আজ শব ই মেরাজ।এই দিনে ফজরের আযানের পর
সামান্য সময়েই বিশ্বনবী মুহম্মদ স আল্লাহর নৈকট্য লাভ করেন।এমনো বর্ণনা
রয়েছে যে তিনি অযুর পানি রেখে যান এবং এসে দেখেন পানি গড়াচ্ছে।এ বিস্ময়কর
অভিযানে মহানবী স প্রথমে জেরুজালেম যান এবং সেখান থেকে সরাসরি মহান
সৃষ্কিকর্তা অভিমুখে।
রফরফ ও বুরাক নামে দুটি বাহন ব্যবহৃত হয় এতে।জিবরিল আ ছিলেন প্রদর্শক।মহানবী স কে এই অভিযানে সৃষ্টিতত্ত্বের নানা রহস্য দেখানো হয়।পূর্ববর্তী যুগের নবী ও রাসূলদের সঙ্গেও পরিচিত করানো হয়।দেখানো হয় বেহেশত ও জাহান্নাম।
রফরফ ও বুরাক নামে দুটি বাহন ব্যবহৃত হয় এতে।জিবরিল আ ছিলেন প্রদর্শক।মহানবী স কে এই অভিযানে সৃষ্টিতত্ত্বের নানা রহস্য দেখানো হয়।পূর্ববর্তী যুগের নবী ও রাসূলদের সঙ্গেও পরিচিত করানো হয়।দেখানো হয় বেহেশত ও জাহান্নাম।
অনেকে সংশয় প্রকাশ করেন এই অভিযান আদৌ সম্ভব বা বৈজ্ঞানিক কি না।আধুনিক
বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে এটি সম্পূর্ণ সম্ভব।কোন কিছু যদি আলোর চেয়ে দ্রুত গতি
লাভ করে তবে তার সাপেক্ষে পৃথিবীর সময় স্থির বা ধীর গতির হয়ে যাবে।ঢাকা
কলেজে থাকতে পদার্থ বিজ্ঞানের মোমিন স্যার বলেছিলেন,এখন পর্যন্ত একবারই কেউ
আলোর চেয়ে দ্রুতগতিতে চলেছে।তিনি মুহম্মদ স এবং তার সাপেক্ষে পৃথিবী স্থির
হয়েছিল।
অনেকে আবার বলেন বেহেশত ও দোজখ ও সেখানে স্থান পাওয়া সকলকে কিংবা ঊর্ধ্বাকাশের বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নবী রাসূলের জীবিত থাকা বৈজ্ঞানিক নয়।এটাও একটা চরম মিথ্যা ধারনা।কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এসে আমাদের এর ব্যাখ্যা দিয়েছি।সমান্তরাল বিশ্ব ধারনা এখন একটি শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।এই তত্ত্বানুযায়ী একাধিক জগত্ পাশাপাশি থাকা ও চলা সম্ভব।
সকলকে পবিত্র মেরাজের শুভেচ্ছা।
(২৭ মে ২০১৪ লিখিত)
অনেকে আবার বলেন বেহেশত ও দোজখ ও সেখানে স্থান পাওয়া সকলকে কিংবা ঊর্ধ্বাকাশের বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নবী রাসূলের জীবিত থাকা বৈজ্ঞানিক নয়।এটাও একটা চরম মিথ্যা ধারনা।কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এসে আমাদের এর ব্যাখ্যা দিয়েছি।সমান্তরাল বিশ্ব ধারনা এখন একটি শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।এই তত্ত্বানুযায়ী একাধিক জগত্ পাশাপাশি থাকা ও চলা সম্ভব।
সকলকে পবিত্র মেরাজের শুভেচ্ছা।
(২৭ মে ২০১৪ লিখিত)
0 Comments