হে মোর রানী ! তোমার কাছে হার মানি আজ শেষে ।
আমার বিজয়-কেতন লুটায় তোমার চরণ-তলে এসে।
[বিজয়িনী]
২।
হে মোর প্রিয়,
হে মোর নিশীথ-রাতের গোপন সাথী!
মোদের দুইজনারেই জনম ভ'রে কাঁদতে হবে গো-
শুধু এমনি ক'রে সুদূর থেকে,একলা জেগে রাতি।।
[নিশীথ্-প্রীতম]
৩।
আমি নিজেই নিজের ব্যথা করি সৃজন।
শেষে সে-ই আমারে কাঁদায়,যারে করি আপনারি জন।
[লক্ষ্মীছাড়া]
৪।
এস এস এস আমার চির পুরানো!
বুক জুড়ে আজ বসবে এস হৃদয়-জুড়ানো!
আমার চির পুরানো !
[চিরন্তনী প্রিয়া]
৫।
ওরে অভিমানিনী!
এমন ক'রে বিদায় নিবি ভুলেও জানিনি।
[অনাদৃতা]
৬।
যেমন ছাঁচি পানের কচি পাতা প্রজাপতির ডানার ছোঁয়ায়,
ঠোঁট দুটি তার কাঁপন-আকুল একটি চুমায় অমনি নোয়ায় ।
[মানস-বধূ]
৭।
হয়ত তোমার পাব দেখা,
যেখানে ঐ নত আকাশ চুমছে বনের সবুজ রেখা।
ঐ সুদূরের গাঁয়ের মাঠে,
আ'লের পথে,বিজন ঘাটে;
হয়ত এসে মুচকি হেসে
ধরবে আমার হাতটি একা ।
[আশা]
সাতটি কবিতাই কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'ছায়ানট' কাব্যের।এই কাব্যটি পড়ে আমি বিহবল!এতোটা রোমান্টিকতা নজরুলের মধ্যে ছিল তা আমাদের দেশে আলোচনা হয়না।নজরুলকে বানিয়েছে বিদ্রোহের কবি,সাম্যের কবি,ইসলামের কবি।ভালো কথা,তা তাঁর প্রেমের কবি স্বীকৃতিটা দিতে সমস্যা কিসে?যে অসাধারণ আবেগ,প্রেম নজরুল ফুটিয়েছে তা অদ্বিতীয়।সত্যিই কবির এক হাতে বাঁশরী ছিল,প্রেম ও রোমান্টিকতার বাঁশরী।জন্মজয়ন্তীর শুভেচ্ছা আবারো।
১৩০৬ সনের ১১ জ্যৈষ্ঠ কবির জন্ম।জন্ম দুখু মিয়া আজীবন দুঃখীদের পক্ষে লড়েছেন শব্দযুদ্ধে।লড়েছেন শাশ্বত প্রেম,প্রেমিক ও প্রেমিকাদের পক্ষে।
আমার বিজয়-কেতন লুটায় তোমার চরণ-তলে এসে।
[বিজয়িনী]
২।
হে মোর প্রিয়,
হে মোর নিশীথ-রাতের গোপন সাথী!
মোদের দুইজনারেই জনম ভ'রে কাঁদতে হবে গো-
শুধু এমনি ক'রে সুদূর থেকে,একলা জেগে রাতি।।
[নিশীথ্-প্রীতম]
৩।
আমি নিজেই নিজের ব্যথা করি সৃজন।
শেষে সে-ই আমারে কাঁদায়,যারে করি আপনারি জন।
[লক্ষ্মীছাড়া]
৪।
এস এস এস আমার চির পুরানো!
বুক জুড়ে আজ বসবে এস হৃদয়-জুড়ানো!
আমার চির পুরানো !
[চিরন্তনী প্রিয়া]
৫।
ওরে অভিমানিনী!
এমন ক'রে বিদায় নিবি ভুলেও জানিনি।
[অনাদৃতা]
৬।
যেমন ছাঁচি পানের কচি পাতা প্রজাপতির ডানার ছোঁয়ায়,
ঠোঁট দুটি তার কাঁপন-আকুল একটি চুমায় অমনি নোয়ায় ।
[মানস-বধূ]
৭।
হয়ত তোমার পাব দেখা,
যেখানে ঐ নত আকাশ চুমছে বনের সবুজ রেখা।
ঐ সুদূরের গাঁয়ের মাঠে,
আ'লের পথে,বিজন ঘাটে;
হয়ত এসে মুচকি হেসে
ধরবে আমার হাতটি একা ।
[আশা]
সাতটি কবিতাই কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'ছায়ানট' কাব্যের।এই কাব্যটি পড়ে আমি বিহবল!এতোটা রোমান্টিকতা নজরুলের মধ্যে ছিল তা আমাদের দেশে আলোচনা হয়না।নজরুলকে বানিয়েছে বিদ্রোহের কবি,সাম্যের কবি,ইসলামের কবি।ভালো কথা,তা তাঁর প্রেমের কবি স্বীকৃতিটা দিতে সমস্যা কিসে?যে অসাধারণ আবেগ,প্রেম নজরুল ফুটিয়েছে তা অদ্বিতীয়।সত্যিই কবির এক হাতে বাঁশরী ছিল,প্রেম ও রোমান্টিকতার বাঁশরী।জন্মজয়ন্তীর শুভেচ্ছা আবারো।
১৩০৬ সনের ১১ জ্যৈষ্ঠ কবির জন্ম।জন্ম দুখু মিয়া আজীবন দুঃখীদের পক্ষে লড়েছেন শব্দযুদ্ধে।লড়েছেন শাশ্বত প্রেম,প্রেমিক ও প্রেমিকাদের পক্ষে।
0 Comments