সোনালি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের(নাকি কর্মচোরা ?)কীর্তি দেখে অন্য সবার মত আমার চোখও গাছে চড়েছে !
হলমার্ক নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ভাওতাবাজি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাইয়ে দিয়েছে ব্যাংকের কর্মকর্তারা !যাদের কাছে জনগণের টাকা বিশ্বস্ততার সাথে রাখা তারা এই ধরণের কাজ করে জনদ্রোহিতা করছে ।কঠোর ও বিচার হওয়া উচিত সংশ্লিষ্টদের ।
অবস্থা এখন গুরুতর রূপ ধারণ করেছে।সময় এসেছে একটি প্রবচনের সামান্য পরিমার্জনের ।
আগে বলা হত,
'শর্ষের ভেতর ভূত'।
এখন বলা উচিত,
'ব্যাংকের ভেতর ভূত'।
বিশ্বব্যাংকের কেলেংকারি,গ্রামীণ ব্যাংকের পদ নিয়ে টানাটানি ও কাদাছোঁড়াছুঁড়ি ও সর্বশেষ সোনালি ব্যাংকের ঋণচুরি এই প্রবচনটি সৃষ্টিতে সময়োপযোগী সহযোগিতা প্রদান করেছে।
হলমার্ক নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ভাওতাবাজি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাইয়ে দিয়েছে ব্যাংকের কর্মকর্তারা !যাদের কাছে জনগণের টাকা বিশ্বস্ততার সাথে রাখা তারা এই ধরণের কাজ করে জনদ্রোহিতা করছে ।কঠোর ও বিচার হওয়া উচিত সংশ্লিষ্টদের ।
অবস্থা এখন গুরুতর রূপ ধারণ করেছে।সময় এসেছে একটি প্রবচনের সামান্য পরিমার্জনের ।
আগে বলা হত,
'শর্ষের ভেতর ভূত'।
এখন বলা উচিত,
'ব্যাংকের ভেতর ভূত'।
বিশ্বব্যাংকের কেলেংকারি,গ্রামীণ ব্যাংকের পদ নিয়ে টানাটানি ও কাদাছোঁড়াছুঁড়ি ও সর্বশেষ সোনালি ব্যাংকের ঋণচুরি এই প্রবচনটি সৃষ্টিতে সময়োপযোগী সহযোগিতা প্রদান করেছে।
0 Comments