২০১১ সালের ২১ ডিসেম্বর আমরা ৪১ তম আবর্তন ক্যাম্পাসে আসি।এসেই দেখি শিক্ষার্থীদের জীবনে সংকটের অশনী সংকেত।যে ঘটনা ঘটে ব্যক্তিগত আক্রোশে তা চাপিয়ে দেয়া হয় উপাচার্য ও একটি ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠনের উপর।খুব কাছ থেকে আন্দোলন,তার নানা মাত্রা আমরা দেখেছি।তা ছিল সোনালী জাহাঙ্গীরনগরের অন্তরায়।
২।
নিঃসন্দেহে জুবায়ের হত্যাকান্ড ছিল জাবি ও আমাদের সবার জন্য একটি দুঃখজনক
ঘটনা।এই হত্যাকান্ডের ফলে জুবায়েরের পরিবার শুধু ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি,সমগ্র
জাবি পরিবার পিছিয়ে পড়েছে।আমি এই হত্যাকান্ডের পরবর্তি ঘটনাপুঞ্জ নিজের
চোখে দেখেছি।হত্যাকারীদের আজীবন বহিষ্কার করার পরেও আইনের আওতায় এনে কঠোর
বিচারের প্রতিশ্রুতি দেন জনপ্রিয় ও ছাত্রবান্ধব উপাচার্য অধ্যাপক ড শরীফ
এনামুল কবির।তারপরও এই হত্যাকান্ডকে একটি 'কৃত্রিম সংকট' হিসেবে দেখিয়ে
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্যের
বিরুদ্ধের আন্দোলনে রূপান্তরিত করা হয়।
৩।
তারপর কোথাকার জল কোথায় গড়ালো তা প্রথম বর্ষের ছোট্র আমি একদম কাছ থেকে দেখলাম।...।অধ্যাপক শরীফ স্যার উপাচার্য নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে নিজের শক্ত অবস্থান দেখিয়ে পিএসসির সদস্য হয়ে হাসিমুখে চলে গেলেন।আমরা নয় উপাচার্য পেলাম।তারচোখে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসের প্রতি বিতৃষ্ণা।আমাদের নিজস্ব সংষ্কৃতিকে তিনি অপমান করেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী,কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের এত সংগঠন থাকে বলে তিনি বিস্মিত হন।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে তিনি কৃত্রিম রং দিয়ে তার নাম লিখতে চান।তার চোখে ক্যাম্পাস শিবিরময়-তা প্রভাবশালী আওয়ামীপন্থী শিক্ষক থেকে সাধারণ শিক্ষার্থী এমন কি ছাত্রলীগ নেতাও।যেসব লোক এই ব্যক্তিকে এখানে আনতে সহায়তা করলেন তারাও অনেকটা আতঙ্কিত ছিলেন।তিনি মিডিয়াবান্ধব উপাচার্য।আমাদের একাডেমিক ইয়ার কেন ৭ মাস থেকে ৯ মাসের মধ্যে শেষ হচ্ছে এই নিয়ে তাঁর আপত্তি।ইয়ার তিনি কমপক্ষে ১২ মাসে করতে উঠেপড়ে লাগলেন!শরীফ স্যারহীন আমাদের সেই দুঃখের সূচনা।আমরা সেশনজট চিনলাম।
৪।
নিজের চোখে দেখেছি,কানে শুনেছি শত শত শিক্ষার্থীকে বলতে যে ,'...শরীফ স্যারের সময়টাই ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভাল ছিল।' এমন কি স্যারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করাদের অনেককেও অগোচরে স্বীকার করতে দেখেছি শরীফ স্যারের প্রয়োজনীয়তা।যারা শরীফ স্যারের মানহানী করতে চেয়েছিল তারা তা পারেনি।বরং শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি আরো বেশি জনপ্রিয় হয়েছেন।মানুষের দোয়া ও ভালবাসায় অনেক অনেক দিন বেঁচে থাকবেন।
৫।
জুবায়ের হত্যাকান্ডের সেন্টিমেন্টকে নিজেদের কাজে লাগাতে তখন উঠেপড়ে লাগে একটি শ্রেণী।মিডিয়াও তাদের আনুগত্য মেনে নেয়।শিক্ষার্থীদের শুভাকাঙ্খী ও গোপালগঞ্জে বাড়ি হওয়াই হয়ে যায় এই সফল উপাচার্যের অপরাধ।আমি সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রবীণ কর্মচারীদের বলতে শুনেছি,'সুখে থাকলে ভূতে কিলায়' এই প্রবাদবাক্যটি।
৬।
আমরা সুখে ছিলাম অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির স্যারের সময়ে।তারপর কিছু ভূত জুবায়ের ও অন্যান্য কিছু সিউডো ক্রাইসিস তৈরি করে আমাদের কিলালো।তারা ফুঁসলালো আমাদের।আমরা আমাদের পরম ইতিবাচক অভিভাবকের সান্নিধ্য বঞ্চিত হলাম।সেশনজট এলো।আন্দোলনের পর আন্দোলন এলো।ঘটনা সব দূর্ঘটনায় পতিত হলো।জাবির একাডেমিক ইয়ারের সময় বেড়ে গেল।
৭।
এখন জানুয়ারী। ২০১২ সালের এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় চলে সংকট।ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে তারই ব্যাচমেটের হাতে খুন হন জুবায়ের।এ ঘটনায় পুরো ক্যাম্পাসে এক ধরনের অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়।খুনীদের আজীবন বহিষ্কারের পরও শরীফ স্যারের বিরুদ্ধে ডার্ক প্রোপাগান্ডা চলে।বিশ্ববিদ্যালয়ের অবাকাঠামোগত ও একাডেমিক অবস্থান আরো উন্নত হবে এটাই কামনা করি।
আজ এই কুয়াশাবৃত সকালে চার বছর আগের সেই সব কুয়াশাময় দিনগুলোর কথা মনে পড়লো। অনেক কথা লিখতে ইচ্ছে করছে।সব কথা লেখা যায়নি...।
৩।
তারপর কোথাকার জল কোথায় গড়ালো তা প্রথম বর্ষের ছোট্র আমি একদম কাছ থেকে দেখলাম।...।অধ্যাপক শরীফ স্যার উপাচার্য নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে নিজের শক্ত অবস্থান দেখিয়ে পিএসসির সদস্য হয়ে হাসিমুখে চলে গেলেন।আমরা নয় উপাচার্য পেলাম।তারচোখে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসের প্রতি বিতৃষ্ণা।আমাদের নিজস্ব সংষ্কৃতিকে তিনি অপমান করেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী,কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের এত সংগঠন থাকে বলে তিনি বিস্মিত হন।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে তিনি কৃত্রিম রং দিয়ে তার নাম লিখতে চান।তার চোখে ক্যাম্পাস শিবিরময়-তা প্রভাবশালী আওয়ামীপন্থী শিক্ষক থেকে সাধারণ শিক্ষার্থী এমন কি ছাত্রলীগ নেতাও।যেসব লোক এই ব্যক্তিকে এখানে আনতে সহায়তা করলেন তারাও অনেকটা আতঙ্কিত ছিলেন।তিনি মিডিয়াবান্ধব উপাচার্য।আমাদের একাডেমিক ইয়ার কেন ৭ মাস থেকে ৯ মাসের মধ্যে শেষ হচ্ছে এই নিয়ে তাঁর আপত্তি।ইয়ার তিনি কমপক্ষে ১২ মাসে করতে উঠেপড়ে লাগলেন!শরীফ স্যারহীন আমাদের সেই দুঃখের সূচনা।আমরা সেশনজট চিনলাম।
৪।
নিজের চোখে দেখেছি,কানে শুনেছি শত শত শিক্ষার্থীকে বলতে যে ,'...শরীফ স্যারের সময়টাই ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভাল ছিল।' এমন কি স্যারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করাদের অনেককেও অগোচরে স্বীকার করতে দেখেছি শরীফ স্যারের প্রয়োজনীয়তা।যারা শরীফ স্যারের মানহানী করতে চেয়েছিল তারা তা পারেনি।বরং শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি আরো বেশি জনপ্রিয় হয়েছেন।মানুষের দোয়া ও ভালবাসায় অনেক অনেক দিন বেঁচে থাকবেন।
৫।
জুবায়ের হত্যাকান্ডের সেন্টিমেন্টকে নিজেদের কাজে লাগাতে তখন উঠেপড়ে লাগে একটি শ্রেণী।মিডিয়াও তাদের আনুগত্য মেনে নেয়।শিক্ষার্থীদের শুভাকাঙ্খী ও গোপালগঞ্জে বাড়ি হওয়াই হয়ে যায় এই সফল উপাচার্যের অপরাধ।আমি সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রবীণ কর্মচারীদের বলতে শুনেছি,'সুখে থাকলে ভূতে কিলায়' এই প্রবাদবাক্যটি।
৬।
আমরা সুখে ছিলাম অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির স্যারের সময়ে।তারপর কিছু ভূত জুবায়ের ও অন্যান্য কিছু সিউডো ক্রাইসিস তৈরি করে আমাদের কিলালো।তারা ফুঁসলালো আমাদের।আমরা আমাদের পরম ইতিবাচক অভিভাবকের সান্নিধ্য বঞ্চিত হলাম।সেশনজট এলো।আন্দোলনের পর আন্দোলন এলো।ঘটনা সব দূর্ঘটনায় পতিত হলো।জাবির একাডেমিক ইয়ারের সময় বেড়ে গেল।
৭।
এখন জানুয়ারী। ২০১২ সালের এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় চলে সংকট।ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে তারই ব্যাচমেটের হাতে খুন হন জুবায়ের।এ ঘটনায় পুরো ক্যাম্পাসে এক ধরনের অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়।খুনীদের আজীবন বহিষ্কারের পরও শরীফ স্যারের বিরুদ্ধে ডার্ক প্রোপাগান্ডা চলে।বিশ্ববিদ্যালয়ের অবাকাঠামোগত ও একাডেমিক অবস্থান আরো উন্নত হবে এটাই কামনা করি।
আজ এই কুয়াশাবৃত সকালে চার বছর আগের সেই সব কুয়াশাময় দিনগুলোর কথা মনে পড়লো। অনেক কথা লিখতে ইচ্ছে করছে।সব কথা লেখা যায়নি...।
