বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে অর্থলোভী কিছু দোপেয় পশু।এদের কাছে পুঁজিই সব,সেটা দেশের বারোটা বাজিয়ে অর্জিত হোক কিংবা দেশকে বিক্রি করে।পুঁজিবাদের(Capitalism) এতোটা কুত্সিত রূপ আমেরিকা ও ইউরোপেও নেই যা বাংলাদেশে রয়েছে।
আর এদেশের সংবাদ মাধ্যম?ইটপাটকেলের সংবাদ,কৃত্রিম
সংকট তৈরির প্রবণতা,অহেতুক বাগাড়ম্বর এবং পক্ষপাতদুষ্টতা স্পষ্টত চোখে পড়ে।
রাজনীতি এদের কাছে সবচেয়ে বড় সংবাদ।উত্পাদন,আবিষ্কার,বন্টণ,শ্রম ও
কল্যাণ এখানে সংবাদই না।এসব দেখে মনে করলে অন্যায় হবেনা এদেশের
সংবাদমাধ্যমে কাজ করে জাতীয়তাবোধহীন তৃতীয়শ্রেণীর কতগুলো বদ্ধ
উন্মাদ।সাংবাদিক বা সংবাদকর্মী পরিচয়ধারীরা দেশপ্রেম কি সেটাই
জানেনা,জাতীয়তাবোধের সঠিক ধারনা নেই এদের,সাংষ্কৃতিক আগ্রাসন বিষয়ে এরা
অজ্ঞ অথবা চোখ থাকতে অন্ধ।এদের দ্বারা জাতীয় অর্থনৈতিক ও সাংষ্কৃতিক মুক্তি
অসম্ভব।
এরা Agenda সেট করে
সারা দেশের ইতিবাচক সংবাদ তুলে ধরেনা,অথচ তা পারতো।এরা জাতীয় সংষ্কৃতিকে
অবমূল্যায়ন করে।দেশের আইকনদের অবমর্যাদা করে।দেশের পণ্যের প্রসারের কথা
বলেনা।অথচ সংবাদমাধ্যম চাইলে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় এ দেশটিকে পরিবর্তন করতে
পারে।সংবাদ মাধ্যম জনগণকে কর্মে উজ্জ্বীবিত করার পূর্ণ সক্ষমতা রাখে ।
এই দেশের সংবাদ মাধ্যম সেদিন দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণমূলক হবে যেদিন অর্থনীতির ভিত্তি কৃষিকে করবে ব্যানার নিউজ বা প্রধান সংবাদ।দেশীয় সম্পদ ও সংষ্কৃতিকে বাদ দিয়ে বা ভেতরের পাতায় টুকরো খবর হিসেবে প্রকাশ করা সাংবাদিকগোষ্ঠী এ দেশ ও এ জাতির জন্য সাংঘাতিক বিপজ্জনক ও ক্ষতিকর।
দেখেছেন কখনো পত্রিকার প্রথম পাতায় এই জাতীয় সংবাদ?
১।দেশজুড়ে ধানের বাম্পার ফলন
২।সারের দাম কমানোর দাবি কৃষকদের
৩।পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি সময়ের দাবি
৪।ন্যায্যমূল্য দিতেই হবে চাষীদের
৫।দেশ কৃষকের,তাঁকে বাঁচান
অথবা টেলিভিশন চ্যানেলের নানা জাতের বুলেটিন হাইব্রিড বুলেটিনে নিম্নোক্ত সংবাদ সবার আগে দেখেছেন কখনো?
১।কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি দেশের উন্নতি
২।বিনামূল্যে সার সরবরাহের দাবি
৩।ন্যায্যমূল্য কৃষকের প্রাপ্য
৪।দেশী পণ্য কিনতে প্রচারণ
৫।শ্রমিকের মূল্যায়ন সমাজের উন্নতির সমর্থক
ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি
না,এসব সংবাদ আপনি কখনোই পত্রিকার প্রথম পাতায় কিংবা টিভি বুলেটিনের প্রধান সংবাদে দেখবেন না ।জাতীয়তাবোধহীন সাংবাদিক পরিচয়ধারীদের কাছে এসব সংবাদের চেয়ে মালিকা বা মালিকার চামচামিপূর্ণ 'সংবাদ' গুরুত্ত্বপূর্ণ।
কখনো দেখেছেন 'সাংষ্কৃতিক আগ্রাসন'নিয়ে পত্রিকা বা টিভিতে ধারাবাহিক প্রতিবেদন?না দেখবেন না।কারণ অধিকাংশ সাংবাদিক সাপেদের মোবাইল ভরা থাকে হিন্দি গান ও ল্যাপটপ ভরা থাকে হিন্দি চলচ্চিত্রতে।কিভাবে তারা তাদেরর প্রাণের অপসংষ্কৃতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করবেন ?যে বা যারা নিজেরাই ডুবে আছে ভিন্ন দেশের নষ্ট সংষ্কৃতির নর্দমায় তারা কিভাবে দেশে মানুষকে দেশীয় সংষ্কৃতি ধারন করার দীক্ষা দেবে ?
দেশের এইসব সাংবাদিকরা জাতীয়তাবোধ ও দেশপ্রেমসম্পন্ন না হলে দেশের উন্নয়ন অসম্ভব,সত্যিই অসম্ভব।
আমরা ভুলে গিয়েছি-কলম ও ক্যামেরার সম্মিলিত শক্তি নিউক্লিয়ার বোমার চেয়ে অধিক শক্তিশালী।
আর আমাদের দেশের সাংবাদিক নামধারীরা ভুলে গেছেন একদা সংবাদ পত্রকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হতো এবং সাংবাদিকদের বলা হতো জাতির বিবেক।চরম অপ্রিয় সত্য এই যে আমাদের জাতির বিবেকগুলো পরম আনন্দে অবিবেচকের মত দেশ ও জাতিকে অবনতির দিকে ঠেলে নিচ্ছে......
এই দেশের সংবাদ মাধ্যম সেদিন দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণমূলক হবে যেদিন অর্থনীতির ভিত্তি কৃষিকে করবে ব্যানার নিউজ বা প্রধান সংবাদ।দেশীয় সম্পদ ও সংষ্কৃতিকে বাদ দিয়ে বা ভেতরের পাতায় টুকরো খবর হিসেবে প্রকাশ করা সাংবাদিকগোষ্ঠী এ দেশ ও এ জাতির জন্য সাংঘাতিক বিপজ্জনক ও ক্ষতিকর।
দেখেছেন কখনো পত্রিকার প্রথম পাতায় এই জাতীয় সংবাদ?
১।দেশজুড়ে ধানের বাম্পার ফলন
২।সারের দাম কমানোর দাবি কৃষকদের
৩।পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি সময়ের দাবি
৪।ন্যায্যমূল্য দিতেই হবে চাষীদের
৫।দেশ কৃষকের,তাঁকে বাঁচান
অথবা টেলিভিশন চ্যানেলের নানা জাতের বুলেটিন হাইব্রিড বুলেটিনে নিম্নোক্ত সংবাদ সবার আগে দেখেছেন কখনো?
১।কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি দেশের উন্নতি
২।বিনামূল্যে সার সরবরাহের দাবি
৩।ন্যায্যমূল্য কৃষকের প্রাপ্য
৪।দেশী পণ্য কিনতে প্রচারণ
৫।শ্রমিকের মূল্যায়ন সমাজের উন্নতির সমর্থক
ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি
না,এসব সংবাদ আপনি কখনোই পত্রিকার প্রথম পাতায় কিংবা টিভি বুলেটিনের প্রধান সংবাদে দেখবেন না ।জাতীয়তাবোধহীন সাংবাদিক পরিচয়ধারীদের কাছে এসব সংবাদের চেয়ে মালিকা বা মালিকার চামচামিপূর্ণ 'সংবাদ' গুরুত্ত্বপূর্ণ।
কখনো দেখেছেন 'সাংষ্কৃতিক আগ্রাসন'নিয়ে পত্রিকা বা টিভিতে ধারাবাহিক প্রতিবেদন?না দেখবেন না।কারণ অধিকাংশ সাংবাদিক সাপেদের মোবাইল ভরা থাকে হিন্দি গান ও ল্যাপটপ ভরা থাকে হিন্দি চলচ্চিত্রতে।কিভাবে তারা তাদেরর প্রাণের অপসংষ্কৃতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করবেন ?যে বা যারা নিজেরাই ডুবে আছে ভিন্ন দেশের নষ্ট সংষ্কৃতির নর্দমায় তারা কিভাবে দেশে মানুষকে দেশীয় সংষ্কৃতি ধারন করার দীক্ষা দেবে ?
দেশের এইসব সাংবাদিকরা জাতীয়তাবোধ ও দেশপ্রেমসম্পন্ন না হলে দেশের উন্নয়ন অসম্ভব,সত্যিই অসম্ভব।
আমরা ভুলে গিয়েছি-কলম ও ক্যামেরার সম্মিলিত শক্তি নিউক্লিয়ার বোমার চেয়ে অধিক শক্তিশালী।
আর আমাদের দেশের সাংবাদিক নামধারীরা ভুলে গেছেন একদা সংবাদ পত্রকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হতো এবং সাংবাদিকদের বলা হতো জাতির বিবেক।চরম অপ্রিয় সত্য এই যে আমাদের জাতির বিবেকগুলো পরম আনন্দে অবিবেচকের মত দেশ ও জাতিকে অবনতির দিকে ঠেলে নিচ্ছে......
