সর্বশেষ

আজাজীলের পরিবহনে


রাত্র যতোই হোক কিংবা দিবসের অবেলা
প্রভু তোমার মানবী আর মানবেরা
মজিয়াছে কত্তরকম যে অনাচারে, বিচিত্র অজুহাতে
অন্যের ক্ষতি করিয়াও তৃপ্তি পায় কেহ কেহ
শরবত বানাইয়া খায় সততারে,আর গলায় পরিয়া রয় ঝলমলে মিথ্যার মালা
খ্যাড়ের পালায় আগুন দিয়া বিড়ি ধরায়
পুড়িয়া যায় আশ্রয়, আশা, ভরসা ও ভালবাসা !


ইবলিশও লজ্জা পায়,নিশ্চিত, এইসব পাইকারী দরের ব্যভিচার দেখিয়া
ডজনখানেক বদলিয়েও অস্থির হালের নামকরা প্রেমিক ও প্রেমিকা-নয়া আরো জনা কয়েকের অপেক্ষায়
স্বামীর পার্শ্বে বসিয়া নিরিবিলি বিনম্র স্ত্রীটি খেলা করিতেছে পরের পুরুষে
মনে মনে হাঁটিতেছে হাতিরঝিলে, হস্তে রাখিয়া হস্ত-লালবাগে, রমনায়,সাবেক চন্দ্রিমায় গা ঘেঁষিয়া পরস্পরকে লুটিতেছে
আহারে বর! বেচারা বিশ্বাসে তালা মারিয়া কি ঠকাটাই ঠকিতেছে
নাক ডাকিয়া ঘুমাইয়া থাকিয়া!
প্রভু, এ কোন জগতে আনিলা? ঘুম ভাঙিলেও ব্যাটা বুঝিবেনা । শুনিবে,
এই চা করে দেবো? আজ যেন দেরি না হয় ফিরতে!
আহা!ঐসবের অজান্তে কি মিষ্টি তাহার বউয়ের দরদী কন্ঠ!

আর এই দিকে বউ রাঁধিতেছে ভাত আর কদুর ঝোল, মুরগীর হৃত্‍পিন্ড
পাশে দাঁড়াইয়া শালা ফাজিল খাইতাছে ফ্রাইড রাইস নিম্নজাত কোন রেস্টুরেন্টে
কার যেন গার্লফ্রেন্ড কিংবা পরের তরতাজা একটা বউয়ের সাথে,
তারপর খুঁজিতেছে কোন লিটন কিংবা লিটনীরে
বকুল ফুল বকুল ফুল, শুনিতে কি দারুন!
আজাজীলের বসনহীন পরিবহনে চড়িয়া
হে প্রভু,তোমার মানব আর মানবী যাইতাছে
প্রমদ ভ্রমণে-বাংলাদেশে; ঘরের মধ্যে বাস করিয়া ঘর ভাঙিতেছে,
তছনছ করিতেছে পরের বিশ্বাস,আস্থা,কথা দেয়া
নৈতিকতার মুখের উপরে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখাইয়া
লোকলজ্জা ঝাড়িয়া কাশিয়া এই সমস্ত তাহারা সত্‍ ও সতী মানুষের গ্রীল খাইতাছে আড়ালে
আজাজীলের ভ্যাঁপসা আরামদায়ক পরিবহনে বসিয়া ।
পাঠ অনুভূতি