সর্বশেষ

হুমায়ন আজাদ,একটি স্তন্যপায়ী পশুর নাম

বাংলাদেশের সবচেয়ে নষ্ট চরিত্রের লেখক হিসেবে আমার হুমায়ুন আজাদকে মনে হয়।
কামুক,মদ্যপ,অশ্লীল শব্দের পূজারি,শিষ্টাচারজ্ঞানহীন এই উগ্র অমানুষ শ্রেণীর প্রাণিটির স্পর্ধা এতোই ছিল যে,
নিজেকে ছাড়া আর কোন বাংলাদেশীকেই তার সভ্য মনে হতোনা,
সভ্য মনে হতো পাশ্চাত্যের জারজদের -যারা অবাধ যৌনাচার ও কামচরিতার্থ করায় আজাদের মত নষ্টকে বাঁধা দেয়না।[দ্রষ্টব্য:আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম]
এই নষ্টটি সর্বদা এমন মিথ্যা অহংকারে নিমজ্জিত ছিল যে,
সমসাময়িক বহু কৃতি বঙ্গসন্তানকে সে তার অশালীনতা দিয়ে বিষাক্ত করার চেষ্টা করেছে।
এই নিকৃষ্টতম নির্লজ্জ শের ই বাঙলা একে ফজলুল হককে পর্যন্ত ন্যাক্কারজনক কথা বলতে দ্বিধা করেনি।
কুজন্মা এই নরপশু,আন্তর্জাতিকমানের অসামাজিক এই নষ্ট লেখককে ইতিহাস নর্দমায় ছুঁড়ে ফেলতে মোটেই দ্বিধা করেনি।
আজ তাই কতগুলো স্বঘোষিত জারজের মিলনস্থল-'মুক্তমনা 'ও 'সচলায়তনে' ছাড়া আজাদবেয়াদবকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়না।
এই ঘৃণিত পশুর নাম শুনলেই অভিভাবক তার সন্তানের সামনেই বমি করে।
নিকৃষ্টনষ্টরা এভাবেই লাঞ্ছিত হয়,মৃত্যুর পরেও।
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments