ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের ছবি দিয়ে ’সন্ত্রাসের আঁতুরঘর’ লেখার অধিকার কে দিয়েছে আনন্দবাজারকে?
আমরা বাংলাদেশিরা সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। সেকারণেই কলকাতার
আনন্দবাজারের তথ্য সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানাই। সন্ত্রাসেরর আঁতুরঘরের সংবাদে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের ছবি কেন দেবে?
নিব্রাসকুত্তাদের জন্ম দিছে আনন্দবাজার অনুরাগী প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান। ঢাবিতো দেয়নি। তবে ঢাবির ছবি কি উদ্দেশ্যে, হে ভন্ড?
নিব্রাসকুত্তাদের জন্ম দিছে আনন্দবাজার অনুরাগী প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান। ঢাবিতো দেয়নি। তবে ঢাবির ছবি কি উদ্দেশ্যে, হে ভন্ড?
রসকস যুক্ত কথিত নিউজের মধ্যে বুয়েটকে জঙ্গীদের
অভয়ারণ্য বলা হয়েছে। তো সেই প্রতিষ্ঠানের ছবি না দিয়ে দোষটা ঢাবিকে দেয়ার
পিছে বড় ধরেন ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। ফাউল অমিত বসুকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা
উচিত। আর আনন্দবাজার নামের সস্তা চটি সংবাদপত্রকে বয়কট করা উচিত সকলের।
প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের যে গোষ্ঠী আনন্দবাজারের সাথে কোলাবোরেট করে সংবাদ এজেন্ডা সেট করে বা প্রচার করে তারা এই সংবাদটি এখন দেবেনা? নাকি নিজেদের আইনী ঝক্কিতে পড়তে হবে বলে সেইফজোনে থাকা অমিতকে দিয়ে ঢাবি ও বুয়েটের মানহানি করা হলো?
বুয়েটের শিক্ষার্থীদের ধারেকাছেও যোগ্যতায় টিকতে পারেনা ভারতীয়রা, সেটি আমেরিকা ও অন্যান্য জায়গার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পারফরমেন্স থেকে জানা যায়। আমার পরিচিত যারা আমেরিকায় পড়শোনা করছে তাদের কাছ থেকে শুনেছি, বাংলাদেশিদের সাথের মেধায় পিছিয়ে পড়ে ভারতীয়রা । আর কলকাতা তো একটি শিশু শহর কোথাকার! এই পিছিয়ে পড়াটাই কি ঢাবি ও বুয়েটের বিরুদ্ধে আনন্দবাজারের মিথ্যা প্রোপাগান্ডার কারণ?
১২ নভেম্বর, ২০১৬ ‘সন্ত্রাসের আঁতুরঘর বলে চিহ্নিত ঢাকার দেড় ডজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ শীর্ষক সংবাদে সন্ত্রাসের আঁতুরঘর শব্দযুগল ব্যবহর করা হয়েছে। লেখক অমিত বসু আঁতুরঘর শব্দটির মানে জানে কি না সে প্রশ্ন করা যায়। আঁতুরঘর হচ্ছে যেখানে সদ্য জন্মানো শিশুকে নিবিড় পরিচর্যায় লালন পালন করার জন্য লোকবল থাকে। যেখানে জন্ম নেয় নয়াশিশু। অমিত বসু তার লেখায় আঁতুরঘর ব্যবহার করেছেন অথচ ছবি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের । তার মান কি ঢাবির কার্জন হল বা অন্যান্য ভবন, হল সন্ত্রাসের আঁতুরঘর? নিব্রাসরা ঢাবি তে জন্ম নিছে? মিথ্যুক অমিত দেখাক তো কয়টা সন্ত্রাসী পাওয়া গেছে ঢাকা ও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা বুয়েটে । সন্ত্রাসী নিব্রাস যে ভারতের জাকির নায়েক আর শ্রদ্ধা কাপুরের ভক্ত তা কে বলবে মিথ্যুক বাজাইরা অমিত বসুকে? তা কেন বাজারে আসেনা?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গেীরবের কেন্দ্র । এটি নিয়ে যাচ্ছেতাই লিখলে তা মেনে নেয়া হবেনা । কলকাতার স্বার্থপর আচরণকে চ্যালেঞ্জ করেই ঢাবির জন্ম হে অমিত মিথ্যুক বসু। ইতিহাস ঘেঁটে দেখ। ঢাবি জাগলে অন্যায় ও মিথ্যাচার ধ্বসে পড়ে মুহূর্তে।
বুয়েটে যদি ব্যক্তিত্ত্ব ও আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন শিক্ষক-শিক্ষার্থী থাকে তবে আনন্দবাজােরর বাজাইরা সংবাদের কড়া জবাব দেবে আশা করি। আর না দিলে আনন্দবাজারের অভিযোগ সত্য বলেই আমরা ধরে নেবো। বুয়েটে কেউ নেই মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করার?
ঢাবি থেকে প্রতিবাদ আসবে এটা আমার বিশ্বাস। কারণ কলকাতার অমিতদের বর্ণবাদী বাংলাদেশি বাঙালি বিদ্বেষী পূর্বপুরুষের বদমায়েশি থেকে মুক্তি পেতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ঢাবি। দে্শের ইতিহাস-ঐতিহ্যের, সংগ্রামের প্রতীক ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । কার্জন হল একসময় ঢাকা কলেজের পাঠাগার ছিল। ঢাকা কলেজও বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ । পরে তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়েছে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এভাবে বাজেভাবে মানহানি করা কিছুতেই মেনে নেয়া যায়না। আজকের অমিত গংদের নষ্টামী কি ক্ষমা পাবে? পাওয়া উচিত? জঙ্গীবাদ-স্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান খুবই পরিষ্কার। তারপরেও মিথ্যাচার কেন?
সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অসাম্প্রদায়িক পরিবার যাদের সাম্প্রদায়িক প্রমাণ করতে চায় আনন্দবাজারের বাজাইরা এক সংবাদ লেখক। এর আগে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক স্বত্ত্বাকে ভুলুন্ঠিত করতে একাধিকবার আপত্তিকর সংবাদ লিখেছে আনন্দবাজারের ফিকশন লেখকরা । এই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এতোটাই নীচ যে বাংলাদেশের গেীরবে সেীম্য সরকারের পরিচয়ের আগে লিখে দিয়েছিল ‘দলের একমাত্র হিন্দু খেলোয়াড়’। কতটুকু বাজে মানসিকতা হলে হিন্দু ও মুসলমানে পরিচয় দেয় একটি পত্রিকা? এরা কি ভুলে গেছে কলকাতা ও পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ জ্ন্ম নিয়েছে? এদেশে নিব্রাস, জামাতি, জামাতিদের গুরুত্ত্ববহ করা সুশীল গোষ্ঠী কিংবা ইহুদীদের সাথে মিটিং করা এজেন্ট কারো স্থান নেই । এদেশ অসাম্প্রদায়িক । বাংলাদেশ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদকে মোকাবেলা করবে । সেটি তথ্য বা অস্ত্র যে সন্ত্রাসবাদ হোক না কেন । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সে শিক্ষাই দিয়ে গেছেন। প্রোপাগান্ডার মাধ্যম আনন্দবাজারের পতন হোক। নিষিদ্ধ হোক । ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হোক । অন্যথায় বাংলাদেশে আনন্দবাজার নিষিদ্ধ করা হোক।
প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের যে গোষ্ঠী আনন্দবাজারের সাথে কোলাবোরেট করে সংবাদ এজেন্ডা সেট করে বা প্রচার করে তারা এই সংবাদটি এখন দেবেনা? নাকি নিজেদের আইনী ঝক্কিতে পড়তে হবে বলে সেইফজোনে থাকা অমিতকে দিয়ে ঢাবি ও বুয়েটের মানহানি করা হলো?
বুয়েটের শিক্ষার্থীদের ধারেকাছেও যোগ্যতায় টিকতে পারেনা ভারতীয়রা, সেটি আমেরিকা ও অন্যান্য জায়গার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পারফরমেন্স থেকে জানা যায়। আমার পরিচিত যারা আমেরিকায় পড়শোনা করছে তাদের কাছ থেকে শুনেছি, বাংলাদেশিদের সাথের মেধায় পিছিয়ে পড়ে ভারতীয়রা । আর কলকাতা তো একটি শিশু শহর কোথাকার! এই পিছিয়ে পড়াটাই কি ঢাবি ও বুয়েটের বিরুদ্ধে আনন্দবাজারের মিথ্যা প্রোপাগান্ডার কারণ?
১২ নভেম্বর, ২০১৬ ‘সন্ত্রাসের আঁতুরঘর বলে চিহ্নিত ঢাকার দেড় ডজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ শীর্ষক সংবাদে সন্ত্রাসের আঁতুরঘর শব্দযুগল ব্যবহর করা হয়েছে। লেখক অমিত বসু আঁতুরঘর শব্দটির মানে জানে কি না সে প্রশ্ন করা যায়। আঁতুরঘর হচ্ছে যেখানে সদ্য জন্মানো শিশুকে নিবিড় পরিচর্যায় লালন পালন করার জন্য লোকবল থাকে। যেখানে জন্ম নেয় নয়াশিশু। অমিত বসু তার লেখায় আঁতুরঘর ব্যবহার করেছেন অথচ ছবি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের । তার মান কি ঢাবির কার্জন হল বা অন্যান্য ভবন, হল সন্ত্রাসের আঁতুরঘর? নিব্রাসরা ঢাবি তে জন্ম নিছে? মিথ্যুক অমিত দেখাক তো কয়টা সন্ত্রাসী পাওয়া গেছে ঢাকা ও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা বুয়েটে । সন্ত্রাসী নিব্রাস যে ভারতের জাকির নায়েক আর শ্রদ্ধা কাপুরের ভক্ত তা কে বলবে মিথ্যুক বাজাইরা অমিত বসুকে? তা কেন বাজারে আসেনা?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গেীরবের কেন্দ্র । এটি নিয়ে যাচ্ছেতাই লিখলে তা মেনে নেয়া হবেনা । কলকাতার স্বার্থপর আচরণকে চ্যালেঞ্জ করেই ঢাবির জন্ম হে অমিত মিথ্যুক বসু। ইতিহাস ঘেঁটে দেখ। ঢাবি জাগলে অন্যায় ও মিথ্যাচার ধ্বসে পড়ে মুহূর্তে।
বুয়েটে যদি ব্যক্তিত্ত্ব ও আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন শিক্ষক-শিক্ষার্থী থাকে তবে আনন্দবাজােরর বাজাইরা সংবাদের কড়া জবাব দেবে আশা করি। আর না দিলে আনন্দবাজারের অভিযোগ সত্য বলেই আমরা ধরে নেবো। বুয়েটে কেউ নেই মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করার?
ঢাবি থেকে প্রতিবাদ আসবে এটা আমার বিশ্বাস। কারণ কলকাতার অমিতদের বর্ণবাদী বাংলাদেশি বাঙালি বিদ্বেষী পূর্বপুরুষের বদমায়েশি থেকে মুক্তি পেতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ঢাবি। দে্শের ইতিহাস-ঐতিহ্যের, সংগ্রামের প্রতীক ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । কার্জন হল একসময় ঢাকা কলেজের পাঠাগার ছিল। ঢাকা কলেজও বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ । পরে তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়েছে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এভাবে বাজেভাবে মানহানি করা কিছুতেই মেনে নেয়া যায়না। আজকের অমিত গংদের নষ্টামী কি ক্ষমা পাবে? পাওয়া উচিত? জঙ্গীবাদ-স্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান খুবই পরিষ্কার। তারপরেও মিথ্যাচার কেন?
সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অসাম্প্রদায়িক পরিবার যাদের সাম্প্রদায়িক প্রমাণ করতে চায় আনন্দবাজারের বাজাইরা এক সংবাদ লেখক। এর আগে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক স্বত্ত্বাকে ভুলুন্ঠিত করতে একাধিকবার আপত্তিকর সংবাদ লিখেছে আনন্দবাজারের ফিকশন লেখকরা । এই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এতোটাই নীচ যে বাংলাদেশের গেীরবে সেীম্য সরকারের পরিচয়ের আগে লিখে দিয়েছিল ‘দলের একমাত্র হিন্দু খেলোয়াড়’। কতটুকু বাজে মানসিকতা হলে হিন্দু ও মুসলমানে পরিচয় দেয় একটি পত্রিকা? এরা কি ভুলে গেছে কলকাতা ও পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ জ্ন্ম নিয়েছে? এদেশে নিব্রাস, জামাতি, জামাতিদের গুরুত্ত্ববহ করা সুশীল গোষ্ঠী কিংবা ইহুদীদের সাথে মিটিং করা এজেন্ট কারো স্থান নেই । এদেশ অসাম্প্রদায়িক । বাংলাদেশ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদকে মোকাবেলা করবে । সেটি তথ্য বা অস্ত্র যে সন্ত্রাসবাদ হোক না কেন । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সে শিক্ষাই দিয়ে গেছেন। প্রোপাগান্ডার মাধ্যম আনন্দবাজারের পতন হোক। নিষিদ্ধ হোক । ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হোক । অন্যথায় বাংলাদেশে আনন্দবাজার নিষিদ্ধ করা হোক।
