যারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে চলমান ভয়াবহ মিথ্যাচারের মিছিলে এই নব্য অপপ্রচারকারীর স্বরে স্বর মিলাচ্ছে তারা ঘূণাক্ষরেও টের পাচ্ছেনা কত বড় একটি ফেইম সিকিং মিথ্যুকের সাথে তারা এক প্লাটফরমে দাঁড়াচ্ছে । জাবির যারাই তার মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করছে তাদেরকেই সে হুমকি দিচ্ছে মামলার । এমন কি যে হলে থাকে সেই হলের মেয়েরাও নাকি তাকে হত্যাটত্যা করতে পারে এমন শঙ্কা জানিয়ে তিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন । কি অদ্ভুত অস্বাভাবিক মানসিকতা, কি তার করুণ উপস্থাপন!
এই ভিডিওটি দেখুন । ৪৫ তম আবর্তন প্রীতির ক্রমবর্ধমান মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে । সেটি নিয়ে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া কোন আলাপ করছেন । এটা দুঃখজনক । ভীষণ সত্য পরিপন্থী । উপরের ভিডিওটি দেখুন । প্রীতির সাথে যারা পড়ে, ঐ হলে থাকে তারা কি বলছে প্রীতির ব্যাপারে সেটি শুনুন, দেখুন । সিদ্ধান্ত নিন । এই ইন্টারনেট যুগে কাউকে অন্ধ বিশ্বাস করবেন না । এমন কি আমাকেও করতে বলছিনা । আপনি যত বেশি সংখ্যক উৎস থেকে যাচাই করুন । ভেবে সিদ্ধান্ত নিন । প্রীতি বা প্রীতির মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার কেউই আসমানী কিতাব না । সকলেই মানুষ । মানুষ খ্যাতি, অর্থ ও ক্ষমতার জন্য মিথ্যাচার করে । তাই প্রতিটি কথা কষ্ঠিপাথরে যাচাই করুন । না হলে জাবির হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে একজন ৬ মাসের প্রীতির অভিযোগের ভিত্তিতে ভুল জাজমেন্ট করবেন । সেটি আমাদের উপর অত্যাচার করা হবে ।
১৯৭৩ এর অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্ত্বশাসনের সুযোগ দিয়েছেন ঐ মেয়ে সেখানে পুলিশের জিডি আর উইমেন চ্যাপ্টার নামের পোর্টালের উপর নির্ভরশীলতা চর্চা করে তা দম্ভ করে বলে বেড়াচ্ছে । জাবি প্রশাসনের নিরপেক্ষতার প্রতি তার আস্থা নেই । তার আস্থা তার ফেসবুক ফলোয়ার যারা জাবিকে গালি দিতে পটু তাদের উপর । তার আস্থা অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ম্যামের উপর নেই, আছে উইমেন চ্যাপ্টারের উপর । যেখানে সংবাদের মত শিরোনাম লিখে অভিযোগকারী নিজেই রিপোর্ট লেখেন । বিশ্বের ইতিহাসের এমন হাস্যকর নজির আর আছে কি না জানিনা । মানুষ স্বপ্না বা তনুজাদের বক্তব্য না শুনে একজন বেয়াদব যে, পিতার বয়সী মিনহাজ ভাইয়ের সাথে বেয়াদবী করেছে, তার কথা বিশ্বাস করছে অথবা ঘোরপাক খাচ্ছে । তারা প্রকৃত সত্য জানতে চেষ্টা করছেনা । এটা দুঃখজনক ।
তবে সত্য শিগগিরই প্রকাশ পাবে বিশ্বাস করি । আমাদের বিশ্বাস নিরপেক্ষ তদন্তেই মিথ্যাচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বদনাম ছড়ানোর দায়ে সে অভিযুক্ত হবে । পিতার বয়সী ১৬ তম ব্যাচের মিনহাজ ভাই, ৩৭ ব্যাচের মেহেদী ভাইকে যে অপমান করেছে, যে জাবি প্রশাসনকে কলঙ্কিত করেছে , যে জাবির ৪৫ বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাসকে নোংরামী দিয়ে প্রতিস্থাপিত করার অপচেষ্ঠা করছে সে কাল আপনাকেও অপদস্থ করবে,করবেই ।
ইতোমধ্যেই জাবি ৩৭, জেমকন সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী লেখক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মেহেদী উল্লাহ ভাই প্রীতি সম্পর্কে লিখেছেনঃ-
" নিপীড়কের জায়গা জাবিতে নাই। জাবি নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে উনি (জান্নাতুন নাঈম প্রীতি) জাবিকে নিপীড়ন করছেন। তিনি জাবিতে পড়ে কথা এমনভাবে বলেন, যেন তিনি আউটসাইডার। আমি তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসন থেকে তদন্তের দাবি জানাই। এটা জাবির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।”
যে যেখানে আছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিপীড়ণকারীর বিচার চান । ৪৫ বছরের ইতিহাসকে ৬ মাস ক্যাম্পাসে এসে যে মিথ্যাচারের মাধ্যমে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত, সে নিঃসন্দেহে নিপীড়ক । “নিপীড়ণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর” ব্যানারটি আবার আসুক হৃদয়ে ।
#DefendOurJu #Ragging #RagFact
১৯৭৩ এর অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্ত্বশাসনের সুযোগ দিয়েছেন ঐ মেয়ে সেখানে পুলিশের জিডি আর উইমেন চ্যাপ্টার নামের পোর্টালের উপর নির্ভরশীলতা চর্চা করে তা দম্ভ করে বলে বেড়াচ্ছে । জাবি প্রশাসনের নিরপেক্ষতার প্রতি তার আস্থা নেই । তার আস্থা তার ফেসবুক ফলোয়ার যারা জাবিকে গালি দিতে পটু তাদের উপর । তার আস্থা অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ম্যামের উপর নেই, আছে উইমেন চ্যাপ্টারের উপর । যেখানে সংবাদের মত শিরোনাম লিখে অভিযোগকারী নিজেই রিপোর্ট লেখেন । বিশ্বের ইতিহাসের এমন হাস্যকর নজির আর আছে কি না জানিনা । মানুষ স্বপ্না বা তনুজাদের বক্তব্য না শুনে একজন বেয়াদব যে, পিতার বয়সী মিনহাজ ভাইয়ের সাথে বেয়াদবী করেছে, তার কথা বিশ্বাস করছে অথবা ঘোরপাক খাচ্ছে । তারা প্রকৃত সত্য জানতে চেষ্টা করছেনা । এটা দুঃখজনক ।
তবে সত্য শিগগিরই প্রকাশ পাবে বিশ্বাস করি । আমাদের বিশ্বাস নিরপেক্ষ তদন্তেই মিথ্যাচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বদনাম ছড়ানোর দায়ে সে অভিযুক্ত হবে । পিতার বয়সী ১৬ তম ব্যাচের মিনহাজ ভাই, ৩৭ ব্যাচের মেহেদী ভাইকে যে অপমান করেছে, যে জাবি প্রশাসনকে কলঙ্কিত করেছে , যে জাবির ৪৫ বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাসকে নোংরামী দিয়ে প্রতিস্থাপিত করার অপচেষ্ঠা করছে সে কাল আপনাকেও অপদস্থ করবে,করবেই ।
![]() |
| ৩৭ এর মেহেদী উল্লাহ ভাইয়ের সাথে ৪৫ এর মেয়ের কথার ভাষা! |
ইতোমধ্যেই জাবি ৩৭, জেমকন সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী লেখক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মেহেদী উল্লাহ ভাই প্রীতি সম্পর্কে লিখেছেনঃ-
" নিপীড়কের জায়গা জাবিতে নাই। জাবি নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে উনি (জান্নাতুন নাঈম প্রীতি) জাবিকে নিপীড়ন করছেন। তিনি জাবিতে পড়ে কথা এমনভাবে বলেন, যেন তিনি আউটসাইডার। আমি তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসন থেকে তদন্তের দাবি জানাই। এটা জাবির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।”
যে যেখানে আছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিপীড়ণকারীর বিচার চান । ৪৫ বছরের ইতিহাসকে ৬ মাস ক্যাম্পাসে এসে যে মিথ্যাচারের মাধ্যমে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত, সে নিঃসন্দেহে নিপীড়ক । “নিপীড়ণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর” ব্যানারটি আবার আসুক হৃদয়ে ।
#DefendOurJu #Ragging #RagFact
তার নিম্নমানের খ্যাতিপূজারি মানসিকতায় আপনিও তার খ্যাতি বা কুখ্যাতি অর্জনের পুঁজি হতে পারেন । আমার কথা হচ্ছে, তদন্ত করা হোক সঠিকভাবে । কি মোটিভ ছিল এই মেয়ের ?
সে কি জাবির মানহানি করে নিজের নাম কামাইয়ের জন্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিষোদগারের সুযোগ করে দিচ্ছে? সে কি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বিদ্বেষী? স্বপ্না আপু ছাত্রলীগ করেন বলেই কি সে মিথ্যাচার করে তাকে ফাঁসাতে চাচ্ছে? সে কি বোঝাতে চায় , দেশের একমাত্র নারী উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ম্যামের ক্যাম্পাসে নারীই নিরাপদ নয়?
অথচ সবচেয়ে দ্রুত সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় নারীর অধিকার সুরক্ষায় কাজ করে দেশেজুড়ে খ্যাতি পেয়েছে। এখানে নারীদের জন্যই পৃথক একটি সেল রয়েছে । ক্যাম্পাসের যত বড় প্রভাবশালী হোক তার বিরুদ্ধে কোন নারী অভিযোগ করলে সেই নারী এখানে সুষ্ঠু বিচার পাবে । ৬ মাস ক্যাম্পাসে এসে কিভাবে এই মেয়ে লিখে দিলো যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের প্রতি তার আস্থা নেই?
সে কি জাবির মানহানি করে নিজের নাম কামাইয়ের জন্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিষোদগারের সুযোগ করে দিচ্ছে? সে কি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বিদ্বেষী? স্বপ্না আপু ছাত্রলীগ করেন বলেই কি সে মিথ্যাচার করে তাকে ফাঁসাতে চাচ্ছে? সে কি বোঝাতে চায় , দেশের একমাত্র নারী উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ম্যামের ক্যাম্পাসে নারীই নিরাপদ নয়?
![]() |
| পিতার বয়সী মিনহাজ ভাইয়ের সাথে কথপোকথন! ১৬ আর ৪৫ এই সংখ্যাগুলোর তাৎপর্য যারা জানে তারা বুঝতে পারছেন কি পরিমাণ ধৃষ্টতাপূর্ণ বেয়াদবি করেছে সে । |
জাবির শত শত নারী যে এতদিন এখানে পড়ে গেলেন তারা সবাই তাহলে বোবা । মেরুদন্ডহীন । আর উনি, ৬ মাসের যোগিনী একাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিদাত্রী । জাবির আপুদের যার যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ প্রমাণ করেছে এই মেয়ে চরম মিথ্যুক । সে জাবির সম্মান ও সম্ভ্রমহানি করতে অনলাইনে তার অনুসারী পান্ডাদের নিয়ে উঠেপড়ে লেগেছে । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কোন নিপীড়কের জন্য আদর্শ জায়গা নয় । ৪৫ তম ব্যাচের এই মেয়ে জাবির প্রায় সকলকে মানসিক নিপীড়ণ চালিয়ে যাচ্ছে । এই নিপীড়ণকারীর বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হওয়ার সময় এখন । ৪৫ বছরে ধর্ষক মানিক যে ক্ষতি করেছে জাবির , তার চেয়ে কোন অংশে জাবিকে সারা দেশের কাছে ছোট করতে পিছিয়ে নেই এই মেয়ে । জাবির আকাশ-বাতাস-প্রাণ তাকে অভিশাপ দেয়। তাকে তার ব্যাচমেটরাই ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত করার দাবি জানিয়েছে । এমন লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়ার পরেও তার অনুভূতিশূণ্য অবস্থা । ঠিকই ফেসবুকে জাবি, জাবির সন্তান ও জাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্রমাগত মিথ্যাচার করেই যাচ্ছে ।
প্রীতি নামের এই মেয়ের ফেসবুক অপপ্রচারের ফলে তার টাইমলাইনে জাবি নিয়ে যাচ্ছেতাই বাজে কথা বলছে তার অন্ধ অনুসারীরা । তারা আসল ঘটনা জানেনা ।
![]() |
| একই ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রীতির ব্যাপারে এমন মন্তব্য লিখেছে । |
৪৫ তম আবর্তনের পক্ষ থেকেই জান্নাতুন নাঈম প্রীতিকে ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে । পরিবহন চত্ত্বরে বসে সন্ধ্যা বেলায় এক কাপ চা খেতে আসুন । শুনুন, দেখুন নিজ চোখে জাবির ছেলে মেয়েরা এই মেয়ের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে কত বেশি ক্ষুব্ধ।
![]() |
| গত ২৯ অক্টোবর প্রীতির ব্যাচমেটরাই জাবির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করার প্রতিবাদে মানবন্ধন করে এবং তাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার দাবি জানায় |
আর যারা প্রীতিকে নিপীড়ণ করেছে বলে অভিযুক্ত তারা যদি তা করে থাকে তাদেরও বিচার চাই আমরা । কারণ ১% মানুষের অসৎ কর্ম জাবির মানহানি ঘটায় । তাদের থেকে জাবিকে সুরক্ষার দায়িত্ত্ব আমাদের সকলের । আর যদি অভিযোগ প্রমাণিত না হয় তবে দেশজুড়ে জাবিকে যে এতোটা বিতর্কিত করলো (যখন আগামী ১৯ নভেম্বর ২০১৬ প্রথম বর্ষের ভর্তি) পরীক্ষা তারও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক শাস্তি দাবি করি । এই বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গেীরব । এটা আমাদের দ্বিতীয় পরিবার । এটি আমাদের পুনর্জন্মদাতা । একই সাথে জাবি আমাদের মা । এর বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার করে তারা জাবির লাল ইট আর সবুজের সমারোহের আত্মিক বন্ধনকে নিপীড়ণ করে , ধর্ষণ করে । মুহুর্মূহু প্রিয় ক্যাম্পাসের ব্যাপারে মানহানি করে, বহিরাগতদের বাজে কথা বলার সুযোগ করে দিয়ে যেন পৈচাশিক সুখ পায় ওরা, কেউ কেউ, কেউ ।
প্রতিটি জাবির সন্তানই জাবিকে মিথ্যাচার দিয়ে ধর্ষণ করা ব্যক্তির বা ব্যক্তি সমষ্টির বিচার চায় । জাবির সম্মান ও সম্ভ্রম ভার্চুয়ালি ধর্ষণকারী অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে “ ধর্ষকের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর ” ব্যানারটি ফের জেগে উঠুক প্রতিটি হৃদয়ে । সত্য আবার কথা বলুক । জাবির দেহ থেকে ধুয়ে যাক মিথ্যার দাগ। মিথ্যুকদের পরাজয় হোক । জাবির মমতাময়ী বুকে তাকে কলঙ্ক প্রদানকারী বিভীষণরা হোক অভিশপ্ত ।




