সর্বশেষ

'কৃষক-শ্রমিক'কোটার ব্যবস্থা করুন

প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা পোষ্য কোটার জন্য অযৌক্তিক দাবি নিয়ে সমাবেশ করছে।তাদের দাবি'ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেই পোষ্য কোটাধারীদের ভার্তি করতেই হবে'।তারমানে পাশ করার দরকার নেই,তারা পোষ্য বলে তাদের এই অপসুযোগ!কোন কর্মচারী,কর্মকর্তা বা শিক্ষকের ছেলে মেয়ে হলেই এই অন্যায় সুযোগ পাবে-এমন দাবি মেনে নেওয়া যায়না।তাহলে যে ছেলেটা বা মেয়েটা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছে সে কেবল এই ক্যাম্পাসের চাকরীজীবীদের ঘরে জন্ম নেয়নি বলে বঞ্চিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ থেকে?
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি যদি কোটা দেবেনই তবে যাদের টাকায় আপনাদের বেতন ভাতা দেওয়া হয় সেই 'কৃষক-শ্রমিক'কোটার ব্যবস্থা করুন।পোষ্য কোটার নামে এভাবে ঢালাওভাবে ভর্তি করার কোন অযৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হবেনা,এটি মানবতা।সুবিচার ও যোগ্যতার মূল্যায়নের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সকল সংবাদকর্মী ভাইকে এই অযৌক্তিক ও অবিচারমূলক দাবীর সংবাদ প্রচার না করার বিনীত অনুরোধ করছি।কারো যদি দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হয় তবে তাকে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই পড়তে হবে,মেধার প্রমাণ দিয়ে লড়াই করে আসতে হবে।
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments