সর্বশেষ

সীমান্তের ভাই শহীদ মিজানুর ও জাতীয়তাবোধহীন কয়েকটি নির্জিব প্রতিক্রিয়া

ল্যান্স নায়েক শহীদ মিজানুর রহমানের পিতা হাফিজুর রহমানও ৭১ এ দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন,সেও দিল।কিন্তু তাঁর মৃত্যুতে বিজিবি,সেনাবাহিনী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বিড়ালের মত লেজ গুটিয়ে থাকা জাতীয়তাবোধসম্পন্ন যেকোন বাংলাদেশীকে চিন্তিত করেছে।এ হত্যার বদলা না নেওয়া পর্যন্ত শহীদ মিজানুর ও তাঁর পিতায় আত্মা শান্তি পাবেনা,পাবেনা ও পাবেনা।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কামাল খাঁন বলেছেন,প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই বলে উস্কানীর জবাবে আমরা উত্তেজিত হচ্ছিনা।বলি,ওহে প্রতিমন্ত্রী এইসব নোংরা কথা শুনতে ভাল লাগেনা।আমাদের ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে আর তুমি এই জায়গা সুশীল সাজতেছো?ফাজলামোর একটা সীমা থাকে,সীমান্তে সামরিক এক বাংলাদেশীকে অন্যরাষ্ট্র হত্যা করলেও যদি উত্তেজিত না হও তবে কিসে হবে হে জননেতা?

বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল আজিজুর সাংবাদিক সম্মেলনে যেভাবে নিরাবেগে শহীদ মিজানের হত্যার বর্ণনা দিলেন তাতে আমি নিশ্চিত এই জাতীয় জাতীয়তাবোধ ও আত্মর্যাদাবোধ কম থাকা কর্মকর্তা মিজানুর হত্যার বদলা নিতে পারবেনা।সীমান্তরক্ষী হত্যার প্রতিক্রিয়া হবে অগ্নিমূর্তি ধারন করে,কিন্তু তা করার কেউ বুঝি আর নেই এদেশে!
সংবাদে দেখলাম মিয়ানমারের অসভ্যরা সীমান্তে সেনাসমাবেশ ঘটাচ্ছে।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচিত এর দাঁতভাঙা জবাব দিতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে সীমান্তে অবস্থান করা।জনগণ অবশ্যই সাথে থাকবে।

আর এদেশের বেহায়া ও জাতীয়তাবোধহীন মিডিয়াগুলো মিজানুরের ঘটনার চেয়ে রাজনীতিবিদদের অহেতুক প্যাঁচালকে বেশি গুরুত্ব দিয়েই গেল।মিডিয়ার এসব মূর্খদের ঘেন্না করতেও ঘেন্না হয়।
আমার মতে,কমান্ডার মিজানুর ভাইকে হত্যা মিয়ানমারের জানোয়ারদের পরিকল্পিত একটি হত্যাকান্ড।ওরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের মারার সময় বাংলাদেশকে নিরব দেখেছে।এতে ওরা অবাকই হয়।এবার মিজানুরকে মেরে সর্বশেষ মনোবল দেখলো।এর প্রতিক্রিয়া যদি বেশি না হয় তবে ওরা বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়মিত অনুপ্রবেশ,ভূমি,মানুষ ও সম্পদ দখল করবে।এমনও হতে পারে টেকনাফের ঐ প্রান্ত দিয়ে সেন্টমার্টিনে ওরা অবৈধ দখলের পাঁয়তারা করবে।
কূটনীতি যেখানে ব্যর্থ,সমরনীতির সেখানে শুরু।মিয়ানমারে বর্বর অসভ্যদের সামরিক উপায়ে মোকাবেলা করার সময় এখনই।বাংলাদেশ চেয়ে আছে মিজানুরের লাশের বদলা দেখতে...।
(৩১ মে ২০১৪ লিখিত)
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments