সর্বশেষ

মার্চ আসে স্বাধীনতার ধ্বনি নিয়ে


মার্চ আসে কামানের ধ্বনি নিয়ে প্রলয়ের ছন্দে
বিজয়ের বীণ বাজে জনতার রন্ধ্রে
সবুজচোষা পিশাচ তাড়ানোর মন্ত্রে
সাঁজোয়ার সামনে বুক পেতে স্বাধীনতা আনতে
কামানের ধ্বনিতে বাংলার প্রান্তরে; মার্চ যদি জানতে।


মার্চ আসে ঔপনিবেশিক দাসত্ত্বের শৃঙ্খল ভেঙে দিতে,
দেশ, জাত, মাটি, মানুষ ও সংস্কৃতি রক্ষায় মার্চ আসে
রাত জাগা গেরিলাদের বুকে একঝাঁক অবিরাম আশা দিয়ে
আগুন ও বারুদ বোঝাই মার্চ আসে কৃষকের দুয়ারে।

মার্চ আসে রাজাকার-দালাল-তাঁবেদারের বুকে শ্রমিকের পদচিহ্ন এঁকে দিতে
ফিরিয়ে দিতে সাধারণের দারুন নে সূর্য, ইচ্ছেমত কথা বলা ও জীবনের অর্থ
মার্চ আসে লুকিয়ে থাকা শত্রুদের কপালে আসামীর দাগ দিতে
মার্চ আসে এক ঝাঁক বুলেট আর একটি শান্তির পায়রা নিয়ে
ধান খেতে আর পাট জাগ দেয়া কাদাজলে।

মার্চ আসে উদ্যম স্বাধীনতার অদম্য কামনা নিয়ে
মার্চ শেখায় বেঁচে থাকা, শোষককে ছুঁড়ে ফেলা লাঙলের ফলা দিয়ে
মার্চ ঐক্যের ডাক দেয় বঞ্চিতের ঘরে ঘরে
একসাথে এক হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া জাতীয় স্বার্থে
এই বাণী প্রতি বুকে গেঁথে রবে, শিকড়ের সন্ধানে
মার্চ আসে জীবনের সুর বাজিয়ে, প্রাণে ও গানে
মার্চ আসে, মার্চ ভাসে, মার্চ বলে সব কিছু করা যায় মানুষেরে ভালবেসে।

১ মার্চ, ২০১৪। (১ মার্চ ২০১৭ সামান্য সম্পাদিত)
পাঠ অনুভূতি