সন্ধ্যা থেকেই হারিয়ে গিয়েছি,বিকালে ছিলাম নিকট অতীতে
দুপুরে নিস্ক্রিয়,সকালে মৃত,ভোরে তোমায় ভেবে জাগ্রত
রাতের প্রতিটি প্রহর তোমার স্মৃতিতে অবগাহন-
এখন হৃদয়ে তীব্রবেগে রক্তের বিচ্ছুরণ;
লেগে আছে অনুভূতির স্তরে স্তরে,শরীরে,নিঃসঙ্গ আবেগে ।
চলন্ত মেঘ ভেদ করে আসা চাঁদের আলোয় নক্ষত্রের নাম শিখেছি-
হুমায়ূনের গল্পের কোন এক পটভূমি মনে করার সম্মিলিত চেষ্টা ;
জলসিঁড়ির প্রতিটি ধাপ বেয়ে জল স্পর্শ করতে নামা ;
পরিচিত অসংখ্য চোখের তীক্ষ্ম দৃষ্টি এড়াতে পালিয়েছি ;
তুমুল ঝগড়া করেছি ধরা ও অধরা জগতে-
রক্তাক্ত স্মৃতির হ্রদে গাঢ় অনিচ্ছায় নেমে ।
আজ আত্মহারা আমি,তোমার মধ্যে
ভেবেছিলাম মুছে গেছো তুমি,এখন মসৃণ পথ
অথচ স্মৃতির রাস্তায় হাঁটতেই মর্মর শব্দ
তাকিয়ে দেখি প্রাকৃতিক ফ্রেমে বাঁধা অজস্র তুমি
তোমার হাত,চুল,চোখ,ঠোঁট,তিল,তোমার সুবাস
আমি অসহায় হয়ে চেয়ে ছিলাম,বুকে দীর্ঘশ্বাস ।
তুমি সঠিক সময়ে এ জীবনে এসেছিলে,
কেন চলে গেলে এই অসময়?
কেন রেখে গেলে স্মৃতিসঞ্চয়?
আজ সব জমাটবদ্ধ ঘৃণা ভালবাসা হয়ে জানতে চায় ।
আমিও চাই,মন থেকে মায়াজ্যোতি
আমিও জানতে চাই
হঠাত্ অকারণে ক্ষণে ক্ষণে কেন
তোমাতে আমি হারাই !?!
শীত ও গ্রীষ্ম,উষ্ণতা ও কুয়াশা,খরা ও বর্ষা
বুকের গভীর খাদে সর্বকালে তুমি আছো
কাজলরেখার চোখ দেখিয়ে হঠাত্ বলো,
'বলতে পারো আমার চোখের বিশেষত্ত্ব ?'
অনেক্ষণ ভেবে এখনো বলি,
'পারি তো..জন্মকাজলচোখ তোমার...তাইনা ?'
কেউ নেই-উত্তর শুনে আহ্লাদী হাসি দেয়ার
ভীষণ একা, আমি ও আমাদের রক্তাক্ত স্মৃতিরা ।
হুমায়ূনের গল্পের কোন এক পটভূমি মনে করার সম্মিলিত চেষ্টা ;
জলসিঁড়ির প্রতিটি ধাপ বেয়ে জল স্পর্শ করতে নামা ;
পরিচিত অসংখ্য চোখের তীক্ষ্ম দৃষ্টি এড়াতে পালিয়েছি ;
তুমুল ঝগড়া করেছি ধরা ও অধরা জগতে-
রক্তাক্ত স্মৃতির হ্রদে গাঢ় অনিচ্ছায় নেমে ।
আজ আত্মহারা আমি,তোমার মধ্যে
ভেবেছিলাম মুছে গেছো তুমি,এখন মসৃণ পথ
অথচ স্মৃতির রাস্তায় হাঁটতেই মর্মর শব্দ
তাকিয়ে দেখি প্রাকৃতিক ফ্রেমে বাঁধা অজস্র তুমি
তোমার হাত,চুল,চোখ,ঠোঁট,তিল,তোমার সুবাস
আমি অসহায় হয়ে চেয়ে ছিলাম,বুকে দীর্ঘশ্বাস ।
তুমি সঠিক সময়ে এ জীবনে এসেছিলে,
কেন চলে গেলে এই অসময়?
কেন রেখে গেলে স্মৃতিসঞ্চয়?
আজ সব জমাটবদ্ধ ঘৃণা ভালবাসা হয়ে জানতে চায় ।
আমিও চাই,মন থেকে মায়াজ্যোতি
আমিও জানতে চাই
হঠাত্ অকারণে ক্ষণে ক্ষণে কেন
তোমাতে আমি হারাই !?!
শীত ও গ্রীষ্ম,উষ্ণতা ও কুয়াশা,খরা ও বর্ষা
বুকের গভীর খাদে সর্বকালে তুমি আছো
কাজলরেখার চোখ দেখিয়ে হঠাত্ বলো,
'বলতে পারো আমার চোখের বিশেষত্ত্ব ?'
অনেক্ষণ ভেবে এখনো বলি,
'পারি তো..জন্মকাজলচোখ তোমার...তাইনা ?'
কেউ নেই-উত্তর শুনে আহ্লাদী হাসি দেয়ার
ভীষণ একা, আমি ও আমাদের রক্তাক্ত স্মৃতিরা ।
