈবিক চাহিদা ও অন্যান্য সামাজিক প্রয়োজন মেটাতে বিয়ে করে।আচ্ছা,আমরা যে ১৮ বছরের আগে বিয়ে দিতে চাইনা,তার কারণ কি?নারীর সন্তান জন্মদানের ঝুঁকি ও কথিত মানসীক সমস্যা।প্রথমটা যৌক্তিক।কিন্তু এর জন্য বিয়ে বন্ধ হবে কেন?এর জন্য সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে উত্সাহিত করা যেতে পারে।সেটিও অনৈতিক।দম্পতি সন্তান নেবে কি না সেটি তাদের ব্যাপার,সেটি পুঁজিবাদী নারীবাদী বা রাষ্ট্রের ভাবনার বিষয় না।আর অল্প বয়সে বিয়ে করলে মানসীক সমস্যা দেখা যায় এটি একটি ডাহা অপপ্রচার।এ বিষয়কে কোন গবেষণা নেই।মেডিকেল সায়েন্সে গেলে বরং বেশি বয়সে বিবাহিতদের মানসীক সমস্যা দেখা যেতে পারে।শারিরীক সমস্যার কথা না-ই বললাম।
৩।
বেশি বয়সে বিয়ে করার এই অনৈতিক চিন্তা এসেছে পশ্চিম থেকে।অথচ ঘোর পশ্চিমেই ১৮ এর আগে বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ।যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি স্টেটে ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে ১৬ বা তার নিচে জৈবিক সম্পর্ক স্থাপন বৈধ।এর কারণ কি?কারণ ভৌগলিক ভিন্নতায় বয়ঃসন্ধিক্ষণ এসে থাকে।উষ্ণপ্রধান অঞ্চলের নারীদের নারীত্ত্ব আগে প্রকাশিত হয়।ফলে তাদের আগেই বিয়ে হয়।আরব অঞ্চলে তাই ১০ বছরের মধ্যেই বিয়ের উপযুক্ত হয় নারী।এর একটু পর পুরুষ।আপনি আরবকে পশ্চিমা স্কেলে মাপলে এটি কথিত বাল্যবিবাহ হবে,যা অযৌক্তিক।
শীতপ্রধান ও ককেসীয় অঞ্চলে বয়ঃসন্ধিক্ষণ একটু দেরিতে হয়।সেখানে তাই ১৬ বা ১৮ বছর বয়সের আগে জৈবিক সম্পর্ক প্রকাশ্য নয়।তবে আড়ালে কিন্তু চালিয়েই যায়।এখন আমি আপনি তা বন্ধ করতে পারবো?না,এটি নৈতিকতার ব্যাপার।আপনি বিয়ে করবেন আপনার নৈতিকতাকে সমুন্নীত রাখতে।আপনাকে সৃষ্টি করতে।এখন ভোগবাদ বিয়ে বলতে যেটা প্রচার করছে তা অসত্য,বিয়ে কেবল একসাথে থাকা না।একসাথে থেকে সমাজ,সভ্যতা ও উত্পাদন ব্যবস্থা সচল রাখতে ভূমিকা রাখা।নারী ও পুরুষের চরিত্র ভাল রাখা।
৪।
বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ ও ইদানিং গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের আওতায়।এখানে যৌবনপ্রাপ্তি দ্রুত হয়।একারণেই এখানে কথিত বাল্যবিবাহ দেখা যায়।শত শত বছর ধরে এই ভূখন্ডে অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে আসছে।আমাদের পূর্বপুরুষরা তাতেই সুখ পেয়েছিল।আমরা সামাজিক সেই গঠনতন্ত্র ভেঙে যখনই পশ্চিমা ভোগবাদী নীতি গ্রহণ করলাম সেই অশান্তির শুরু।সেই আসলো চরিত্রহরণ,ইজ্জত নেয়া,ধর্ষণ,গণধর্ষণ,স্ক্যান্ডাল,ব্রেক আপ নামের শরীরপিয়াসী সিস্টেমের গ্রহণযোগ্যতা এবং তা চলছে ধুমছে।
৫।
এখন ধরি,কেউ কেউ বেশি বয়সে বিয়ে করতে চায়।ধরলাম এদের সংখ্যা ৫০%।তো এদের জন্য বাকি ৫০% এর উপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন কেন?শহুরে পর্ণোগ্রাফি দেখা সমাজের ছেলেমেয়ের বিয়ের প্রয়োজন মিটিয়ে ফেলতে পারে নানা উপায়ে।তারা প্রেম করে,অবাধে মেশে,তাদের লিটনের ফ্ল্যাট আছে,চিপা আছে চাপা আছে,স্কাইপ আছে,ইমো ভাইবার,ট্যাংগো,ইনস্টাগ্র্যাম,মেসেঞ্জার ও ফেসবুক আছে।তাদের জৈবিক প্রয়োজন তারা পূরণ করে।কিন্তু গ্রামের ছেলেটি বা মেয়েটি?তার তো বিকল্প উপায় নেই।সে তো কঠোর নৈতিকতার শৃঙ্খলে বন্দি।তাকে আপনি আমি বিয়ে থেকে বঞ্চিত করে কি তার যৌন অধিকার প্রাপ্তি থেকে তাকে বঞ্চিত করছিনা?এটা কি চরম অনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়?
৬।
যদি যুক্তরাষ্ট্রের একেক স্টেটে একেক রকম বয়স চালু থাকে তবে এদেশে কেন নয়?যেহেতু এই নৈতিকতা বিধ্বংসী বাল্যবিবাহ রোধ এসেছে পাশ্চাত্য থেকে সেহেতু তাদের নিয়মেই শহরের মেয়েদের জন্য ১৮ না ৩০ দিক।তাতে কারো আপত্তি নাই,বরং তারা খুশিই হবে।কিন্তু গ্রামের মেয়ে ও ছেলেদের জন্য বয়সের অনৈতিক বাঁধা তুলে নেয়া হোক।বিয়ে করার পূর্ণ অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার।বয়স কোন বাঁধা নয়।আজ যারা বয়সের অজুহাতে বিয়ে বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে এরা এই সমাজ বিধ্বংসী,এরা অনৈতিক,এরা মানব সভ্যতার জন্য হুমকি।
৭।
অপ্রিয় সত্য এখন ছেলে ও মেয়েরা ১০ বছরের পরেই বিপরীত লিঙ্গের ব্যাপারে জেনে যাচ্ছে।পনের বছরের ছেলে মেয়েরা মাধ্যমিক শেষ করছে।এসময় তাদের সেলফোন থাকে।আর অধিকাংশের সেলফোনে পর্ণগ্রাফি একবার না একবার আসে।ফলে সে নীতিভ্রষ্ট হয়ে যেতে পারে।
এখন ছেলে মেয়েরা প্রেম করছে।একটি চরম অপ্রিয় সত্য প্রেম মানেই এখন নিশ্চিত আংশিক বা পূর্ণ শারিরীক যোগাযোগ।তো বিয়ে বন্ধ করে আপনি আমি কি করলাম?ঠিকই তো এইসব বিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া ছেলে মেয়ে শারিরীক সম্পর্ক করছে।এখন সমস্যা হয়না?নাকি বিয়ের আগে জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করে পশুর মত অবাধ যৌনাচার করলে ছেলে ও মেয়ের কোন সমস্যা আপনাদের দেখার বিযয় না?যত দোষ বিয়ে করে বৈধ উপায়ে জৈবিক প্রয়োজন মেটালে,তাইনা?
********************************************
আপনি কখনো ভেবেছেন এই কথিত উপযুক্ত বয়সে বিয়ে আমাদের কি ক্ষতি করছে?আসুন দেখি-
১।নৈতিকতা বলে কিছু নেই।শরীর ঠিকই তার প্রয়োজন পূরণ করছে আপনার চরিত্র ধ্বংস করে
২।আমাদের সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে যাচ্ছে।ব্যভিচারের প্রবণা বৃদ্ধি পেয়েছে।যৌনসন্ত্রাস বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩।সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কথা একটি প্রজন্মকে আমরা ধ্বংস করছি।নাতি,নাতনী,পুতা,পুতনী ইত্যাদি প্রজন্ম আর থাকবেনা ভবিষ্যতে।আমি আর আপনি কোনদিন দাদা,দাদি,নানা বা নানী হতে পারবো না।আমাদের এই অনৈতিক নিয়মে শিক্ষিত ছেলে বিয়ে করে কমপক্ষে ৩০ বছরে।শিক্ষিত নারী অনার্স শেষ করে কমপক্ষে ২৩ থেকে ২৮ এ।তাদের সন্তানগ্রহণ করতে আরো পাঁচবছর।৩৫ বছরেও যদি একটি বাচ্চা হয় তার বয়স ১৫ হতেই বাবা মা ৫০ বছর।গড় আয়ু ৫৫ বছর যেহেতু সেহেতু সন্তানের ছেলেমেয়ে দূরে থাকা বিয়েই না দেখেই পিতামাতার ভবলীলা সাঙ্গ হবে।এভাবে আমরা আমাদের সামাজিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছি,এভাবেই আমরা একটি প্রজন্মকে হত্যা করছি।
আপনি কখনো ভেবেছেন এই কথিত উপযুক্ত বয়সে বিয়ে আমাদের কি ক্ষতি করছে?আসুন দেখি-
১।নৈতিকতা বলে কিছু নেই।শরীর ঠিকই তার প্রয়োজন পূরণ করছে আপনার চরিত্র ধ্বংস করে
২।আমাদের সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে যাচ্ছে।ব্যভিচারের প্রবণা বৃদ্ধি পেয়েছে।যৌনসন্ত্রাস বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩।সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কথা একটি প্রজন্মকে আমরা ধ্বংস করছি।নাতি,নাতনী,পুতা,পুতনী ইত্যাদি প্রজন্ম আর থাকবেনা ভবিষ্যতে।আমি আর আপনি কোনদিন দাদা,দাদি,নানা বা নানী হতে পারবো না।আমাদের এই অনৈতিক নিয়মে শিক্ষিত ছেলে বিয়ে করে কমপক্ষে ৩০ বছরে।শিক্ষিত নারী অনার্স শেষ করে কমপক্ষে ২৩ থেকে ২৮ এ।তাদের সন্তানগ্রহণ করতে আরো পাঁচবছর।৩৫ বছরেও যদি একটি বাচ্চা হয় তার বয়স ১৫ হতেই বাবা মা ৫০ বছর।গড় আয়ু ৫৫ বছর যেহেতু সেহেতু সন্তানের ছেলেমেয়ে দূরে থাকা বিয়েই না দেখেই পিতামাতার ভবলীলা সাঙ্গ হবে।এভাবে আমরা আমাদের সামাজিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছি,এভাবেই আমরা একটি প্রজন্মকে হত্যা করছি।
অতএব বিয়ের উপর থেকে সকল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হোক,নেয়া উচিত-মানবতার জন্য,চরিত্র সুরক্ষার জন্য,প্রাকৃতিক শান্তির জন্য।
(২৭ মে ২০১৫ লিখিত)
0 Comments