সর্বশেষ

সিলেটের আতিয়া মহলে জঙ্গী নির্মূল অভিযান নিয়ে সন্দেহকারীরা অসুস্থ, সংকীর্ণ অথবা সুপ্ত সন্ত্রাসবাদী


সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকায় আতিয়া মহলের কাছে নরপিশাচ জঙ্গী সন্ত্রাসীদের বোমায় ৬ জন নিহত হওয়ার পরেও যেসকল লোক জঙ্গী অভিযান নিয়ে সন্দেহ করছে এরা হয়-
মানসিকভাবে অসুস্থ
নাহয়
রাজনৈতিক সংকীর্ণ
অথবা
সুপ্ত সন্ত্রাসবাদী
কিংবা

এরা নির্বোধ, অবিবেচক ও অনুৎপাদনশীল ফেসবুক গোপণ্ডিত। এরা দেশ ও মানবতার শত্রু।
এ বছর স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক দেশী সংষ্কৃতি চর্চা ও দেশের পণ্য ব্যবহারের পাশাপাশি দেশ থেকে সকল জঙ্গীদের উৎপাটন। বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাসবাদীতার স্থান নাই। আমরা মজ্জাগতভাবে অসাম্প্রদায়িক। এখানে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান-সুন্নী-শিয়া-আস্তিক-নাস্তিক মিলে আমরা সবাই বাংলাদেশী। শুধু সিলেট থেকে নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি স্থান থেকে এই সন্ত্রাসী ওয়াহাবী-ইহুদীবাদীদের মতাদর্শীক সন্তানদের টেনে হিঁচড়ে বের করে বাংলাদেশের মানুষের রক্তের বদলা নিতে হবে।


জঙ্গী নির্মূলে বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অদানকে ছোট করতে যেসকল অসভ্য কনস্পিরেসি তত্ব দেয় এগুলো কুত্তার চেয়েও অধম। কিছু বদমাশকে দেখা যায় রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র হয়েও জঙ্গীদের প্রতিরোধে পরিচালিত অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সচেষ্ট। এরাও বাংলাদেশের শত্রু। জঙ্গী সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ক্ষমতায় যেতে পশ্চিমা প্রভুদের এদেশে ডেকে আনার হীন চক্রান্তে বাঙালি মেনে নেবেনা হে ভন্ডরাজনীতিজীবী। কিছু সুশীল নামধারী টেররিস্ট সিমপ্যাথেটিক ইনটেলেকচুয়াল টেররিস্টকেও সোয়াত ও প্যারা কমাণ্ডদের অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উঠে পড়ে লাগতে দেখা যাচ্ছে। এদের মুখে জনগণ চপেটাঘাত না করলে মনে হয় থামবেনা। মানুষের জীবন চলে যাচ্ছে আর এসব সুশীল বদমাশগুলো আছে জঙ্গী দমনে নেয়া পদক্ষেপকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারায়। শয়তান কোথাকার!

এরপরেও কুলাঙ্গার জঙ্গী কুত্তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নির্লজ্জতা যে দেখাবে সেও কুত্তা।

বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধের দিকে বাংলাদেশকে ঠেলে দিতে চাওয়া মিডিয়াগুলোর এই সংবেদনশীল সংবাদ কাভার করতে গিয়ে শব্দ চয়নে সাবধান হওয়া জরুরি। রিটা কাটজের দেয়া তথ্য বিশ্বাস করবেন আপনারা আর বাংলাদেশের গোয়েন্দা, পুলিশ ও আর্মিদের কথা উপেক্ষা করবেন, তা কেন? এই মানসিকতা পরিহার করুন। সংবাদ বিক্রির পাশাপাশি একটু দেশপ্রেম ও মানবতা ধারণ করুন। এই মুহূর্তে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামের পশ্চিমা প্রকল্পে আমাদের সম্পৃক্ত করার বুদ্ধিবৃত্তিক অপচেষ্টা বন্ধ করুন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, সোয়াত দেশের সকল সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটন করতে পৃথিবীর যেকোন বাহিনীর চেয়ে যোগ্য, সক্ষম, দুর্ধর্ষ ও সক্রিয়। তাদের কাজ করতে দিন। আর সকলে প্রার্থনা করুন বর্বর, সন্ত্রাসী, পিশাচ জঙ্গী অমানুষদের হাতে আর যেন কারো রক্ত না ঝরার আগে ওদের শায়েস্তা করতে পারে আমাদের নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী।
.
জীবন বাজি রেখে ওরা আমাদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য লড়াই করছে। আর কিছু জঘন্য কীট এই অভিযানকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

হামলায় নিহত পুলিশের কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রইলো। র‌্যাবের গোয়েন্দাপ্রধানসহ যারা আহত হয়েছে তাদের জন্য হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে দোয়া করি সুস্থতার জন্য। আমাদের নিরাপদে বিচরণের জন্য যে সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনী নিরলস জীবন বাজি রেখে অভিযান পরিচালনা করছেন তাদের বিনম্র শ্রদ্ধা আমাদের। ২০১৭ সালের স্বাধীনতা দিবসে এই অসভ্য, জঙ্গী, সন্ত্রাসী কুকুরদের নির্মূল করতেই হবে। বাংলাদেশের বুকে এই কুলাঙ্গারদের কোন ঠাঁই নাই। একসাথে বাংলা মায়ের সম্ভ্রম ও অসাম্প্রদায়িক অহংকার রক্ষায় আমরা যার যার জায়গা থেকে চেষ্টা করবো। চলুন একসাথে উচ্চারণ করি:-

`মা গো, ভাবনা কেন?
আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে
তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি
তোমার ভয় নেই মা, আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।'
.
জঙ্গীদের ছাড় দেয়া হবেনা। জঙ্গীদের বুদ্ধিবৃত্তিক সমর্থন দেয়া বদমাশদেরও ছাড় দেবেনা বাংলার জনতা।

এখন প্রতিবাদের সময়। এখন প্রতিরোধের সময়। বাংলাদেশের লাল-সবুজ অস্তিত্ত্বকে যেসকল মূর্খ, ওয়াহাবী, ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীরা কলুষিত করেছে তাদের একটাকেও ছাড় দেয়া যাবেনা। এই বাংলাদেশে ওদের বাপ শায়েখ রহমান আর বাংলা ভাইয়ের মত নব্য জঙ্গীদের নির্মমভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। এই মার্চেই গেয়েছিলাম ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার গান। এই মার্চেই ফের গাইবে বাঙালি-

জয় বাংলা বাংলার জয়
হবে হবে হবে হবে হবে নিশ্চয়
কোটি প্রাণ একসাথে জেগেছে অন্ধরাতে
নতুন সূর্য উঠার এইতো সময়
জয় বাংলা বাংলার জয়।

কোন সন্ত্রাসী, খুনী, জঙ্গীবাদী, অমানবিক, বর্বর, মতবাদে বিশ্বাসী সাইকোপ্যাথিক টেররিস্টদের নয়; জয় বাংলাদেশ, বাংলা ও বাঙালির হবে।
পাঠ অনুভূতি