সর্বশেষ

রোহিঙ্গা বলছে যে, ড ইউনসু ও অং সান সুকি অপেক্ষা চতুষ্পদ প্রাণী উত্তম


আমাকে যখন কেউ বলে নোবেলজয়ী, গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান ‍সুকি
আমি স্পষ্ট স্বরে বলি, সে একটা লোভী কুকুর, আমি তারে ও তার অনুরাগী নিওলিবারেল ভন্ডদের বেল দেইনা
আমি কল্পণায় ইচ্ছেমত থুথু ছিটাই সুকি ও তার আইডিওলজিক্যাল পান্ডা ও পান্ডিদের মুখে অবিরত
আমাকে যখন কেউ বলে, শান্তিতে নোবেল পেয়ে সুদি ইউনুস দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে এনেছে
আমি দৃঢ়কন্ঠে বলি, সে একটি বদমাশ, পশ্চিমাসেবক, সুযোগসন্ধানী নাশ ও বিনাশ
আমি কল্পনায় ইচ্ছামত থুথু ফেলি দারিদ্রের চক্রে ফেলে দেয়া মহাজন ও তার স্তুতিকারীদের মুখে অবিরত।

ঘরের কোণে এমন একটা নোবেলওয়ালা ও একটি নোবেলওয়ালী থাকলেও শান্তি নেই এখানে
রোহিঙ্গা না কারা যেন খালি পুড়ে যায়, পুড়ে যায় ন্যাড়া ভন্ডদের আগুনে, খুন হয় বার্মার জান্তা শূকরদের গুলিতে
মরে যায় বাপ-দাদা-পরদাদার ভিটেতে, দগ্ধ হয় নিজের ভূমিতে
আহ শান্তি!
সে তো বিলাসবহুল বদমাশ অং সান সুকি
আহ শান্তি! সে তো ইউনুস সেন্টারের দরিদ্র ব্যবসা
আহ শান্তি! কোথায় মানবিকতা? কোথায় তুমি?
কেন রোহিঙ্গা রক্তে ভিজে যায় আরাকানভূমি?

‘‘রোহিঙ্গা জাতি প্রমাণ করেছে ইউনসু ও অং সান সুকি অপেক্ষা চতুষ্পদ প্রাণী উত্তম” এই শীর্ষক একটি কথা বাতাসে ভাসতেছে
আমি কান পেতে শুনি চতুষ্পদ প্রাণীরা দাঁত খিটমিট করে আছে,
কেন তাদের তুলনা করা হচ্ছে ক্ষমতামৈথুনপ্রিয় অং সান সুকি ও সুদের ড সাপের সাথে-
একারণে তারা গালি দেয় তাদের বাজেদের অং ও ডং বলে,
যারা শান্তির পুরস্কার পেয়ে মুখে কুলুপ আঁটে ভোগ আর আত্মমগ্নতা দিয়ে
তারা কি করে বুঝবে একটি জাতির ধ্বসে যাওয়া, প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া?
তারা শুধু মানবতাকে নিরবতার মাধ্যমে ধর্ষণ করছে, লুন্ঠণ করছে বিশ্ববিবেক ও সচেতনতা।

তাই আমরা ঘরপোড়া, বাপহারা, মাহারা,  রাষ্ট্র ও অভিভাবকহীন রোহিঙ্গাদের কথা বিশ্বাস করি
দেয়ালে যার পিঠ ঠেকে যায় সে কখনো মিথ্যা বলেনা, মৃত্যু যার কাছে ভাতমাছ সে কখনো মানুষ চিনতে ও চেনাতে ভুল করেনা
অতএব, এইটাই এই মুহূর্তে মুমূর্ষু সত্য যে,
ড ইউনসু ও অং সান সুকি অপেক্ষা চতুষ্পদ প্রাণী উত্তম।

পাঠ অনুভূতি