সর্বশেষ

ওসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন ও পিছনের কিছু কথা



প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ছিল ব্রিটেন,ফ্রান্স,বেলজিয়াম,ইতালী ও জার্মানি।পৃথিবীজুড়ে এদের প্রতিপক্ষে দাঁড়ানোর মত একটাই শক্তি ছিল।সেটা হচ্ছে আধুনিক পৃথিবীর সর্ববৃহত্‍ ওসমানীয় সাম্রাজ্য যার কেন্দ্র ছিল তুরস্কে।


পৃথিবীর নানা অংশের অবৈধ ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো।আর নাক উঁচু জার্মানরা আশা করে বসেছিল তাদের গোঁয়ার ভাবই তাদের মূল্যায়ন এনে দেবে।বাস্তবে দেয়নি।
ওসমানীয় সাম্রাজ্যের একতা ও বিশালতার কাছে পশ্চিমারা অসহায় ছিল।একারণে এ সাম্রাজ্যকে ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র করলো।সেসময় ১৮৯৭ সালের দিকে থিওডর হার্জেল ইহুদিবাদ তত্ত্ব ঘোষণা করে স্বাধীন ফিলিস্তিনের ওপর অবৈধ ইসরাঈল প্রতিষ্ঠিত করার নীলনকশা প্রকাশ করে।এ লক্ষ্যে সবচেয়ে বড় বাঁধা উসমানীয় সাম্রাজ্য।ঠিক এই সময় ব্রিটিশ ও ইহুদীরা মিলে মুসলমানদের খিলাফত ভেঙে দিয়ে তাদের মধ্যে অনৈক্য ধরাতে মক্কাকে বেছে নিল।অখ্যাত কোন সৌদকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে মহানবী স এর দেওয়া নাম হেজাজ পাল্টিয়ে সৌদি আরব করলো।ইহুদীবাদ ও আলে সৌদ পরিবারের কাছাকাছি সময়ের উত্থান চিন্তাশীল যেকাউকে ভাবিয়ে তুলবে।সাম্প্রতিককালে ইহুদীদের দ্বারা জেরুজালেমের বায়তুল মোকাদ্দাসসহ মুসলিম স্থাপনা ধ্বংস ও সৌদি রাজতন্ত্রের মুনাফিকদের দ্বারা মক্কা ও মদীনার নানা ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস একইসূত্রে গাঁথা বললে বেশি বলা হবেনা।


তো যা বলছিলাম।ক্ষমতার দ্বন্দ্বে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হল।এই যুদ্ধে ওসমানীয় সাম্রাজ্যকে জোর করে জার্মানীর পক্ষে ফেলার চেষ্টা করে আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রকারীরা।কিন্তু ক্রমাগত আক্রমণের ফলে তুরস্ক চলে আসে যুদ্ধে।তবে এর মাধ্যমে সৌদি বেয়াদব ও মূর্খরা যুদ্ধমুক্ত থেকে প্রাসাদে বসে ওসমানীয় সাম্রাজ্য ধ্বংসের বাজে নকশা করে।অথচ সেসময় সমগ্র ওসমানীয় সাম্রাজ্য একসঙ্গে রুখে দাঁড়ালে আজকের সাম্রাজ্যবাদীদের সেখানেই পতন ঘটে।কিন্তু সেটা হয়নি।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মুসলমানদের খিলাফত ব্যবস্থা তথা ওসমানীয় সাম্রাজ্য ধ্বসে যায়।মুসলমানরা অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে।কেন্দ্র না থাকায় তারা অসহায়ের মত ছুটে বেড়ায়।ফিলিস্তিনে,আরাকানে,কাশ্মিরে,বসনিয়া চেচনিয়া ও সর্বশেষ আফগানিস্তান,পাকিস্তান,ইরাক ও সিরিয়ায় লাখো জনতা মরার পর একতাবদ্ধতার প্রয়োজনীয়তা বুঝতেছে এখন।কিন্তু সময় অনেকটা চলে গেছে..... (অসমাপ্ত)
পাঠ অনুভূতি

Post a Comment

0 Comments