পশ্চিমা অপসাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের অন্যতম সমর্থক Daniel Learner তার Communication and Change in the Developing countries বইয়ে আমাদের অর্থনীতি ও সংষ্কৃতি ধ্বংসের নীল নকশাটি লিখেছেন এভাবে, 'The process of modernization begins when 'something'(of America and Europe) stimulates the peasant to want to be a freeholding farmer, the farmer's son to want to learn reading so that he can work in the town, the farmers' wife to stop bearing children, the farmer's daughter to want to wear a dress and do her hair.''(Lerner,1958,p.348)
ঠিক এইভাবে ৫০ এর দশকে ওরা এজেন্ডা সেট করেছিল আমাদের কৃষি কেন্দ্রিক স্বনির্ভর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে ওদের প্রযুক্তি নির্ভর রক্তচোষা শিল্পব্যবস্থায় ঢুকতে, আমাদের সংষ্কৃতি ও প্রথাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ফালতু নগরায়নে প্রবেশ করতে। আমরা সে ফাঁদে পা না, মাথা দিয়েছি। তাই উত্পাদ ব্যবস্থা সচল রাখা কৃষক না খেয়ে মরে আর পশ্চিমের সেবাদাস শিক্ষিত মূর্খরা খেয়ে খেয়ে ভুড়ি নামায়। এপোলো আর স্কয়ার তৈরি হয়। বসুন্ধরা হয়। সেখানে কৃষক ও শ্রমিকের প্রবেশ নিষেধ। পশ্চিমের কলমনির্ভর চাকর না হলে কেউ মডার্ন হয়না। তাই প্রান্তিক কৃষকের ফসলের ন্যায্য দাম না পেলেও শিল্পায়ন ঘটে, নগরায়ন ঘটে। মানুষ পরিণত হয় যন্ত্রে,স্ বাধীনতা পরিণত হয় পশ্চিমের দাসত্ত্বে। দাসগিরি করে কথায় বার্তায়, পোশাকে, খাওয়ায়।
