সর্বশেষ

ভারতের অপপ্রচার মোকাবিলায় বাংলাদেশের করণীয় | ড. মুহাম্মদ ইউনূস তুলসী গ্যাবার্ড

Chief Adviser GOB কে এখন খুবই সূক্ষ্ম চাল দিতে হবে। রাষ্ট্রের বড় ধরনের এজেন্ডা হাতে নিয়ে আমেরিকার স্টেট বা ডিপ স্টেট নিয়ন্ত্রণ করা ভারতীয়দের শক্তিকে নড়বড়ে করে দিতে হবে। 

বাংলাদেশ রাষ্ট্র আয়তনে ছোট হলেও এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বিশাল। একই সাথে এর বিপুল কর্মক্ষম জনগণও গণশক্তি। বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহৎ ৩০টি বাজারের একটি। আর এর রাষ্ট্রপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস গোটা পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা ব্যক্তিত্ব। 

অতএব, আমাদের এখন গভীর মনোযোগী হয়ে রাষ্ট্রের নীতি নিয়ে জরুরি চিন্তা করতে হবে। ভারতীয় অপপ্রচার মোকাবিলা করতে এই মুহূর্তে অত্যাবশ্যক কিছু করণীয় নিচে অল্প কথায় আলাপ করা হলো।

১। যুক্তরাষ্ট্রের ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (DRI) হিন্দুত্ববাদী তুলসী গ্যাবার্ড যে আমেরিকার নাগরিকদের ট্যাক্সের টাকায় খাওয়া-পরা করার পরেও ভারতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে অধিক আগ্রহী—এটি প্রচার করা জরুরি। প্রয়োজনে বিবৃতিকে সম্প্রসারিত করা দরকার। এটি তুলসিবিরোধীদের রাজনৈতিক রেটরিক হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দেওয়া। 

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গণমাধ্যমও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে এভাবে সংবাদ করে:

Is Tulsi Gabbard Serving India's Interest? 

অথবা Are Indian-american Republicans Indian agents in the US Administration? 

অথবা Trump should Support the Manipuri Christians in India who are being Persecuted by Hindus

বা Manipuri Christians: The Palestinians in India Persecuted by BJP-led Hindus 

বা Most Persecuted Christians in the World: Why the US and EU are silent about Manipuri Christians?

কিংবা Are the Indian-americans betraying Trump and the US?

অথবা India First: US politicians who are serving India

ইত্যাদি ধরনের বিশ্লেষণী ও ব্যাখ্যামূলক সংবাদ প্রকাশ করে তা প্রচার করা। ব্যাপকভিত্তিতে এসব আমেরিকার মিডিয়া ও পাবলিক স্ফিয়ারে প্রচার করা। 

২। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বা রিপাবলিকানদের ভোট ব্যাংক হচ্ছে হোয়াইট আমেরিকান৷ এরা ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টান। ইহুদিদের প্রতি অতি দরদ থাকলেও এরা দুনিয়ার খ্রিস্টানদের বিপদে যেন সক্রিয় হয় সেই আলাপ তোলা। 

ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের পাশাপাশি খ্রিস্টানরা মারাত্মক নির্যাতনের শিকার। মণিপুর রাজ্যে খ্রিষ্টানদের ওপর গণ-হত্যা চালাচ্ছে হিন্দুত্ববাদ সমর্থিত স্থানীয় হিন্দুরা। তুলসি গ্যাবার্ডরা ভারতে সফর করেও ভার‍তের নিপীড়িত খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠীর জন্য টুঁ শব্দটি করেনি এটি বিবৃতিতে আসা দরকার। তাকে আমেরিকায় প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলতে হবে। 

একই সাথে এটি আমেরিকার তুলসি বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরে পৌঁছে দেওয়া দরকার। তুলসির বিরুদ্ধে কোন কোন রাজনীতিবিদ—ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিক উভয় দলে—সেটি খুঁজে বের করে এই খবর আমেরিকার রাজনৈতিক পরিসর থেকে জনপরিসরে পৌঁছে দিতে হবে৷ 

এটাই বয়ান নির্মাণের খেলা। হিন্দুত্ববাদীদের পরাজিত করতে এভাবে সত্যনির্ভর প্রতিবয়ান ছড়িয়ে দিতে হবে। 

৩। আমেরিকার সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে এবং রাজনীতিবিদদের মধ্যেও ভারতীয়দের স্বার্থপর ছোটলোকী স্বভাব নিয়ে বিরক্তি আছে। একে পুঁজি করে ভারতীয়রা যে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে নরেন্দ্র মোদির উগ্র রাজনৈতিক এজেন্ডা এবং ভারতের স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে—এই প্রতিবয়ান হাজির করতে হবে। আরএসএস যে নাৎসি বাহিনীর ভারতীয় সংস্করণ সেটি প্রচার করতে হবে৷ 

আমেরিকার ট্যাক্সপেয়ারদের পয়সায় তুলসি বা এফবিআই এর কাশ প্যাটেল যে মূলত ভারতের হিজিমনি বা আধিপত্য বৃদ্ধিতে কাজ করছে এই আলাপ সামনে আনতে হবে। 

এটা স্পষ্টত শপথ ভঙ্গ করা। মার্কিন দেশের দায়িত্বে থেকে ভিন্ন দেশের এজেন্ডা সার্ভ করা রাষ্ট্রদ্রোহিতা। এ বিষয়টি আমেরিকার মিডিয়া, পলিটিক্যাল স্ফিয়ার, কংগ্রেস, হোয়াইট হাউজ সর্বত্র জানাতে হবে। ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা আমেরিকার সাথে বেঈমানী করছে এটা আমেরিকার মেইনস্ট্রিম ন্যারেটিভ বানাতে দরকার হয় লবি ফার্মের সহযোগিতাও নেওয়া যেতে পারে।

৪। ভার‍তের মুসলমান, শিখ ও দলিত শুদ্রদের ওপর কট্টরপন্থী হিন্দুরা প্রতিনিয়ত হাম-লা করে। শান্তিতে নোবেলজয়ী ইউনূস এ বিষয়ে বিবৃতি দিতে পারেন। সঙ্গে আরো নোবেলজয়ীদের যুক্ত করা যায়। 

ভারতের ঘটনার প্রভাব বাংলাদেশে পড়ে। যেভাবে বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের মিথ্যাচার বেচে বিজেপি ভোট ভিক্ষা করে, তেমনই ভারতের মুসলমানদের ওপর হওয়া অত্যাচার দেখে এদেশের অনেকেই বিক্ষুব্ধচিত্ত প্রতিক্রিয়া দেখায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 

এ কারণে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা বা যেকোনো রাষ্ট্রপ্রধান নিয়মিত ভার‍তের সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া নির্যাতন, সিস্টেমেটিক পারসিকিউশন, জাতিনিধন, হেইট ক্রাইম ইত্যাদি নিয়ে বিবৃতি দিতে পারে। 

Ministry of Foreign Affairs, Bangladesh এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিটি প্রচারণায় ফেসবুক ও X এ, প্রয়োজনে ট্রাম্পের Truth Social মাধ্যমে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের জানাতে হবে। প্রপাগান্ডা যুদ্ধে হেরে গেলে এবার গোটা বাংলাদেশ হেরে যাবে। 

৫। ভারতীয়দের জীবন-জীবিকা চলে প্রধানত আরব দেশের থেকে আসা রেমিট্যান্স এর ওপর ভিত্তি করে। মুসলমান আরবদের দেশে গিয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতনদের মতই কর্মী-শ্রমিকরা নমো নমো করে, আরব মুসলমানদের জুব্বা সরিয়ে বালিমিশ্রিত পাদুকাও চেটে দেয়। কিন্তু এই ভারতীয়রাই দেশে এসে মুসলমানদের ঘৃণা করে, তাদের মারে, ঘর ভেঙে দেয়, মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয় এবং আল্লাহ ও মহানবী (স)কে নিয়ে অপপ্রচার চালায়। 

Muhammad Yunus কে আরব দেশের বাজার ধরার জন্য রাষ্ট্রীয় নীতি গ্রহণ করতে হবে৷ সেই সাথে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান ইত্যাদি আরব দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে দেখা করে ভারতের মুসলমানদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরতে হবে৷ 

ভারতে মুসলমান সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার হলে আরব থেকে ভারতীয় হিন্দুদের গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হবে বা ভারতীয় পণ্য আরব দেশের বাজারে প্রবেশ করতে দেওয়া হবেনা—এই হুঁশিয়ারি আরবদের মাধ্যমে উচ্চারণ করতে হবে। 

পাশাপাশি, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আরবী ভাষা বাধ্যতামূলক করে পুরো আরব দেশের শ্রমবাজার বাংলাদেশের দখলে নিয়ে আসতে হবে৷ 

আরবদের মধ্যে জটিলতা কম। অনেক সময় ভারতীয়রা ভুল বোঝায়৷ ভারতে ইসলাম বিদ্বেষ, ভারতের মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ইসলাম, মুহাম্মদ (স) বিদ্বেষ, ভারতীয়দের ফিলিস্তিনের গণহত্যাকে সমর্থন করে ইসরায়েলকে সমর্থন ইত্যাদি নিয়ে আরবদের অবহিত করতে হবে। 

এর আগে রাসূলকে (স) অবমাননা করার পর আরবদের এক ধমকে বিজেপি মুখপাত্রী অভিযুক্ত নুপুর শর্মা নামে এক ভারতীয় খবিশকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছিল। 

বাংলাদেশ সরকারকে 'মুসলিম উম্মাহ' ভ্রাতৃত্বকে সামনে রেখে আরবদের আপন করে নিতে হবে৷ ইতিহাস ঘেটে দেখবেন, আরব ও তুর্কি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা চিরকাল ভারতীয় অসভ্যদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের সহযোগী হিসেবেই এসেছে। সেই ইতিহাসের পুনর্জাগরণ জরুরি।

ইউনূসের মাধ্যমে আমেরিকা, ইউরোপ, চীন, রাশিয়া এবং আরব-তুর্কিদের সাথে একটি ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক তৈরি হলে ভারতীয়দের উগ্রযাত্রা বাংলাদেশ থামিয়ে দিতে পারবে ইন শা আল্লাহ৷ 

****++++++++*****++++++****

বাংলাদেশের ঐক্যবদ্ধ জনগণের বিপরীতে যেকোনো পরাশক্তি দুর্বল। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট বা ৩৬ জুলাই তার সর্বোত্তম সতেজ উদাহরণ। 

আমাদের পূর্বপুরুষ আর্য অসভ্যদের খেদিয়েছে, ১৯৪৭ এ ব্রিটিশদের আমরা তাড়িয়েছি, ১৯৭১ এ আমাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি পাকিস্তানকে বিতাড়িত করেছে এবং আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে ভারতেরও শোচনীয় পরাজয় হবে৷ 

মনে রাখবেন, ঢাকা বা বঙ্গের সঙ্গে দিল্লির এই দ্বন্দ্ব আজকের নয়, বহু আগের। সেই নবাব সিরাজ থেকে মসনদে আলা ঈশা খাঁ—তাদের মহাসংগ্রাম মূলত দিল্লির আগ্রাসী আধিপত্যবাদী বদমায়েশির বিরুদ্ধে।

 
দিল্লির মাতুব্বরি বা খবরদারি কিছু দালাল-দালালনী ছাড়া কোনোকালেই বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেয়নি৷ এবারো নেবেনা ইন শা আল্লাহ ৷ 

কিন্তু জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে৷ রাজনৈতিক দলগুলোকে ক্ষুদ্র স্বার্থ পরিত্যাগ করে লডাইয়ের কমরেডকে আপন করে নিতে হবে। গণমাধ্যমকে দিল্লির দাস-দাসীদের কবল থেকে উদ্ধার করতে হবে। 

হৃদয়ে বাংলাদেশ ধারণ করে এই লড়াইটা সবাই একসাথে চালাতে হবে। জাতি পুনর্গঠনের এই অনন্য সুযোগ আর কোনোদিন আসবেনা৷ এই লড়াইয়ে আমাদের জিততে হবে।

আহমদ ছফার 'বাংলাদেশের রাজনৈতিক জটিলতা' গ্রন্থের পর্যালোচনার দোহাই দিয়ে অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান - Salimullah Khan 'বেহাত বিপ্লব ১৯৭১' গ্রন্থে বলেছিলেন, বাংলাদেশ এই দক্ষিণ এশিয়ায় একটি আদর্শ শক্তিশালী রাষ্ট্র হোক এটি ভারত চায় না৷ কারণ, বাঙ্গালী জাতি একটি আদর্শ গণতান্ত্রিক রিপাবলিক গঠন করে সফলভাবে গণসার্বভৌমত্বসহ টিকে থাকলে ভার‍তের অভ্যন্তরে থাকা অন্তত ৩০টি জাতি—তামিল, উড়িয়া, আসাম, মণিপুরি, নাগা, মিজো, কাস্মিরি ইত্যাদি— তাদের স্বাধীনভাবে রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখে দিল্লির শৃঙ্খলা থেকে মুক্ত হতে চাইবে। 

অর্থাৎ বাংলাদেশের আদর্শ রাষ্ট্র হওয়া মানে ভার‍তের অভ্যন্তরের অন্তত ৩০ টি বাংলাদেশের কাছে এ রাষ্ট্র রোল মডেল হয়ে যাবে—নাম হবে 'বাংলাদেশ মডেল'। 

ভারত—আমাদের কথিত বন্ধুরাষ্ট্র—এ কারণেই কোনোদিনও বাংলাদেশের কল্যাণ চায়না৷ ভূরাজনৈতিক কারণে এবং হিন্দুত্ববাদীদের ছোটলোকী মানসিকতার কারণে এটি সম্ভব নয়। 

১৯০৫ এ মায়ের অঙ্গহানীতে ক্রন্দকারী বাটপাড়দের পরের প্রজন্ম ১৯৪৭ এ দিল্লির দাসত্ব গ্রহণের পূর্বে মুসলমানদের কচুকাটা করে তার প্রমাণ রেখেছে। এমনকি ১৮৫৭ এর মহাবিপ্লবের দায়ও মুসলমানদের দিয়ে সুবিধা বাটোয়ারা করেছে ঐ ধান্ধাবাজের দল। 

ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থ উচ্ছেদ করে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক, আমলা, পুলিশ ও আর্মিসহ সব নাগরিককে এই সত্যবয়ান ধারণ করতে হবে। 

তবেই বাংলাদেশ শক্তিশালী আদর্শ বাংলাদেশ হয়ে উঠবে। 

আর বাংলাদেশ আদর্শ রিপাবলিক হয়ে উঠলে এর সুফল কেবল বাংলাদেশের মানুষ পাবে তা নয়, নেপাল-ভুটান-মিয়ানমার, এমনকি ভারত-পাকিস্তানসহ গোটা দুনিয়াই পাবে। 

কারণ, বঙ্গোপসাগরের মালিকানাসহ বাংলাদেশের সুসংহত দাপুটে অবস্থান—দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মিলনবিন্দু হিসেবে—দুনিয়ায় বাঙ্গালি জাতি ও বাংলাদেশকে অনন্য গুরুত্ব ও মর্যাদা দিয়েছে। 

এই গুরুত্ব ও মর্যাদা রক্ষার দায় বাংলাদেশের ছোট-বড় বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের। বাঙ্গালি জাতি ভালো নেতৃত্বে দুনিয়া বিজয় করতে পারে, আর বাজে ও স্বার্থপর নেতৃত্বের কবলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

এখনের নেতারা জাতিকে কোন পথে নেবেন?

নেতারা কি আগের মত জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন? নাকি জাতিকে অনন্য উচ্চতায় আরোহণ করিয়ে কিংবদন্তি তৈরি করবেন?

প্রশ্ন করি। কারণ—প্রশ্নই মূলত উত্তর।

Chief Adviser GOB Mahfuj Alam Asif Mahmud Shojib Bhuyain Shafiqul Alam Tarique Rahman Farhad Mazhar Dr. Asif Nazrul Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য Zulkarnain Saer Centrist Nation TV আমার দেশ Amar desh আমার দেশ Online The Daily Amardesh Daily Manab Zamin ManabZamin Digital Prothom Alo বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন Mirza Fakhrul Islam Alamgir Dr. Shafiqur Rahman Barrister Andaleeve Rahman Ishraque Hossain - ইশরাক হোসেন নাহিদ ইসলাম প্রমুখ।
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments