ঠিক এই সময়টায় বাংলাদেশের মানুষের রক্তে ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত করে অসভ্য,বর্বর,অশিক্ষিত পাকিস্তানী হানাদাররা। নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হায়েনারা ট্যাংক,মেশিনগান,একে৪৭ ও ভারী মারণাস্ত্র নিয়ে। ঘটা করে এ খুনের উত্সবের নাম দেয় অপারেশন সার্চলাইট।এই রাতেই ঢাকায় কমপক্ষে ১০ হাজার বেসামরিক বাংলাদেশীকে হত্যা করে খুনীরা। পৈচাশিক আনন্দ পায় পাকিস্তানপন্থী রাজাকার,আল বদর,আল শামস, চীনপন্থী বামরা।
২।
স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধটি এ রাতেই শুরু হয়।সেটি করে রাজারবাগ পুলিশ লাইনের ফরিদপুর ডিভিশনের সাহসী ভাইয়েরা।তাদের এনকাউন্টারে পাকি খুনীরা পিছু হটে রাজারবাগ থেকে।শহীদ হয় অনেক পুলিশ ভাইয়েরা। তাদের এই আত্মত্যাগ চির অম্লান।বীরশ্রেষ্ঠদের তালিকায় একজন পুলিশ সদস্যও কি আছে?
এরপরের প্রতিরোধটি করে ঢাকা কলেজের ঐ পাশ থেকে পিলখানার EPR বা ইস্ট
পাকিস্তান রেজিমেন্ট বা আমাদের গর্ব বিডিআর। এরপরের প্রতিরোধ জনতার ও সেনাবাহিনীর । ভোর বেলায় চট্রগ্রাম বেতারকেন্দ্র বিদ্রোহ ঘোষণা করে হানাদারদের
বিরুদ্ধে।
অবস্থার এই অবনতিতে দেশ তীব্র অশান্ত হয়ে ওঠে সকালে। আগের দিন ২৪ মার্চ স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় উত্তেজিত ছাত্রজনতার উদ্দেশ্য ঘোষণা দেন, দাবি না মানলে সংগ্রাম করে আদায় করতে হবে। প্রতিরোধও গড়ে তুলবে। এ দিন ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ স্বাধীনতা অর্জনকেই সমাধান বলে একমত হয়।
৩।
এই বিস্ময়কর নেতা ও জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি মুজিবকে ভোররাতেই পাকিস্তানী হানাদাররা গ্রেফতার করে। এ ঘটনা সকালে যখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে তখন বাঙালি বুঝতে পারে, আলোচনার নামে সময়ক্ষেপন করে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য ও অস্ত্র নিয়ে আসে খুনীরা। তার মানে পাকিস্তান শাসনের বৈধ সুযোগ বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক,গোমূর্খ পাকিস্তানীরা বাঙালিকে দেবেনা। সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র বুঝে যায় সামনে পথ একটাই- 'যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা'। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমগ্র বাংলাদেশে অনেকগুলো হৃদয় আন্দোলিত করা শ্লোগান ছড়িয়ে পড়ে। তার একটি ছিল-
বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো
বাংলাদেশ স্বাধীন করো।
শুরু হয় বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ.....
২৫ মার্চ, রাত ১১ টা ১১, ২০১৭।
অবস্থার এই অবনতিতে দেশ তীব্র অশান্ত হয়ে ওঠে সকালে। আগের দিন ২৪ মার্চ স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় উত্তেজিত ছাত্রজনতার উদ্দেশ্য ঘোষণা দেন, দাবি না মানলে সংগ্রাম করে আদায় করতে হবে। প্রতিরোধও গড়ে তুলবে। এ দিন ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ স্বাধীনতা অর্জনকেই সমাধান বলে একমত হয়।
৩।
এই বিস্ময়কর নেতা ও জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি মুজিবকে ভোররাতেই পাকিস্তানী হানাদাররা গ্রেফতার করে। এ ঘটনা সকালে যখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে তখন বাঙালি বুঝতে পারে, আলোচনার নামে সময়ক্ষেপন করে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য ও অস্ত্র নিয়ে আসে খুনীরা। তার মানে পাকিস্তান শাসনের বৈধ সুযোগ বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক,গোমূর্খ পাকিস্তানীরা বাঙালিকে দেবেনা। সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র বুঝে যায় সামনে পথ একটাই- 'যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা'। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমগ্র বাংলাদেশে অনেকগুলো হৃদয় আন্দোলিত করা শ্লোগান ছড়িয়ে পড়ে। তার একটি ছিল-
বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো
বাংলাদেশ স্বাধীন করো।
শুরু হয় বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ.....
২৫ মার্চ, রাত ১১ টা ১১, ২০১৭।
