বার্মা বা মিয়ানমারের সন্ত্রাসী অমানুষেরা আরাকানবাসী রোহিঙ্গাদের উপর
অত্যাচার করছে।সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বার্মার অধিকাংশ লোক বৌদ্ধ
ধর্মাবলম্বী।অপ্রিয় হলেও সত্য রোহিঙ্গাদের উপর আক্রমণকারীরা সকলেই
বৌদ্ধ।দাঙ্গাবাজদের মধ্যে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ছিল চোখে পড়ার মত।কিন্তু এরমানে
কি এই যে বৌদ্ধ ধর্ম খারাপ?না,কিছুতেই না।পৃথিবীর অন্যসব ধর্মের মত এটিও
শান্তিপ্রিয় এবং সত্যি বলতে ইসলামের সাম্যবাদের সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মের সবচেয়ে
বেশি সামঞ্জস্য ও দারুন মিল।অনুসারীদের দিয়ে ধর্ম বিচার করা অযৌক্তিক।এটি
অবিচারও।ঐসব সন্ত্রাসী বর্মীদের অপকীর্তি বাকি পৃথিবীর বৌদ্ধরা বহন করতে
পারেনা।তাছাড়া ত্রিপিটক যদি মানদন্ড হয় তবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজ রাখাইন
সন্ত্রাসীরা কেউ সত্যিকার বৌদ্ধ নয়।গৌতম বুদ্ধের অহিংসা পরম ধর্ম তারা ধারন
করেনি।
২।
বার্মার সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণদের কীর্তি দেখে বাংলাদেশে কিছু সাম্প্রদায়িক মানুষের দেখা মিলেছে।এরা বার্মার বৌদ্ধদের নৃশংসতার ভার বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাঁধে চাপাতে চায়।ইবলিশের মত লাইক আর কমেন্টের লোভে ফটোশপ করে রোহিঙ্গাদের সত্যিকার নির্যাতনকে এসব পাপী প্রশ্নবিদ্ধ করছে।এটি চরম অন্যায়,বর্বর ও মূর্খ মানসীকতার প্রকাশ।বার্মার রাখাইন সন্ত্রাসীদের অপকর্মের জন্য যারা বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপর আক্রমণ করার কথা বলে এরা চরম অসুস্থ এবং ইসলামের সাথে এদের একবিন্দু সম্পর্ক নেই।ইসলাম একটি প্রাণীকে পর্যন্ত অকারণে হত্যার অনুমতি দেয়না।সামান্য পিঁপড়ার বেঁচে থাকার অধিকার এ ধর্মে স্বীকৃত।ইসলাম পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটি ঘোষণা করেছে-
যে ব্যক্তি বিনা কারণে একজন মানুষকে হত্যা করলো,সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করলো।
সেই ইসলামের নামে বাংলাদেশের নিরপরাধ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপর যেকোন ধরনের আক্রমণ করা বা আক্রমণাত্মক ধারনা পোষণ করা চরম অনৈসলামিক।ইসলাম বাংলাদেশের বৌদ্ধদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়া শেখায়।এটিই ইসলাম।ইসলাম শেখায় নিজের রক্ত দিয়ে হলেও নিরাপরাধ ব্যক্তির নিরাপত্তা দেয়া।সে ব্যক্তি বৌদ্ধ না সনাতনী না খ্রীস্টান না ইহুদী সেটি ইসলাম খোঁজেনা।ইসলাম সাম্য ও ন্যায়ের ধর্ম।
৩।
ইসলামে আছে একের পাপের বোঝা আরেকজন বহন করবেনা।সবাই যার যার কর্মফল ভোগ করবে।হাশরের মাঠে মা তার ছেলে মেয়েকে পর্যন্ত অস্বীকার করবে।মিজান বা দাঁড়িপাল্লা দিয়ে যার যার কর্মকে ওজন করা হবে।তাহলে বার্মার সন্ত্রাসীদের কুকর্মের ফল এদেশের বৌদ্ধরা কেন ভোগ করবে?ইরাকের সন্ত্রাসী আইএসের অপকর্ম বা খুনী বাশারের অপকর্মের দায়ভার কি ফিলিস্তিনের মুসলমানরা নেবে?কখনোই না।এই Stereotyping অপমানসীকতা সমগ্র মানবজাতির জন্য হুমকি।তাই মায়ানমারের সন্ত্রাসী বা চীনের উইঘুরের সন্ত্রাসীদের অপরাধের দায় বাংলাদেশের বৌদ্ধদের উপর চাপানোর চেষ্টা স্পষ্ট অবিচার,অসুস্থ ও নষ্ট ধারনা।যারা এই অপপ্রচারের সঙ্গে লিপ্ত তারা সতর্ক হোউন।ফেসবুকে বা বাস্তব জীবনে এ দেশে অকারণ ফিত্না ফ্যাসাদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করবেন না।এতে আপনি দেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করবেন,নিজে অপরাধী হবেন এবং ইসলামকে বিতর্কিত করবেন।মুসলমানের সাথে আপনার সাম্প্রদায়িক উস্কানীর একফোঁটা সম্পর্কও নেই।
৪।
বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র।রোহিঙ্গাদের পাশে আমরা আছি,থাকবো।আমরা নিপীড়িত হয়েছি।পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের নিপীড়িত জাতি বা সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষা।তাই বার্মার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমরা প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে দ্বিধা করিনা।কিন্তু সেটি এদেশে দাঙ্গা বাঁধিয়ে নয়।আমরা বাংলাদেশের সকল নাগরিক জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে রোহিঙ্গাদের পাশে আছি।তাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন আছে।আমরা আমাদের সাধ্যমত করছি।বড় বড় মোড়লদের চেয়ে বাংলাদেশ অনেক বেশি করেছে বা করছে রোহিঙ্গাদের জন্য।
সুতরাং যেকোন ধরনের সাম্প্রদায়িক অপপ্রচার ও উস্কানীকে যুক্তি ও তথ্য দিয়ে প্রতিহত করুন।আমরা সুখে শান্তিতে মিলেমিশে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দৌড়ে সামিল হই।
৫।
যেখানেই বাংলাদেশের বৌদ্ধদের ব্যাপারে উস্কানী ও চুলকানীপূর্ণ আলোচনা দেখবেন সেখানেই প্রতিরোধ গড়ুন।এসব সাম্প্রদায়িকতা ধারনকারীরা সংখ্যায় হাতেগোনা।আমরাই বেশি।আমরা যুক্তি,তথ্য ও সুমহান সাম্যের বাণী দিয়েই সাম্রদায়িকতা ও সাম্প্রদায়িক মানসীকতাকে পরাজিত করবো।সে ইচ্ছা ও শক্তি আমাদের আছে।চলুন সাম্প্রদায়িক উস্কানীকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দিই।বাংলাদেশ সবার,সব বর্ণের, সব ধর্মের ।
06.06.2016
২।
বার্মার সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণদের কীর্তি দেখে বাংলাদেশে কিছু সাম্প্রদায়িক মানুষের দেখা মিলেছে।এরা বার্মার বৌদ্ধদের নৃশংসতার ভার বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাঁধে চাপাতে চায়।ইবলিশের মত লাইক আর কমেন্টের লোভে ফটোশপ করে রোহিঙ্গাদের সত্যিকার নির্যাতনকে এসব পাপী প্রশ্নবিদ্ধ করছে।এটি চরম অন্যায়,বর্বর ও মূর্খ মানসীকতার প্রকাশ।বার্মার রাখাইন সন্ত্রাসীদের অপকর্মের জন্য যারা বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপর আক্রমণ করার কথা বলে এরা চরম অসুস্থ এবং ইসলামের সাথে এদের একবিন্দু সম্পর্ক নেই।ইসলাম একটি প্রাণীকে পর্যন্ত অকারণে হত্যার অনুমতি দেয়না।সামান্য পিঁপড়ার বেঁচে থাকার অধিকার এ ধর্মে স্বীকৃত।ইসলাম পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটি ঘোষণা করেছে-
যে ব্যক্তি বিনা কারণে একজন মানুষকে হত্যা করলো,সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করলো।
সেই ইসলামের নামে বাংলাদেশের নিরপরাধ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপর যেকোন ধরনের আক্রমণ করা বা আক্রমণাত্মক ধারনা পোষণ করা চরম অনৈসলামিক।ইসলাম বাংলাদেশের বৌদ্ধদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়া শেখায়।এটিই ইসলাম।ইসলাম শেখায় নিজের রক্ত দিয়ে হলেও নিরাপরাধ ব্যক্তির নিরাপত্তা দেয়া।সে ব্যক্তি বৌদ্ধ না সনাতনী না খ্রীস্টান না ইহুদী সেটি ইসলাম খোঁজেনা।ইসলাম সাম্য ও ন্যায়ের ধর্ম।
৩।
ইসলামে আছে একের পাপের বোঝা আরেকজন বহন করবেনা।সবাই যার যার কর্মফল ভোগ করবে।হাশরের মাঠে মা তার ছেলে মেয়েকে পর্যন্ত অস্বীকার করবে।মিজান বা দাঁড়িপাল্লা দিয়ে যার যার কর্মকে ওজন করা হবে।তাহলে বার্মার সন্ত্রাসীদের কুকর্মের ফল এদেশের বৌদ্ধরা কেন ভোগ করবে?ইরাকের সন্ত্রাসী আইএসের অপকর্ম বা খুনী বাশারের অপকর্মের দায়ভার কি ফিলিস্তিনের মুসলমানরা নেবে?কখনোই না।এই Stereotyping অপমানসীকতা সমগ্র মানবজাতির জন্য হুমকি।তাই মায়ানমারের সন্ত্রাসী বা চীনের উইঘুরের সন্ত্রাসীদের অপরাধের দায় বাংলাদেশের বৌদ্ধদের উপর চাপানোর চেষ্টা স্পষ্ট অবিচার,অসুস্থ ও নষ্ট ধারনা।যারা এই অপপ্রচারের সঙ্গে লিপ্ত তারা সতর্ক হোউন।ফেসবুকে বা বাস্তব জীবনে এ দেশে অকারণ ফিত্না ফ্যাসাদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করবেন না।এতে আপনি দেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করবেন,নিজে অপরাধী হবেন এবং ইসলামকে বিতর্কিত করবেন।মুসলমানের সাথে আপনার সাম্প্রদায়িক উস্কানীর একফোঁটা সম্পর্কও নেই।
৪।
বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র।রোহিঙ্গাদের পাশে আমরা আছি,থাকবো।আমরা নিপীড়িত হয়েছি।পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের নিপীড়িত জাতি বা সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষা।তাই বার্মার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমরা প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে দ্বিধা করিনা।কিন্তু সেটি এদেশে দাঙ্গা বাঁধিয়ে নয়।আমরা বাংলাদেশের সকল নাগরিক জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে রোহিঙ্গাদের পাশে আছি।তাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন আছে।আমরা আমাদের সাধ্যমত করছি।বড় বড় মোড়লদের চেয়ে বাংলাদেশ অনেক বেশি করেছে বা করছে রোহিঙ্গাদের জন্য।
সুতরাং যেকোন ধরনের সাম্প্রদায়িক অপপ্রচার ও উস্কানীকে যুক্তি ও তথ্য দিয়ে প্রতিহত করুন।আমরা সুখে শান্তিতে মিলেমিশে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দৌড়ে সামিল হই।
৫।
যেখানেই বাংলাদেশের বৌদ্ধদের ব্যাপারে উস্কানী ও চুলকানীপূর্ণ আলোচনা দেখবেন সেখানেই প্রতিরোধ গড়ুন।এসব সাম্প্রদায়িকতা ধারনকারীরা সংখ্যায় হাতেগোনা।আমরাই বেশি।আমরা যুক্তি,তথ্য ও সুমহান সাম্যের বাণী দিয়েই সাম্রদায়িকতা ও সাম্প্রদায়িক মানসীকতাকে পরাজিত করবো।সে ইচ্ছা ও শক্তি আমাদের আছে।চলুন সাম্প্রদায়িক উস্কানীকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দিই।বাংলাদেশ সবার,সব বর্ণের, সব ধর্মের ।
06.06.2016
0 Comments