সর্বশেষ

বিষণ্ন বিকাল

আমার মত এভাবে একা একা আর একটি প্রাণীও হাঁটেনা
আমি হালকা মসৃণ পিচঢালা পথ দেখি
প্রাণবন্ত বা কখনো উদাস দৃষ্টিতে দুপাশের মৃতপ্রায় বৃক্ষছায়া,
একটু আগপাশ করে হেঁটে আসা ভিখারি-ভিখারিণীর একজোড়া হাত,
মাথায় সিলভারের গামলায় পিঠা নিয়ে পরিচিত কন্ঠের শিশুদের চিল্লানো;
দুচোখ ভরে শীতের আগমনী হালকা কুয়াশায়
রিকশার আপ্লুত কয়েক জোড়া নষ্টানষ্টদের দিকেও চোখ পড়ে!

যেভাবে জগত্‍ ক্রমশ চলমান আত্মাদের ধ্বংসমেলায়-
অজানা পথে হেঁটে চলে যায় অচেনা গর্ভে
ঈশ্বরের অপর্যাপ্ত উপস্থিতি আমাকে করে সংশয়ী,
অথবা প্রান্তরের অপপ্রবৃত্তি চরিতার্থে দ্বিধান্বিত হই স্বেচ্ছায়
আমি তরতাজা মনমরা হয়ে যাই,যেন বিষণ্ন চমকপ্রদ এক বিকাল।

সন্ধ্যার পূর্বে কখনো জাগেনি ঘরে ফেরার তাড়া
বিকালের বিষণ্ননেশা ছাড়িয়ে যায় পৃথিবীর সব স্নিগ্ধতা ।
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments