আজ ১২ জানুয়ারি। আমাদের প্রিয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ দিনটিকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে পালন করি । এ বছরও শোভাযাত্রা,স্মৃতিচারণ,পুতুল নাচ ও মুক্তমঞ্চে সাংষ্কৃতি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হবে। সবাইকে আমন্ত্রণ ।
এক সময় বাড়ি ছেড়ে আসতে কষ্ট হতো। তারপর এমন একটা সময় এলো যখন বাড়িতে গেলে নিজেকে অতিথি মনে হতে শুরু করে। এই সময়টায় আমার আরেকটি বাড়ি হয়,ঘর হয়-আমার একটি সবুজসমুদ্রসম আবেগের প্রাসাদ হয়। এখানে আমি জীবনের দীক্ষা নিই। আমার প্রিয় এই দীক্ষালয়ের আজ জন্মদিন।
শুভ জন্মদিন প্রিয় #জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষা,দীক্ষা,উদ্ভাবন ও দেশসেবায় এগিয়ে যাও সফলতার সোনালী মালা পরে, সবার আগে, একদম শীর্ষে...।
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের পরপরই দেশের একমাত্র আবাসিক
বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এই দিনে যাত্রা শুরু করে জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়। চির সবুজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পৃথিবীর সবচেয়ে
সুন্দর ক্যাম্পাসের একটি।শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় এ
বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্মত স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। জাতীয় যেকোন
দুর্যোগ অথবা স্বার্থহানীর ঘটনায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই সবার আগে
সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ জানায়। এ বিশ্ববিদ্যালয় অধিকার আদায়ের নিয়মতান্ত্রিক
আন্দোলনের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
আমি গর্বিত বাংলাদেশের একমাত্র আবাসিক এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পেয়ে। খুব ভালবাসি প্রিয় জাবিকে।জীবন,যুদ্ধ,প্রতিযোগিতা,আস্থা ও অর্জনের নানা দীক্ষা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি ও মানুষ প্রতিনিয়ত শিখিয়েছে,শেখাচ্ছে।
চিরদিন সাফল্যের সঙ্গে চলুক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা ও সাফল্যগাঁথা ।
আমি গর্বিত বাংলাদেশের একমাত্র আবাসিক এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পেয়ে। খুব ভালবাসি প্রিয় জাবিকে।জীবন,যুদ্ধ,প্রতিযোগিতা,আস্থা ও অর্জনের নানা দীক্ষা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি ও মানুষ প্রতিনিয়ত শিখিয়েছে,শেখাচ্ছে।
চিরদিন সাফল্যের সঙ্গে চলুক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা ও সাফল্যগাঁথা ।
