(২০ মে ২০১৫ লিখিত)
এক সময়ের মেষপালকদের আবাসস্থল ও বর্তমানে তেল বেচে ধনী বনে যাওয়া কাতারের
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা একটি সংবাদ করেছে যেখানে একজন ১৫ বছর বয়সী রোহিঙ্গা
বলছে,'তারা বলছে, আমরা বাঙালি,তোমরা রোহিঙ্গা।আমরা(বাঙালিরা)
তোমাদের(রোহিঙ্গাদের) খুন করবো'।এটা যে কতবড় একটি নীতিহীন সংবাদ সেটি সবার
পক্ষে বোঝা সম্ভব না।একটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগের মধ্যে এই জাতীয় পক্ষপাতমূলক
সংবাদ কেবল ইহুদীদের সেবাদাস আল জাজিরার পক্ষে করা সম্ভব।ঐ বক্তা আগে পরে
আরো কথা বলেছে।সেসব ছেটে ফেলে এই বিরোদার্থক অংশটুকুই তুলে দিয়েছে।
২।
প্রথমত একজন বক্তার কোন অংশ সংবাদে আনা হবে তা প্রতিবেদক নির্দিষ্ট করেন যা অন্যায়।এখানে ঐ নিউজে রোহিঙ্গাদের গুরুতর অভিযোগের জবাবে কোন বাঙালির বক্তব্য নেই।অভিযুক্তের বক্তব্য নেই,ক্রশচেকবিহীন একটি সংবাদ যা জাতিগত বিদ্বেষ ছড়াতে পারে সেটি প্রকাশ করা কেবল মাথামোটা আরবদের সংবাদমাধ্যমের পক্ষেই সম্ভব।আর এই প্রোপাগান্ডা সংবাদটিকে ভিত্তি করে দাঁত কেলানোও অসুস্থতার লক্ষণ।খুন করতে অকারণে চায়নি।খাদ্য নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ১০৪ জন বাংলাদেশিকে হত্যার অভিযোগের সংবাদও এসেছে।কারা করেছে এ হত্যা?মূলকথা,ট্রলারগুলোয় উভয়পক্ষ মুখোমুখি।অতএব একপক্ষের অভিযোগ প্রচার করে সহিংস অবস্থা তৈরি করা সুস্থ সাংবাদিকতা হতে পারেনা।
৩।
আন্দামান সাগরে ভাসমান ট্রলারগুলোতে বাংলাদেশি ও আরাকানিরা আছে।সেখানের অবস্থা আমাদের এই পরিবেশের মত নয়।প্রথমত সেখানে তিনটি পক্ষ ছিল।আরাকানী,বাংলাদেশি ও পাচারকারী।অবস্থা বুঝে পাচারকারী অসভ্যরা পালালে দুটি পক্ষ হয়।ট্রলারের খাদ্য যখন সীমিত হয়ে যায় তখন চরমতম পরীক্ষার সম্মুক্ষিণ হয় এইসব নিরপরাধ মানুষ।খাদ্য নিয়ে লড়াই।এটি টিকে থাকার লড়াই।Survival for the fittest এর উত্কৃষ্ট ক্ষেত্র।ফলে আদিমানবের বৈশিষ্ট্যে স্বজাত্যবোধের ব্যাপার আসে।আরাকানী ও বাংলাদেশি।রোহিঙ্গা ও বাঙালি।শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্য হয় তারা প্রতিপক্ষ।সম্প্রদায় গড়ে তোলে নিজেদের বেঁচে থাকার তাগিদে।আমরা এই জটিল পরিস্থিতিতে ওদের না ফেললে এমন ওরা হতো না।এবং প্রাণীর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে কিছুদিন পর জাতিয়তার একক আরো ক্ষুদ্র হবে।দেখা যাবে ট্রলারের বাংলাদেশিদের মধ্যে অঞ্চলভেদ,আত্মীয় ও সর্বশেষ আত্মরক্ষা হবে বেঁচে থাকার মাধ্যম।এটি বাস্তবতা।এই বাস্তবতাকে প্রচলিত রোহিঙ্গা বাঙালি সাম্প্রদায়িকতা বা জাতিগত দ্বন্দ্ব হিসেবে প্রচার করা সুষ্পষ্ট মিথ্যাচার,অবিচার ও শয়তানী ছাড়া কিছু না।
৪।
আল জাজিরার উচিত নিজের চরকায় তেল দেয়া।আরব বজ্জাতের দল একে অপরকে খুন করছে শিয়া-সুন্নী বিভেদ বাঁধিয়ে।তারমধ্যে আবার ওয়াহাবি,সুন্নী,জায়েদি,ইমামী তো আছেই।মুনাফিক সর্দার সৌদি আরব মজলুম ইয়েমেনের উপর পৈচাশিক আক্রমণ চালালে আল জাজিরা,আল আরাবিয়া তা সমর্থন করে।আর সারা আরব জাতি মিলে ক্ষুদ্র অবৈধ ইসরাঈলের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায়না।তারা এসেছে বাঙালি রোহিঙ্গা দ্বন্দ্ব বাঁধাতে।এই কয়দিন সমুদ্রে ভাসছে।কই কাতার তো একটা কানাকড়িও পাঠায়নি।জাতিসংঘের মাধ্যমে বা সরাসরি বার্মা,থাইল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়াকে চাপ দিতেও ভূমিকা রাখেনি।
৫।
বাংলাদেশে আরাকানীদের জন্য শরণার্থী শিবির রয়েছে।কখনো তো আরব রাষ্ট্রগুলো এই প্রস্তাব করেনা যে,রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দাও।আমরা অর্থ দিচ্ছি।আল জাজিরাওয়ালা কাতার ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে অলিম্পিক আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে পারে তবে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে একটি পয়সাও খরচ করতে রাজি নয়।ধিক আরবদের প্রতি,ধিক আল জাজিরার মিথ্যাচারের প্রতি!ধিক পশ্চিমা লোকদেখানো মানবাধীকার বাণিজ্যের প্রতি।জাতিসংঘের অকার্যকারীতাও আজ প্রমাণিত।ভাসমান বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের মুখোশ পরিহিত সভ্যদের উলঙ্গ,নষ্ট রূপটি উন্মোচন করে দিল।
২।
প্রথমত একজন বক্তার কোন অংশ সংবাদে আনা হবে তা প্রতিবেদক নির্দিষ্ট করেন যা অন্যায়।এখানে ঐ নিউজে রোহিঙ্গাদের গুরুতর অভিযোগের জবাবে কোন বাঙালির বক্তব্য নেই।অভিযুক্তের বক্তব্য নেই,ক্রশচেকবিহীন একটি সংবাদ যা জাতিগত বিদ্বেষ ছড়াতে পারে সেটি প্রকাশ করা কেবল মাথামোটা আরবদের সংবাদমাধ্যমের পক্ষেই সম্ভব।আর এই প্রোপাগান্ডা সংবাদটিকে ভিত্তি করে দাঁত কেলানোও অসুস্থতার লক্ষণ।খুন করতে অকারণে চায়নি।খাদ্য নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ১০৪ জন বাংলাদেশিকে হত্যার অভিযোগের সংবাদও এসেছে।কারা করেছে এ হত্যা?মূলকথা,ট্রলারগুলোয় উভয়পক্ষ মুখোমুখি।অতএব একপক্ষের অভিযোগ প্রচার করে সহিংস অবস্থা তৈরি করা সুস্থ সাংবাদিকতা হতে পারেনা।
৩।
আন্দামান সাগরে ভাসমান ট্রলারগুলোতে বাংলাদেশি ও আরাকানিরা আছে।সেখানের অবস্থা আমাদের এই পরিবেশের মত নয়।প্রথমত সেখানে তিনটি পক্ষ ছিল।আরাকানী,বাংলাদেশি ও পাচারকারী।অবস্থা বুঝে পাচারকারী অসভ্যরা পালালে দুটি পক্ষ হয়।ট্রলারের খাদ্য যখন সীমিত হয়ে যায় তখন চরমতম পরীক্ষার সম্মুক্ষিণ হয় এইসব নিরপরাধ মানুষ।খাদ্য নিয়ে লড়াই।এটি টিকে থাকার লড়াই।Survival for the fittest এর উত্কৃষ্ট ক্ষেত্র।ফলে আদিমানবের বৈশিষ্ট্যে স্বজাত্যবোধের ব্যাপার আসে।আরাকানী ও বাংলাদেশি।রোহিঙ্গা ও বাঙালি।শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্য হয় তারা প্রতিপক্ষ।সম্প্রদায় গড়ে তোলে নিজেদের বেঁচে থাকার তাগিদে।আমরা এই জটিল পরিস্থিতিতে ওদের না ফেললে এমন ওরা হতো না।এবং প্রাণীর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে কিছুদিন পর জাতিয়তার একক আরো ক্ষুদ্র হবে।দেখা যাবে ট্রলারের বাংলাদেশিদের মধ্যে অঞ্চলভেদ,আত্মীয় ও সর্বশেষ আত্মরক্ষা হবে বেঁচে থাকার মাধ্যম।এটি বাস্তবতা।এই বাস্তবতাকে প্রচলিত রোহিঙ্গা বাঙালি সাম্প্রদায়িকতা বা জাতিগত দ্বন্দ্ব হিসেবে প্রচার করা সুষ্পষ্ট মিথ্যাচার,অবিচার ও শয়তানী ছাড়া কিছু না।
৪।
আল জাজিরার উচিত নিজের চরকায় তেল দেয়া।আরব বজ্জাতের দল একে অপরকে খুন করছে শিয়া-সুন্নী বিভেদ বাঁধিয়ে।তারমধ্যে আবার ওয়াহাবি,সুন্নী,জায়েদি,ইমামী তো আছেই।মুনাফিক সর্দার সৌদি আরব মজলুম ইয়েমেনের উপর পৈচাশিক আক্রমণ চালালে আল জাজিরা,আল আরাবিয়া তা সমর্থন করে।আর সারা আরব জাতি মিলে ক্ষুদ্র অবৈধ ইসরাঈলের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায়না।তারা এসেছে বাঙালি রোহিঙ্গা দ্বন্দ্ব বাঁধাতে।এই কয়দিন সমুদ্রে ভাসছে।কই কাতার তো একটা কানাকড়িও পাঠায়নি।জাতিসংঘের মাধ্যমে বা সরাসরি বার্মা,থাইল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়াকে চাপ দিতেও ভূমিকা রাখেনি।
৫।
বাংলাদেশে আরাকানীদের জন্য শরণার্থী শিবির রয়েছে।কখনো তো আরব রাষ্ট্রগুলো এই প্রস্তাব করেনা যে,রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দাও।আমরা অর্থ দিচ্ছি।আল জাজিরাওয়ালা কাতার ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে অলিম্পিক আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে পারে তবে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে একটি পয়সাও খরচ করতে রাজি নয়।ধিক আরবদের প্রতি,ধিক আল জাজিরার মিথ্যাচারের প্রতি!ধিক পশ্চিমা লোকদেখানো মানবাধীকার বাণিজ্যের প্রতি।জাতিসংঘের অকার্যকারীতাও আজ প্রমাণিত।ভাসমান বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের মুখোশ পরিহিত সভ্যদের উলঙ্গ,নষ্ট রূপটি উন্মোচন করে দিল।
অন্তর থেকে ধন্যবাদ ফিলিপাইনকে যারা এসব মৃতপ্রায় লোকদের আশ্রয় দিতে সম্মত হয়েছে।ফিলিপাইনীদের প্রতি বিনম্রশ্রদ্ধা।
0 Comments