সর্বশেষ

৫ মার্চ, ১৯৭১


দেশজুড়ে হরতাল পালিত হয়েছে।পাক হানাদার বাহিনীর পোষা সশস্ত্র বাহিনী যাদের টাকায় বেতনভাতা পেতো সেই শ্রমিকদের ৪ জনকে টঙ্গীতে গুলি করে শহীদ করে,আহত হয় কমপক্ষে ২৩ জন।এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ দেশবাসী দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ জানায়।প্রতিবাদের মুখে সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকার রাস্তা থেকে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় পূর্ব পাকিস্তানের শোষকেরা।
এদিকে বাংলাদেশের উপর এই অত্যাচার দেখে ৫ মার্চ বেলুচিস্তানের সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে শোষক পাকিস্তানীদের ধিক্কার দিতে থাকে।বেলুচিস্তানের ন্যাপ এই প্রতিবাদে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।একই দিন লাহোরের কয়েকটি অঞ্চলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের উপর পৈচাশিক হামলার নিন্দা জানানো হয়।


এদিকে দেশে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ আওয়ামী লীগ নেতাদের চাপ দিতে থাকে রেসকোর্স ময়দানে বিশাল সমাবেশ ডাকার।এর অপেক্ষায়ই যেন সারাদেশ অপেক্ষা করছিল।স্বাধীনতার স্থপতি আসবেন এবং দৃপ্তকন্ঠে ঘোষণা করবেন-
এবার সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
এই সব আন্দোলন সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল দেশ থেকে বহিরাগত ও অত্যাচারী গোমূর্খ ও সাম্প্রদায়িক খুনী পাকিস্তানীদের বিতাড়ন।
পাঠ অনুভূতি