২৪ নভেম্বর ২০১৬ মন্ত্রীসভায় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৬ এর খসড়া মন্ত্রীসভা অনুমোদন করেছে। এই আইনের ১৯ ধারায় ‘সর্বোত্তম স্বার্থে’ পিতামাতার সম্মতিতে যেকোন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে হতে পারবে। আইনের এই ধারা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে কিছু লোক। তারা ইউরোপ ও আমেরিকা এবং কথিত এনজিও সেবন করে বাঙালিকে ইউরো-আমেরিকান ধাঁচে তৈরি করতে চান। সেই সব লোকদের বিষয়ে এবং বাল্যবিবাহ ও ১৯ ধারা বিষয়ে কিছু কথা বলতে চাই। বলা যেন নৈতিক দায়িত্ত্ব হয়ে পড়েছে।
১।
অল্প বয়সে বিয়ে একটি বহুল বিতর্কিত বিষয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিয়ের বিভিন্ন বয়স রয়েছে। আঞ্চলিকতা ও সংষ্কৃতি ভেদে বিয়ের বয়সের তারতম্য ঘটে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ছেলেমেয়েরা দ্রুত বয়ঃসন্ধিপ্রাপ্ত হয় । সেখানে বিয়েও তাই দ্রুত হয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যেও বিয়ের বয়স একেক রকম। কোথায় ১৫-১৬ আবার কোথাও ১৮। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ১৮ বছরের নিচে বিয়ের আইনের প্রমাণ চাইলে https://www.law.cornell.edu/wex/table_marriage এই লিংকে যান। ভারতীয় উপমহাদেশে ১১-১৫ বছরেই ছেলেমেয়েরা বয়ঃসন্ধিপ্রাপ্ত হয়। তাই ঐতিহাসিকভাবে আমাদের দেশে মেয়ে ও ছেলেদের বিয়ে কথিত অল্প বয়সেই হতো। আজকে যারা এই বিয়ের বিরোধীতা করে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন -২০১৬’ এর বিশেষ ক্ষেত্রের ‘সর্বোত্তম স্বার্থের’ বিরুদ্ধে কথা বলছেন তাদের সকলের জন্ম হয়েছে কথিত বাল্যবিবাহের ফলে এটা হলফ করে বলা যায়। তারা কি তাদের পিতামাতার বিচার দিয়ে এই এনজিওবাদী আন্দোলনের শুরু করবেন?
২।
বিয়ে ও পরিবার মানবসভ্যতার যথাক্রমে আদিম চুক্তি ও প্রতিষ্ঠান। কথিত আধুনিক সভ্যতা সেই পরিবারকে ধ্বংস করতে চায়। নারী-পুরুষের বিয়ের চেয়ে তাদের কাছে সমকামীদের বিয়ের গুরুত্ত্ব বেশি। তাই আমাদের সাংষ্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বিয়েকে পশ্চিমা মানদন্ডে ফেলে মাপে ফেমিনিস্ট নামের পুরুষ বিদ্বেষী পশ্চিমাসেবী অসুস্থরা। ওয়েস্টার্ণ র্যাডিক্যাল ফেমিনিজম এসে আমাদের সামাজিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। পশ্চিমকে সুপিরিওর ভাবাদের কাছে ১৭ বছর বয়সে গোটা দশেক শারিরীক সম্পর্কযুক্ত প্রেম করে
পিতামাতাকে জবাই করার পরেও ঐশী বালিকা, শিশু এবং ঐশীর প্রেমিকরা বালক ও শিশু। আর হাজার
হাজার বছরের মানব সভ্যতা এই যে সেদিন কথিত শিল্প বিপ্লবের গর্ভে জন্ম নেয়া
ফেমিনিজমের মানদন্ডে ভুল ! যত্তসব খারাপ মানুষ এরা।
৩।
অল্প বয়সে বিয়ে দেয়া আইন করে ঠেকাচ্ছে। কারণ কি? বিয়ে হলে মেয়ে ও ছেলে অপুষ্টিতে ভুগবে? অর্থনৈতি অস্বচ্ছলতা আসবে? মানসিক সমস্যা দেখা দেবে? অল্প বয়সে প্রেম কিভাবে ঠেকাবে? অল্প বয়সে বিয়ে যেমন অপকারী শারিরীক ও মানসিক কারণে, বেশি বয়সে বিয়েও কি অপকারীতাসম্পন্ন না? ডাক্তার আর মনোরোগীদের কাছে কি অল্প বয়সে বিয়ে করা লোকজন বেশি যায়, না বেশি বয়সে বিয়ে করা লোকসকল বেশি যায়? জরিপ করে দেখলে এনজিও পার্টি মুখে কুলুপ আঁটবে এটা নিশ্চিত। অল্প বয়সে বিয়ে যে কারণে ক্ষতিকর অল্প বয়সে প্রেম কি সেকারণে ক্ষতিকর? নাকি উপকারী?লেইট ম্যারিজের পক্ষের এডভোকেট, লোক, নারীবাদী, এনজিওজীবীরা বলেন ?
৪।
যারা বিশেষ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের বিয়ের ব্যাপারে আপত্তি জানাচ্ছেন এই উকিলরা কংস মামা ও মামী। এরা বাঙালির নিজস্ব বিশ্বাস ও সংষ্কৃতিতে অবিশ্বাসী। এরা ভয়ঙ্কর ভোগবাদী এদের জীবনযাত্রা আসে ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে। এরা বিয়ের বিরোধীতা করে কারণ এদের বিয়ে ছাড়া জৈবিক চাহিদা পূরণের নানা উপায় আছে। তাদের অনুসারী কথিত আধুনিক ছেলে ও মেয়েদের আছে। বিয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য সুস্থভাবে জীবনযাপন করে সুশৃঙ্খলভাবে জৈবিক চাহিদা পূরণ করা । বয়ঃসন্ধির পর থেকে মানুষের যে জৈবিক চাহিদা সেটি শহুরে নারীবাদীরা পূরণ করার নানা মাধ্যম পান। তাদের বয়ফ্রেন্ড থাকে, উপপত্নী থাকে, বেস্ট ফ্রেন্ড থাকে, সমকামী বন্ধু থাকে, পর্ণগ্রাফি থাকে, ভাইবার-ইমো-মেসেঞ্জার-স্ন্যাপচ্যাট-স্কা্ইপি থাকে। তাদের জৈবিক চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। কিন্তু গ্রামের ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনবিহীন ছেলেটি বা মেয়েটি বয়ঃসন্ধির পর কি করবে? তার জৈবিক চাহিদা কি বিশেষ ক্ষেত্রে বিয়ে ঠেকানোর এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নামা হাতির আলু ও তার পশ্চিমাপন্থী গৃহপালিত বুদ্ধিব্যবসায়ী উকিলরা পূরণ করবেন ? করবেন না?
আপনি বা আপনাদের সন্তানদের লিটনের ফ্ল্যাট আছে, গরীবের কি আছে? তার বিনোদনের মাধ্যম যে টিভি তাতো বিজ্ঞাপনে ভরা । সে কি করবে? বিয়ে ছাড়া কি উপায়ে সে বিনোদিত হবে? তার নৈতিক চরিত্র ধরে রাখার উপায় কি, ওগো বিশেষ ক্ষেত্রে বিয়ে দেয়া ঠেকাতে উঠে পড়ে লাগা বিয়েবিদ্বেষী?
একটা খোলা বিতর্ক হওয়া উচিত এটা নিয়ে। শহরে যান্ত্রিক জীবনের গুটিকয়ের মানুষের লাইফস্টাইল বেশি বয়সে বিয়ে করা । সেটাকে সাধারণীকরণ করে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দেয়ার কি উদ্দেশ্য?
৫।
আমার মনে হয় বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৬ করা উত্তম । তবে সবচেয়ে যেীক্তিক হতো যদি বয়ঃসন্ধির সময়টিকে মানদন্ড ধরে বিয়ের আইনটি করা হতো । তবে বিশেষ ক্ষেত্র রেখে সরকার উত্তম কাজ করেছে। কারণ সামাজিক পরিবেশ গ্রাম ও শহর ভিন্ন। শহরের নারীবাদীরা দেশের মাত্র ১ শতাংশ । তাদের ও তাদের সন্তানরা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ত্ব করেনা । বাংলাদেশের প্রতিনিধি কৃষক-শ্রমিক। তারা পড়াশো করতে করতে বুড়ো হয়ে যাচ্ছেনা। আমাদের কথিত শিক্ষিতরা যখন সেভেন এইটে পড়ে তখন গরীব ছেলে বা মেয়ে সংসারের হাল ধরে। সুতরাং তারা জীবনের ভার সে বহন করেছে, তার জীবনের বিনোদনের ভারও সে বহন করবে। ফেমিনিস্ট মেীলবাদীরা তাদের চারটা পয়সা দিয়ে হেল্প করবেনা আবার তাদের মেীলিক চাহিদা থেকে তাদের বঞ্চিত করতে উঠেপড়ে লাগবে এটাতো হবেনা। এই স্ববিরোধী অবস্থান বন্ধ হওয়া উচিত। আপনি এনজিও করে ব্যবসা করেন, গরীবের তো তাতে পেট চলেনা। আপনি তার জৈবিক জীবন ও বিয়ের অধিকারকে আপনার এনজিও ব্যবসা দিয়ে বিচার করবেন কেন? আপনার এনজিও ব্যবসা নষ্ট হবে ওরা যদি বিয়ে করে ফেলে, তাই না?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ সংসদে বাল্যবিবাহের বিশেষ আইন বিরোধীদের মুখোশ উন্মোচন করে বলেছেন কিছু চরম সত্য কথা। বঙ্গবন্ধু কন্যাকে এ কারণেই সাধারণ মানুষ ভালবাসে। তিনি ভোগবাদী, পুুঁজিবাদী, সাম্রাজ্যবাদীদের দেশীয় এজেন্ট এনজিওজীবীদের তুলোধুনা করেছেন যেীক্তিক কথা বলে। খুব ভাল লেগেছে কথাগুলো। প্রধানমন্ত্রীর কথাগুলো নিম্নরূপঃ
বাল্যবিবাহ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আমাদের আর্থসামাজিক বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। যারা বিরোধিতা করছে, সমাজের প্রতি তাদের দায়দায়িত্ব কম। কারণ তারা এনজিও করে পয়সা কামায়। কিন্তু দায়িত্বটা নেয় না। এরা কোনো দিন গ্রামে বাস করেনি। গ্রামের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। শুধু একবার গেলাম, দেখলাম আর মুখের কথা শুনলাম, তাতে সবকিছু জানা হয় না।
বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়েই বাল্যবিবাহ আইনটি করছি। গ্রামের পারিবারিক মূল্যবোধ ও সমস্যা সম্পর্কে তাঁদের কোনো ধারণা নেই। যে কারণে তাদের অনেক বড় বড় কথা। এঁরা রাজধানীতে বসবাস করেন। রাজধানীর পরিবেশটাই তাঁরা দেখেন। বাস্তব অর্থে গ্রামীণ পরিবেশ সম্পর্কে তাঁরা কিছুই জানেন না। আইনে কোনো সমস্যা থাকলে সেখান থেকে বের হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। না হলে সমাজে অনেক বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
৬।
৩।
অল্প বয়সে বিয়ে দেয়া আইন করে ঠেকাচ্ছে। কারণ কি? বিয়ে হলে মেয়ে ও ছেলে অপুষ্টিতে ভুগবে? অর্থনৈতি অস্বচ্ছলতা আসবে? মানসিক সমস্যা দেখা দেবে? অল্প বয়সে প্রেম কিভাবে ঠেকাবে? অল্প বয়সে বিয়ে যেমন অপকারী শারিরীক ও মানসিক কারণে, বেশি বয়সে বিয়েও কি অপকারীতাসম্পন্ন না? ডাক্তার আর মনোরোগীদের কাছে কি অল্প বয়সে বিয়ে করা লোকজন বেশি যায়, না বেশি বয়সে বিয়ে করা লোকসকল বেশি যায়? জরিপ করে দেখলে এনজিও পার্টি মুখে কুলুপ আঁটবে এটা নিশ্চিত। অল্প বয়সে বিয়ে যে কারণে ক্ষতিকর অল্প বয়সে প্রেম কি সেকারণে ক্ষতিকর? নাকি উপকারী?লেইট ম্যারিজের পক্ষের এডভোকেট, লোক, নারীবাদী, এনজিওজীবীরা বলেন ?
৪।
যারা বিশেষ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের বিয়ের ব্যাপারে আপত্তি জানাচ্ছেন এই উকিলরা কংস মামা ও মামী। এরা বাঙালির নিজস্ব বিশ্বাস ও সংষ্কৃতিতে অবিশ্বাসী। এরা ভয়ঙ্কর ভোগবাদী এদের জীবনযাত্রা আসে ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে। এরা বিয়ের বিরোধীতা করে কারণ এদের বিয়ে ছাড়া জৈবিক চাহিদা পূরণের নানা উপায় আছে। তাদের অনুসারী কথিত আধুনিক ছেলে ও মেয়েদের আছে। বিয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য সুস্থভাবে জীবনযাপন করে সুশৃঙ্খলভাবে জৈবিক চাহিদা পূরণ করা । বয়ঃসন্ধির পর থেকে মানুষের যে জৈবিক চাহিদা সেটি শহুরে নারীবাদীরা পূরণ করার নানা মাধ্যম পান। তাদের বয়ফ্রেন্ড থাকে, উপপত্নী থাকে, বেস্ট ফ্রেন্ড থাকে, সমকামী বন্ধু থাকে, পর্ণগ্রাফি থাকে, ভাইবার-ইমো-মেসেঞ্জার-স্ন্যাপচ্যাট-স্কা্ইপি থাকে। তাদের জৈবিক চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। কিন্তু গ্রামের ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনবিহীন ছেলেটি বা মেয়েটি বয়ঃসন্ধির পর কি করবে? তার জৈবিক চাহিদা কি বিশেষ ক্ষেত্রে বিয়ে ঠেকানোর এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নামা হাতির আলু ও তার পশ্চিমাপন্থী গৃহপালিত বুদ্ধিব্যবসায়ী উকিলরা পূরণ করবেন ? করবেন না?
আপনি বা আপনাদের সন্তানদের লিটনের ফ্ল্যাট আছে, গরীবের কি আছে? তার বিনোদনের মাধ্যম যে টিভি তাতো বিজ্ঞাপনে ভরা । সে কি করবে? বিয়ে ছাড়া কি উপায়ে সে বিনোদিত হবে? তার নৈতিক চরিত্র ধরে রাখার উপায় কি, ওগো বিশেষ ক্ষেত্রে বিয়ে দেয়া ঠেকাতে উঠে পড়ে লাগা বিয়েবিদ্বেষী?
একটা খোলা বিতর্ক হওয়া উচিত এটা নিয়ে। শহরে যান্ত্রিক জীবনের গুটিকয়ের মানুষের লাইফস্টাইল বেশি বয়সে বিয়ে করা । সেটাকে সাধারণীকরণ করে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দেয়ার কি উদ্দেশ্য?
৫।
আমার মনে হয় বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৬ করা উত্তম । তবে সবচেয়ে যেীক্তিক হতো যদি বয়ঃসন্ধির সময়টিকে মানদন্ড ধরে বিয়ের আইনটি করা হতো । তবে বিশেষ ক্ষেত্র রেখে সরকার উত্তম কাজ করেছে। কারণ সামাজিক পরিবেশ গ্রাম ও শহর ভিন্ন। শহরের নারীবাদীরা দেশের মাত্র ১ শতাংশ । তাদের ও তাদের সন্তানরা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ত্ব করেনা । বাংলাদেশের প্রতিনিধি কৃষক-শ্রমিক। তারা পড়াশো করতে করতে বুড়ো হয়ে যাচ্ছেনা। আমাদের কথিত শিক্ষিতরা যখন সেভেন এইটে পড়ে তখন গরীব ছেলে বা মেয়ে সংসারের হাল ধরে। সুতরাং তারা জীবনের ভার সে বহন করেছে, তার জীবনের বিনোদনের ভারও সে বহন করবে। ফেমিনিস্ট মেীলবাদীরা তাদের চারটা পয়সা দিয়ে হেল্প করবেনা আবার তাদের মেীলিক চাহিদা থেকে তাদের বঞ্চিত করতে উঠেপড়ে লাগবে এটাতো হবেনা। এই স্ববিরোধী অবস্থান বন্ধ হওয়া উচিত। আপনি এনজিও করে ব্যবসা করেন, গরীবের তো তাতে পেট চলেনা। আপনি তার জৈবিক জীবন ও বিয়ের অধিকারকে আপনার এনজিও ব্যবসা দিয়ে বিচার করবেন কেন? আপনার এনজিও ব্যবসা নষ্ট হবে ওরা যদি বিয়ে করে ফেলে, তাই না?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ সংসদে বাল্যবিবাহের বিশেষ আইন বিরোধীদের মুখোশ উন্মোচন করে বলেছেন কিছু চরম সত্য কথা। বঙ্গবন্ধু কন্যাকে এ কারণেই সাধারণ মানুষ ভালবাসে। তিনি ভোগবাদী, পুুঁজিবাদী, সাম্রাজ্যবাদীদের দেশীয় এজেন্ট এনজিওজীবীদের তুলোধুনা করেছেন যেীক্তিক কথা বলে। খুব ভাল লেগেছে কথাগুলো। প্রধানমন্ত্রীর কথাগুলো নিম্নরূপঃ
বাল্যবিবাহ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আমাদের আর্থসামাজিক বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। যারা বিরোধিতা করছে, সমাজের প্রতি তাদের দায়দায়িত্ব কম। কারণ তারা এনজিও করে পয়সা কামায়। কিন্তু দায়িত্বটা নেয় না। এরা কোনো দিন গ্রামে বাস করেনি। গ্রামের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। শুধু একবার গেলাম, দেখলাম আর মুখের কথা শুনলাম, তাতে সবকিছু জানা হয় না।
বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়েই বাল্যবিবাহ আইনটি করছি। গ্রামের পারিবারিক মূল্যবোধ ও সমস্যা সম্পর্কে তাঁদের কোনো ধারণা নেই। যে কারণে তাদের অনেক বড় বড় কথা। এঁরা রাজধানীতে বসবাস করেন। রাজধানীর পরিবেশটাই তাঁরা দেখেন। বাস্তব অর্থে গ্রামীণ পরিবেশ সম্পর্কে তাঁরা কিছুই জানেন না। আইনে কোনো সমস্যা থাকলে সেখান থেকে বের হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। না হলে সমাজে অনেক বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
৬।
যারা ছেলে ও মেয়েদের বিয়ের বিরোধী তাদের একটি যুক্তি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ছাড়া বিয়ে করা ঠিক না । এদের কাছে মানবজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস এই অর্থ । নৈতিকতা ও মানবিকতা এদের কাছে একেবারেই নগণ্য। এই মেন্টালিটিটা চরম বাজে। এর কারণেই পশ্চিমা সমাজে ব্রোথেলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর কারণেই পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সেখানে এখন অনাচান ও নোংরামীতে পরিপূর্ণ। প্রতি সেকেন্ডে ধর্ষণ হয় কয়েকজন নারী। এ কারণে বললামে যে এই এনজিওবাদী ফেমিনিজম একটি পুঁজিবাদী ফেমিনিজম। পুঁজিবাদের কাছে নৈতিকতা ও মানবিকতার কোন মূল্য নেই । মুনাফা বা প্রফিট বা লাভ বা অর্থই সব। ফেমিনিস্টদের মানদন্ডেও অর্থই সব। অর্থ না থাকলে এমনিতে লিভ টুগেদার করে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে মজা নেয়া যাবে, তবে অর্থ না থাকলে বিয়ে করা যাবেনা। কি বদমায়েশীপূর্ণ বাজে মানসিকতা এই বিশেষ আইন বিরোধীদের।
৭।
সব কিছুর ইতিবাচক ও নেতিবাচক ক্ষেত্র রয়েছে। ১৬ বছর বয়সে বিয়ের ক্ষতিকর দিক যারা খোঁজেন তারা কি ৩০ বছরের পরে বিয়ে করা ছেলে ও মেয়েদের ক্ষতিকর দিকগুলোর খোঁজ নিয়েছেন? আমি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে চিনি। তিনি বলেছেন, তার অধিকাংশ রোগীই বেশি বয়সে বিয়ে করা নারী। আর আমার ডাক্তার বন্ধুদের ছাফ জবাব, বেশি বয়সে বিয়ে করলে পুরুষের সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, আর নারীর সন্তান জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা কমার পাশাপাশি সন্তান অস্বাভাবিক হতে পারে। আর সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রেও মৃত্যুর ঝুঁকি আছে। আপনি বলতে পারেন, বাল্যবিয়ে করলেও তো এই ঝুঁকি। আমি বলছি যে , হ্যাঁ। সেই ঝুঁকিতো বেশি বয়সে বিয়েতেও থেকে যাচ্ছে। তা হলে সমাধান কি?
এই অজুহাতে ছেলে মেয়েরা জৈবিক চাহিদা অনৈতিক উপায়ে পূরণ করছে এটা কেন আলোচনায় আসবেনা? বাঙালি পশ্চিমা সভ্যতার বেহায়াবৃত্তি গ্রহণ করেনি। যারা বিয়ে ঠেকাতে চাচ্ছেন এরাই কিন্তু যখন প্রকাশ্যে বাচ্চা ছেলেমেরা রাস্তায় জড়াজড়ি করতেছে ও তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিচ্ছে সেটিও মেনে নিচ্ছেন। তার পক্ষে সাফাই গাচ্ছেন । চরম অনৈতিক ও বাজে অবস্থান এদের। রাশেদা কে চেীধুরী কি বলবেন, গ্রামের কিশোরী যে পড়াশোনা করছেনা, যে বিয়ে করতে চায় তাকে যখন আইন বাঁধা দিবে সেটি কি নারীর অধিকার ক্ষুন্ন করা নয়?
১৮ বছরের কমে মেয়েদের বিয়েকে অসমর্থন করছেন তাদের এটা জানা উচিত তাদের গুরু খোদ আমেরিকয় বিশেষ না, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেই ১৮ এর নিচে মেয়েদের বিয়ে হয়। প্রধানমন্ত্রী উচিত কথাই বলেছেন এদের উদ্দেশ্য করে। এরা গ্রাম ও উৎপাদনের সাথে জড়িত মানুষের ব্যাপারে জানেনা। ওরা শুধু শহর চেনে, শহুরে জীবন দিয়ে বাংলাদেশকে বিচার করে। আপনার মেয়ে ও আপনি পড়াশোনা করেন, চাকরি করেন, আপনাদের দেরিতে বিয়ে করলে কিছু যায় আসেনা। কিন্তু গ্রামের যে মেয়েটি ১৭ বছর বয়সে সংসারের হাল ধরে তার ব্যাপারটি আপনি ভাবেন না কেন? সেই মেয়েটি যদি পরিবারের হাল ধরতে পারে ১৬-১৭ বছর বয়সে, তার জীবনের হাল ধরতে আপনি তারে বাঁধা দেয়ার কে? আপনি কি তারে খাওয়ান , না পরান ওগো নারীবাদী? ওগো ব্যবসায়ী এনজিওকর্মী? ওগো ভোগবাদী এনজিওজীবী?
বাল্যবিবাহ আইনের বিশেষ ধারা বলবৎ রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনেক বেশি ধন্যবাদ।
*************************************************************************************************************
আমি বাল্যবিয়ের পক্ষে নই । আমি আবার বুড়ো বয়সে বিয়েরও পক্ষ নিচ্ছিনা। আমার মনে হয় , বিয়েরে ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা দেয়া উচিত। সেই সাথে যে বাবা-মা সন্তানদের বড় করছে তাদের কাছ থেকে তাদের সন্তানদের বিয়ে দেয়ার অধিকার কেড়ে নেয়া উচিত নয়। যার যার সন্তানের ভালো রাশেদা কে চেীধুরী, প্রথম আলো, এনজিও ও এনজিওজীবী এবং নারীবাদী সংগঠনের চেয়ে অবশ্যই পিতামাতা বেশি চায়। সুতরাং তাদের মতকে অগুরুত্ত্বপূর্ণ করে সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করা উচিত হবেনা।
বিয়ে মানুষের একেবারে ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ ব্যাপারটিতে আইনী হস্তক্ষেপ সমাজকে কোন দিকে নেয় সেটি দেখতে অপেক্ষা করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে এই সব আইন করেছে যেসব দেশ তারা এখন ঠিকই সন্তানগ্রহণের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেও লোকজনকে বিয়ে করাতে বা সন্তান নেয়াতে পারছেনা। তাই বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৬ এর ১৯ ধারার বিশেষ ক্ষেত্রটি বলবৎ থাকা উচিত। আমাদের দেশের প্রধান দুটি ধর্ম ইসলাম ও হিন্দু বিয়ের পশ্চিমা মানদন্ডকে স্বীকার করেনা । সেই দিকটা মাথায় রাখতে হবে। সেকাণেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ দেশের বিশাল অংশকে প্রতিনিধিত্ত্বকারী সাধারণ মানুষের কথা ভাবার কারনে।
এখন যদি উগ্র নারীবাদী ও পশ্চিমা মানদন্ডে বিশ্বাসীরা এই আইন মানতে না চায় তবে তারা না মানুক। তবে নিজের মতকে সারা বাংলাদেশের সব মানুষের চাপিয়ে দেয়ার জঙ্গীবাদী মানসিকতা আর কতদিন? যে তার সন্তানকে বিয়ে দিতে চায় ১৬ বছর বয়সে, যে ছেলে বা মেয়ে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে করতে চায় তাকে তা করতে না দেয়া কোন ধরনের আচরণ ??
একারণে বর্তমান ফেমিনিজমকে আমি বলি কর্পোরেট ফেমিনিজম। এই ফেমিনিজম নারীর জন্য নয়, এটি ক্যাপিট্যালিজমের লাইফলাইন। এই ফেমিনিজম নারীকে তার মায়ের কাজে সাহায্য করতে নিষেধ করলেও পর্ণ ছবিতে অভিনয় করে পুরুষের নোংরামীর স্বীকার হতে নিষেধ করেনা। এই ফেমিনিজম নারীদের বিয়ে ঠেকাতে অর্থনৈতিকভাবে সবল হতে বলে। কিন্তু কোন নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল নয় এমন পুরুষকে বিয়ে করতে উৎসাহিত করেনা। আর ১৬ বছর বয়সে বিয়ে ঠেকিয়ে দেয় যে উকিলরা তারা কি ১৬ বছরের ছেলে বা মেয়েটির জৈবিক চাহিদা ঠেকিয়ে দিতে পারবেন? প্রেম করলে কি কোন ক্ষতি হয়না? যদি ১৮ বছরের নিচে বিয়ে করে শারীরিক সম্পর্ক করলে তা ক্ষতির কারণ হয় তবে ১৮ বছরের নিচে প্রেম করে শারীরিক সম্পর্ক করলে তা শতগুণ বেশি ক্ষতিকর হওয়ার কথা । এ ব্যাপারে নারীবাদী ও বিশেষ ক্ষেত্রে বিয়ে বিরোধীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। কিচ্ছু বলেনা। ভন্ড কোথাকার!৭।
সব কিছুর ইতিবাচক ও নেতিবাচক ক্ষেত্র রয়েছে। ১৬ বছর বয়সে বিয়ের ক্ষতিকর দিক যারা খোঁজেন তারা কি ৩০ বছরের পরে বিয়ে করা ছেলে ও মেয়েদের ক্ষতিকর দিকগুলোর খোঁজ নিয়েছেন? আমি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে চিনি। তিনি বলেছেন, তার অধিকাংশ রোগীই বেশি বয়সে বিয়ে করা নারী। আর আমার ডাক্তার বন্ধুদের ছাফ জবাব, বেশি বয়সে বিয়ে করলে পুরুষের সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, আর নারীর সন্তান জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা কমার পাশাপাশি সন্তান অস্বাভাবিক হতে পারে। আর সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রেও মৃত্যুর ঝুঁকি আছে। আপনি বলতে পারেন, বাল্যবিয়ে করলেও তো এই ঝুঁকি। আমি বলছি যে , হ্যাঁ। সেই ঝুঁকিতো বেশি বয়সে বিয়েতেও থেকে যাচ্ছে। তা হলে সমাধান কি?
এই অজুহাতে ছেলে মেয়েরা জৈবিক চাহিদা অনৈতিক উপায়ে পূরণ করছে এটা কেন আলোচনায় আসবেনা? বাঙালি পশ্চিমা সভ্যতার বেহায়াবৃত্তি গ্রহণ করেনি। যারা বিয়ে ঠেকাতে চাচ্ছেন এরাই কিন্তু যখন প্রকাশ্যে বাচ্চা ছেলেমেরা রাস্তায় জড়াজড়ি করতেছে ও তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিচ্ছে সেটিও মেনে নিচ্ছেন। তার পক্ষে সাফাই গাচ্ছেন । চরম অনৈতিক ও বাজে অবস্থান এদের। রাশেদা কে চেীধুরী কি বলবেন, গ্রামের কিশোরী যে পড়াশোনা করছেনা, যে বিয়ে করতে চায় তাকে যখন আইন বাঁধা দিবে সেটি কি নারীর অধিকার ক্ষুন্ন করা নয়?
১৮ বছরের কমে মেয়েদের বিয়েকে অসমর্থন করছেন তাদের এটা জানা উচিত তাদের গুরু খোদ আমেরিকয় বিশেষ না, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেই ১৮ এর নিচে মেয়েদের বিয়ে হয়। প্রধানমন্ত্রী উচিত কথাই বলেছেন এদের উদ্দেশ্য করে। এরা গ্রাম ও উৎপাদনের সাথে জড়িত মানুষের ব্যাপারে জানেনা। ওরা শুধু শহর চেনে, শহুরে জীবন দিয়ে বাংলাদেশকে বিচার করে। আপনার মেয়ে ও আপনি পড়াশোনা করেন, চাকরি করেন, আপনাদের দেরিতে বিয়ে করলে কিছু যায় আসেনা। কিন্তু গ্রামের যে মেয়েটি ১৭ বছর বয়সে সংসারের হাল ধরে তার ব্যাপারটি আপনি ভাবেন না কেন? সেই মেয়েটি যদি পরিবারের হাল ধরতে পারে ১৬-১৭ বছর বয়সে, তার জীবনের হাল ধরতে আপনি তারে বাঁধা দেয়ার কে? আপনি কি তারে খাওয়ান , না পরান ওগো নারীবাদী? ওগো ব্যবসায়ী এনজিওকর্মী? ওগো ভোগবাদী এনজিওজীবী?
বাল্যবিবাহ আইনের বিশেষ ধারা বলবৎ রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনেক বেশি ধন্যবাদ।
*************************************************************************************************************
আমি বাল্যবিয়ের পক্ষে নই । আমি আবার বুড়ো বয়সে বিয়েরও পক্ষ নিচ্ছিনা। আমার মনে হয় , বিয়েরে ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা দেয়া উচিত। সেই সাথে যে বাবা-মা সন্তানদের বড় করছে তাদের কাছ থেকে তাদের সন্তানদের বিয়ে দেয়ার অধিকার কেড়ে নেয়া উচিত নয়। যার যার সন্তানের ভালো রাশেদা কে চেীধুরী, প্রথম আলো, এনজিও ও এনজিওজীবী এবং নারীবাদী সংগঠনের চেয়ে অবশ্যই পিতামাতা বেশি চায়। সুতরাং তাদের মতকে অগুরুত্ত্বপূর্ণ করে সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করা উচিত হবেনা।
বিয়ে মানুষের একেবারে ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ ব্যাপারটিতে আইনী হস্তক্ষেপ সমাজকে কোন দিকে নেয় সেটি দেখতে অপেক্ষা করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে এই সব আইন করেছে যেসব দেশ তারা এখন ঠিকই সন্তানগ্রহণের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেও লোকজনকে বিয়ে করাতে বা সন্তান নেয়াতে পারছেনা। তাই বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৬ এর ১৯ ধারার বিশেষ ক্ষেত্রটি বলবৎ থাকা উচিত। আমাদের দেশের প্রধান দুটি ধর্ম ইসলাম ও হিন্দু বিয়ের পশ্চিমা মানদন্ডকে স্বীকার করেনা । সেই দিকটা মাথায় রাখতে হবে। সেকাণেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ দেশের বিশাল অংশকে প্রতিনিধিত্ত্বকারী সাধারণ মানুষের কথা ভাবার কারনে।
এখন যদি উগ্র নারীবাদী ও পশ্চিমা মানদন্ডে বিশ্বাসীরা এই আইন মানতে না চায় তবে তারা না মানুক। তবে নিজের মতকে সারা বাংলাদেশের সব মানুষের চাপিয়ে দেয়ার জঙ্গীবাদী মানসিকতা আর কতদিন? যে তার সন্তানকে বিয়ে দিতে চায় ১৬ বছর বয়সে, যে ছেলে বা মেয়ে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে করতে চায় তাকে তা করতে না দেয়া কোন ধরনের আচরণ ??
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৬ এর বিশেষ ধারাটির পক্ষে আছি। এই ধারাটি বাংলাদেশের কৃষক-শ্রমিক ও উৎপাদনের সাথে জড়িত মানুষগুলোর জীবনকে গতিশীলতা দেবে। যারা শহরে বাস করেন, যারা অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের অভাব বোধ করেন না, যাদের জৈবিক চাহিদা পূরণের শত মাধ্যম আছে তাদের এক বিন্দু অধিকার নেই গ্রামের মানুষের জৈবিক ও সামাজিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার কেড়ে নেয়ার। সকলের স্বাভাবিক বোধ জন্ম নিক। নিজের আদর্শ ও মানদন্ডকে ভিত্তি করে অন্যদের অধিকার ক্ষুন্ন করা বা অস্বীকার করার নষ্ট প্রবণতা এ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হোক। এনজিওজীবীগুলো মানুষ হোক। মানুষের কাতারে এসে মানুষের জীবন নিয়ে স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করা শিখুক।
জয় হোক সত্যের।

