ইতিহাসের উদঘাটন সময়ের দাবি।বহিরাগত দখলদার আর্যরা আমাদের ভূখন্ডে এসে
মত,পথ ও শোষণ চাপিয়েছে।বাংলাদেশের জ্ঞাতিগোষ্ঠী লঙ্কানরা।সেখানে রাবণের
বাস।সেখানে মেঘনাদের বাস।মেঘনাদ কি করেছিল?মেঘনাদ স্বর্গ থেকে তাড়িয়ে
দিয়েছিল দেবতাদের।দেবতা কারা?দেবতারা শ্বেতাঙ্গধারী।রাবণ ও মেঘনাদ শ্যাম ও
কৃষ্ণবর্ণের।অনার্য বাঙাল ও লঙ্কানরাও তাই।বাঙলায় আর্য বর্ণবাদ যেমন স্থাপন
পায়নি,শ্রীলঙ্কায়ও তাই।ধর্মের কথা বলে
উপনিবেশ স্থাপন করতে গিয়ে বাঙাল বংশোদ্ভূত লঙ্কান ও অনার্য বাঙাল কর্তৃক
প্রতিরোধের সম্মুক্ষিণ হয় আর্য বর্ণবাদীরা।এরফলে মেঘনাদ ও রাবণ বিদ্বেষ
শ্রীলঙ্কার জন্য ,আর বাংলায় সমীহ না পেয়ে বেদ পুরানে বাঙলা ও বাঙালকে
গালিগালাজ করেছে বহিরাগত আর্য।
২।
এই ভূখন্ডে বর্ণবাদ স্থান পায়নি।লঙ্কায়ও না।কিন্তু বিভীষণের মত বেঈমানদের কারণে মেঘনাদদের পরাজয় ঘটে।এখানে চিরকাল একটা দুইটা আদিত্য থাকেই থাকে।ফলে মেঘনাদের বিপ্লব জয়ী আর্যরা নেতিবাচকভাবে লেখে।এই ভূখন্ডেরই মেয়ে মিথিলার সীতাকে সতীত্ত্বের পরীক্ষা দিতে হয় বিভীষণদের সহায়তায় বিজয়ী শক্তির কাছে।রামায়ান ও মহাভারতের বিজয়ীরা কি এই ভূখন্ডের আদিবাসী?নাকি পরাজিতরা এ ভূখন্ডের সন্তান?প্রতিক্রিয়াশীলতাকে চ্যালেঞ্জ করে মধুসূদন যে একটু ইঙ্গিত করেছিলেন তা কি ধরতে পেরেছি আমরা?
৩।
বিভীষণের প্রেতাত্মা যেন মীরজাফর।মেঘনাদের ছায়া আছে সিরাজের মাঝে।তারও আগে মেঘনাদ ভর করেছিল ঈশা খাঁর শরীরে।তারপর মেঘনাদ আসে সাঁওতাল বিদ্রোহে।১৮৫৭ সালে মেঘনাদের উত্থান ঠেকে যায়।১৯৭১ সালে চূড়ান্তভাবে গর্জে ওঠে মেঘনাদের রক্তধারা।সিন্ধুর আর্য বংশোদ্ভূতদের তাড়িয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করে মেঘনাদের উত্তরপুরুষ।এবারের ইতিহাস দৈব সহায়তায় বিজয়ী কোন দেবতার নয়।এবার মানুষের বিজয়।এবার অনার্যের বিজয়।এবার এ মাটির সন্তানের বিজয়।
২।
এই ভূখন্ডে বর্ণবাদ স্থান পায়নি।লঙ্কায়ও না।কিন্তু বিভীষণের মত বেঈমানদের কারণে মেঘনাদদের পরাজয় ঘটে।এখানে চিরকাল একটা দুইটা আদিত্য থাকেই থাকে।ফলে মেঘনাদের বিপ্লব জয়ী আর্যরা নেতিবাচকভাবে লেখে।এই ভূখন্ডেরই মেয়ে মিথিলার সীতাকে সতীত্ত্বের পরীক্ষা দিতে হয় বিভীষণদের সহায়তায় বিজয়ী শক্তির কাছে।রামায়ান ও মহাভারতের বিজয়ীরা কি এই ভূখন্ডের আদিবাসী?নাকি পরাজিতরা এ ভূখন্ডের সন্তান?প্রতিক্রিয়াশীলতাকে চ্যালেঞ্জ করে মধুসূদন যে একটু ইঙ্গিত করেছিলেন তা কি ধরতে পেরেছি আমরা?
৩।
বিভীষণের প্রেতাত্মা যেন মীরজাফর।মেঘনাদের ছায়া আছে সিরাজের মাঝে।তারও আগে মেঘনাদ ভর করেছিল ঈশা খাঁর শরীরে।তারপর মেঘনাদ আসে সাঁওতাল বিদ্রোহে।১৮৫৭ সালে মেঘনাদের উত্থান ঠেকে যায়।১৯৭১ সালে চূড়ান্তভাবে গর্জে ওঠে মেঘনাদের রক্তধারা।সিন্ধুর আর্য বংশোদ্ভূতদের তাড়িয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করে মেঘনাদের উত্তরপুরুষ।এবারের ইতিহাস দৈব সহায়তায় বিজয়ী কোন দেবতার নয়।এবার মানুষের বিজয়।এবার অনার্যের বিজয়।এবার এ মাটির সন্তানের বিজয়।
মেঘনাদ ও অসুর কারা?এরা কেন কৃষ্ণবর্ণ?বাংলা ও ভারতীয় অঞ্চলের দেবতারা কেন
সবাই শ্বেতাঙ্গধারী?তারা পাহাড়ে বাস করতো কেন?কিভাবে মর্ত্যের মেঘনাদ
স্বর্গে গেল?কেন বাঙলায় কৃষ্ণ জনপ্রিয়?
ধর্ম,নৃতত্ত্ব ও ইতিহাসের সংমিশ্রণ প্রয়োজন।ছেঁকে বের করে আনা দরকার সত্য।আমরা কার পরাজয়ের কথা ভেবে পুলকিত হচ্ছি তা খুঁজে বের করার সময় এসেছে।আমরা কি আমাদের পূর্বপুরুষের বিপ্লব ও যুদ্ধকে আর্য প্রোপাগান্ডায় নেতিবাচক ভাবছি?
১৬.১১.২০১৫
ধর্ম,নৃতত্ত্ব ও ইতিহাসের সংমিশ্রণ প্রয়োজন।ছেঁকে বের করে আনা দরকার সত্য।আমরা কার পরাজয়ের কথা ভেবে পুলকিত হচ্ছি তা খুঁজে বের করার সময় এসেছে।আমরা কি আমাদের পূর্বপুরুষের বিপ্লব ও যুদ্ধকে আর্য প্রোপাগান্ডায় নেতিবাচক ভাবছি?
১৬.১১.২০১৫