আজ আমাদের মহান 'ভাষা দিবস'।আজ শহীদ দিবস।আজকের দিনটিকেই ঘোষণা করা হোক'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ।'
১৩৫৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানী নিপীড়নকারীদের অন্যায় হিন্দীপ্রীতির(হিন্দীর পাকিস্তানী নাম উর্দু)বিরুদ্ধে সালাম,রফিক,বরকত,শফিউর রা রক্ত দিয়ে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।৮ই ফাল্গুন তাই আমার আধুনিক ইতিহাসের প্রথম সংগ্রামের দিন।
কতটুকু চেতনাবিহীন হলে একটা জাতি তার ভাষাকে সম্মান জানায় অপর একটি ভাষা ধার করে এনে।৮ই ফাল্গুনের স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১শে ফেব্রুয়ারি।
কী নির্লজ্জ এই নীতিনির্ধারকরা !
একুশ নিয়ে সাহিত্য হয়,সংগীত হয়,চলচ্চিত্র হয়...
ফাল্গুন পড়ে থাকে পঞ্জিকার পাতায়।
হয়ত সেই পঞ্জিকাও পড়ে থাকে চিন্তার বাইরে।
ভাষা দিবসে সরকারের ও বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার দাবীসমূহ:
*৮ ই ফাল্গুন কে ভাষা দিবস ঘোষণা করুন।
*সর্বক্ষেত্রে বিশুদ্ধ বাংলা ব্যবহার করুন
*বাংলা ভাষা বিকৃতকারীদের দেশদ্রোহী ঘোষণা করুন
*বাংলাদেশে হিন্দী চর্চা নিষিদ্ধ করুন
*বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে কার্যপরিচালনা করুন
এই দাবীগুলো যেদিন পূর্ণ হবে সেদিন থেকেই ভাষা শহীদের রক্ত বৃথা যাবেনা।
অন্যথায় কৃত্রিম ভালবাসা ভাষা ও রক্তের পবিত্র আদর্শ মুছে ফেলতে চাইবে।এখনো চাচ্ছে।হিন্দী ও উর্দু যে একই ভাষা একশ্রেণীর শিকড়বিহীন সমাজ এই সত্যটা এখনই অস্বীকার করতে সচেষ্ট হচ্চে।এদের ধৃষ্টতা চরমে চলে যাচ্ছে।গর্বের বাংলা বিকৃত করা এই নিকৃষ্ট সমাজ "শিল্পের"পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে।
যদিও আমি অসম প্রতিরোধ করেই যাবো।আমার সাথে আরো কিছু মানুষ চাইবে ৮২ ফাল্গুনকে ভাষা দিবস ঘোষণা করতে।যদিও অধমদের কাছে আমরা
'অর্বাচীন"হতে পারবোনা।তবে বাংলা মায়ের ছেলে হয়ে আমি সত্যিই গর্বিত।
এই ভাললাগা একুশ,এফ এম রেডিও ও হিন্দী সিরিয়াল দেখে পাওয়া যায়না।
আমরা বাংলা ভাষাকে ভালবাসি,বাংলাদেশে তাই আমারা পরিপূর্ণতা খুঁজে পাই।
0 Comments