আমি হলিউডের একটি আবর্জনা দেখেছি ও মার্কিন ধোঁকা
সিনেমার নাম A Good Day To Die Hard এবং পরিচালক জন মূর।অভিনয় করেছে ব্রুস উইলস ও অন্যান্য।
সিনেমা দিয়ে আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদকে জায়েজ করা আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতির একটি বিশেষ দিক।ভাবছেন.আরে এই ছেলে কি সব কথা বলে?সিনেমা তো সিনেমা!
না,সিনেমা কখনোই শুধু সিনেমা ছিলনা,নেই।হলিউডের প্রায় ছবিতে দেখবেন পৃথিবীতে বড় মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসে।তা নিয়ে সর্বপ্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্টের টেনশন বেড়ে যায়।মানবতার কল্যাণে(!)তখন ত্রাতার ভূমিকায় মার্কিন সেনাবাহিনী চলে আসে।আহ!কি চমত্কার!
আবার অনেক সিনেমায় দেখা যায় অন্যদেশের সাধারণ জনতার প্রতি দরদ উথলে ওঠার কারণে সেদেশে মার্কিন বাহিনীর সফল আগ্রাসন এবং এর ফলে সেদেশে শান্তির আগমন,হাহাহা!কিংবা অন্যদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ভেঙে FBIবা CIA এর দুর্ধষ আমেরিকানরা গোপন ফাইল বা লোক উদ্ধার করছে।চলচ্চিত্রে এসব দেখিয়ে মনস্তাত্ত্বিকভাবে আপনাকে মার্কিন সাম্রাজ্যের ক্ষমতার প্রতি অবনত করা হচ্ছে।আমাদের মনোজগতে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীরা উপনিবেশ গড়ছে।
ঐ সিনেমাটিও এই জাতীয় অপপ্রচার। রাশিয়ায় ঢুকে সিআইএ এজেন্ট অপারেশ করছে,গুলি করছে,রাশিয়ানদের মারছে অথচ একটিবারের জন্যও রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে দেখানো হয়না এগুলোর প্রতিবাদে তারাও নেমেছে।কিংবা সিনেমায় রাশিয়ার দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা বাহিনী KGB এর ও কোন উপস্থিতি নেই।পরিচালকের কৃতিত্বে ব্রুস ও তার ছেলেকে বাঁচিয়ে আনা হয় এবং তারা দুইজনে মস্কোতে বসে শত শত রাশিয়ানদের মেরে ছাফ করে এবং এসময় রাশিয়ার সেনাবাহিনী সম্ভবত ক্যান্টনমেন্টে বসে ললিপপ খাচ্ছিল।আমেরিকান এসব প্রপাগান্ডার দিন শেষ !
1 march, 2014
সিনেমার নাম A Good Day To Die Hard এবং পরিচালক জন মূর।অভিনয় করেছে ব্রুস উইলস ও অন্যান্য।
সিনেমা দিয়ে আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদকে জায়েজ করা আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতির একটি বিশেষ দিক।ভাবছেন.আরে এই ছেলে কি সব কথা বলে?সিনেমা তো সিনেমা!
না,সিনেমা কখনোই শুধু সিনেমা ছিলনা,নেই।হলিউডের প্রায় ছবিতে দেখবেন পৃথিবীতে বড় মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসে।তা নিয়ে সর্বপ্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্টের টেনশন বেড়ে যায়।মানবতার কল্যাণে(!)তখন ত্রাতার ভূমিকায় মার্কিন সেনাবাহিনী চলে আসে।আহ!কি চমত্কার!
আবার অনেক সিনেমায় দেখা যায় অন্যদেশের সাধারণ জনতার প্রতি দরদ উথলে ওঠার কারণে সেদেশে মার্কিন বাহিনীর সফল আগ্রাসন এবং এর ফলে সেদেশে শান্তির আগমন,হাহাহা!কিংবা অন্যদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ভেঙে FBIবা CIA এর দুর্ধষ আমেরিকানরা গোপন ফাইল বা লোক উদ্ধার করছে।চলচ্চিত্রে এসব দেখিয়ে মনস্তাত্ত্বিকভাবে আপনাকে মার্কিন সাম্রাজ্যের ক্ষমতার প্রতি অবনত করা হচ্ছে।আমাদের মনোজগতে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীরা উপনিবেশ গড়ছে।
ঐ সিনেমাটিও এই জাতীয় অপপ্রচার। রাশিয়ায় ঢুকে সিআইএ এজেন্ট অপারেশ করছে,গুলি করছে,রাশিয়ানদের মারছে অথচ একটিবারের জন্যও রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে দেখানো হয়না এগুলোর প্রতিবাদে তারাও নেমেছে।কিংবা সিনেমায় রাশিয়ার দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা বাহিনী KGB এর ও কোন উপস্থিতি নেই।পরিচালকের কৃতিত্বে ব্রুস ও তার ছেলেকে বাঁচিয়ে আনা হয় এবং তারা দুইজনে মস্কোতে বসে শত শত রাশিয়ানদের মেরে ছাফ করে এবং এসময় রাশিয়ার সেনাবাহিনী সম্ভবত ক্যান্টনমেন্টে বসে ললিপপ খাচ্ছিল।আমেরিকান এসব প্রপাগান্ডার দিন শেষ !
1 march, 2014

