শব্দের রাজনীতি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। জান্তে বা অজান্তে শব্দ ব্যবহারে আমরা দাসত্ত্বকে বরণ করি। যেমন ধরেন, নারিকেল জিঞ্জিরার কথা। দেশের সর্ব দক্ষিণের এই দ্বীপটার স্থানীয় শখানেক মানুষের সাথে কথা বলেছি। তারা সবাই এটাকে 'জিঞ্জিরা' বলে। একজনও পাইনি যে বলে,'সেইন্ট মার্টিনস দ্বীপ'। এই ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক নামে ডাকে ব্রিটিশদের মানসিক চাকর কথিত শিক্ষিত শ্রেণী।
দ্বীপটায় অনুপ্রবেশ করে স্থানীয়দের নামকে অবজ্ঞা করে লুটতরাজ করা ব্রিটিশরা নাম রাখে 'Saint Martin's Islands'। অর্থাত্ ধর্মগুরু মার্টিনের দ্বীপ। এখন আপনি আমারে বলেন, বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের বুকে জাগা দ্বীপ কিভাবে ইউরোপের হাঙ্গেরির মার্টিনের হয়? ইংরেজ ও মগের বাজে মুল্লুক সেই যুগে ছিল।
এই যুগে এসে লোকে নির্লজ্জের মত জিঞ্জিরা বা নারিকেল জিঞ্জিরাকে কোন মানসিকতায় 'সেইন্ট মার্টিন্স' ডাকে? আর কত মানসিক দাসত্ত্বের প্রকাশ ঘটাবে পশ্চিমপূজারীরা?
দ্বীপের
আদিবাসী বাঙালির ডাকা নামটা ইংরেজি শিখে ব্রিটিশ প্রভুভক্ত হওয়াদের কাছে
অপ্রচলিত। এই মানসিকতা পরিহার না হলে দেশের উন্নতি হওয়া কঠিন।
জিঞ্জিরাকে #জিঞ্জিরা বলতে হবে।
জিঞ্জিরাই বাংলাদেশ, সেইন্ট মার্টিন্স দাসত্ত্বের উত্তর ঔপনিবেশিক দৃষ্টান্ত। আপনি কি?
জিঞ্জিরাকে #জিঞ্জিরা বলতে হবে।
জিঞ্জিরাই বাংলাদেশ, সেইন্ট মার্টিন্স দাসত্ত্বের উত্তর ঔপনিবেশিক দৃষ্টান্ত। আপনি কি?
