বর্ণবৈষম্য করা পৃথিবীর সবচেয়ে
বড় অত্যাচার ও পাপ।শুধুমাত্র গায়ের রঙের কারণে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি
করে অবিচার।আপনি একজন ব্যক্তিকে কেবল তার অর্জিত আচরণের কারণে নিন্দা বা
প্রশংসা করতে পারেন।মানুষের গায়ের রঙ স্রষ্টা প্রদত্ত।একজন ব্যক্তি
কালো-এটি তার ইচ্ছায় হয়নি।তাই কালো হওয়ার কারণে সে অপদস্থ বা অবমূল্যায়িত
হতে পারেনা।গাত্রবর্ণের কারণে যদি অন্যরা উপহাস বা বিদ্রুপ করে তবে সেটা
হবে জুলুম,যারা এটা করে তারা স্পষ্ট অবিচারকারী পাপী।
তেমনি একজন শ্বেতাঙ্গ,শ্যামলা বা ফর্সা-যাই হোক এটা তার পছন্দে হয়নি।এর কারণে তার গর্বিত হয়ে কৃষ্ণবর্ণের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারনা পোষণ করা অবশ্যই অযৌক্তিক।
তেমনি একজন শ্বেতাঙ্গ,শ্যামলা বা ফর্সা-যাই হোক এটা তার পছন্দে হয়নি।এর কারণে তার গর্বিত হয়ে কৃষ্ণবর্ণের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারনা পোষণ করা অবশ্যই অযৌক্তিক।
সাদা বা কালো-গায়ের রঙ কোনটাই সত্যিকার ভালো মানুষ নির্দেশ করেনা।যেকোন
বর্ণের লোক ভালো ও খারাপ হতে পারে।যুগে যুগে নেতিবাচক বা খারাপ কিছু বোঝাতে
'কালো'ব্যবহার করা হয়েছে।মানব সভ্যতায় এ এক ঐতিহাসিক সর্বজনগ্রাহ্য
বর্ণবৈষম্য। এই নষ্ট প্রবণতা আজো অনেকের বিষাক্ত জিনে বহন করা হচ্ছে।
কেউ অবৈধ টাকা আয় করে,সেটা কালো টাকা হয়।কেন সাদা টাকা হয়না?অবৈধ আয় সাদা চামড়ার কেউ করেনা?শব্দটা অবৈধ টাকাও হয়।একইভাবে কালোবাজারী,কালো আইন,কালাকানুন,কালোচক্র ইত্যাদি শব্দবৈষম্য চোখে পড়ে।
এসব সূক্ষ্ম বৈষম্যের পাশাপাশি গণমাধ্যমে সারাবেলা নারীর ফর্সা হওয়ার কেচ্ছাকাহিনী ও পণ্য দেখানো হয়।অদ্ভুতভাবে এসব দেখেও নিরব থাকে কথিত নারীবাদী ও বর্ণবাদবিরোধী গোষ্ঠী।
বর্ণ বৈষম্য সমাজ ও রাষ্ট্রের নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ন করে।মানুষকে কেবল তার গায়ের রঙের কারণে চাকরীর বা কাজের ক্ষেত্র থেকে বঞ্চিত করা হয়।মানসীকভাবে নিপীড়ন চালানো হয় কৃষ্ণবর্ণধারীদের।এটা মানব সভ্যতার সর্বকালের ইতিহাসের কলঙ্ক।এই কলঙ্কমোচনেই মানবতার মুক্তি আসতে পারে।কালো শ্বেতাঙ্গ ফর্সা শ্যামলা সবার পৃথিবী,সবারই এ পৃথিবীতে সবকিছুতে সমান অধিকার ।
02.12.2014
কেউ অবৈধ টাকা আয় করে,সেটা কালো টাকা হয়।কেন সাদা টাকা হয়না?অবৈধ আয় সাদা চামড়ার কেউ করেনা?শব্দটা অবৈধ টাকাও হয়।একইভাবে কালোবাজারী,কালো আইন,কালাকানুন,কালোচক্র ইত্যাদি শব্দবৈষম্য চোখে পড়ে।
এসব সূক্ষ্ম বৈষম্যের পাশাপাশি গণমাধ্যমে সারাবেলা নারীর ফর্সা হওয়ার কেচ্ছাকাহিনী ও পণ্য দেখানো হয়।অদ্ভুতভাবে এসব দেখেও নিরব থাকে কথিত নারীবাদী ও বর্ণবাদবিরোধী গোষ্ঠী।
বর্ণ বৈষম্য সমাজ ও রাষ্ট্রের নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ন করে।মানুষকে কেবল তার গায়ের রঙের কারণে চাকরীর বা কাজের ক্ষেত্র থেকে বঞ্চিত করা হয়।মানসীকভাবে নিপীড়ন চালানো হয় কৃষ্ণবর্ণধারীদের।এটা মানব সভ্যতার সর্বকালের ইতিহাসের কলঙ্ক।এই কলঙ্কমোচনেই মানবতার মুক্তি আসতে পারে।কালো শ্বেতাঙ্গ ফর্সা শ্যামলা সবার পৃথিবী,সবারই এ পৃথিবীতে সবকিছুতে সমান অধিকার ।
02.12.2014