করোনা ভাইরাস কি আল্লাহর গজব? একটু ভিন্ন ভাবনা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
করোনা ভাইরাসকে (কোভিড-১৯) গজব হিসেবে পাঠ করছে যারা তাদের নাকচ করতে পারেন কোনভাবে? সম্ভব না। গজব বা স্রষ্টার শাস্তি সব সময় সামষ্টিকই হয়। চীনের মানুষের খাদ্যাভ্যাস খুবই জঘন্য। আবার চীনারা যে উইঘুরদের উপর অত্যাচার করছে অমানবিকভাবে এটাও সত্য। সর্বশেষ কোরআন সংস্কারের মত মহাধৃষ্টতা এই চীনারাই করতে চেয়েছে। আবার দুনিয়ায় চীন ছাড়া কোনো পণ্য হয়না এমন একটি গণধারণা তৈরি হচ্ছিল। নির্লজ্জের মত শি চিন পিং রোহিঙ্গাদের খুন করে তাড়িয়ে দেয় যে বর্মীরা, তাদের পাশে ছিলো, রোহিঙ্গাদের ঘরপোড়া ভিটেমাটিতে কারখানা বানাতেছিলো। পরাশক্তি আমেরিকার বাণিজ্যযুদ্ধও তাদের কাবু করতে পারেনি। এভাবে বিশ্বায়নের কাঁধে বন্দুক রেখে সব জাতির উপর কর্তৃত্ব করতে চাওয়া এক অনন্য দাম্ভিক চীনকে আমরা পাই। এসব কারণে চীনের দম্ভ চূর্ণ করার একটি প্রাকৃতিক বিচার দরকার ছিলো। যারা গজবতত্ত্বে বিশ্বাসী তাদের পাঠ ঠিক এইসব কারণে।
চীনসহ মানবজাতির বড় অংশ সীমালঙ্ঘন করেছিল বা সীমালঙ্ঘনকারীদের নীরবে সমর্থন করেছিলো। আর মানুষ তার আচরণের জন্য নির্ধারিত মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে মহান আল্লাহ লাগাম টেনে ধরেন---সে জিব্রাইলের ডানা দিয়ে হোক কিংবা ভূকম্পন দিয়ে হোক বা প্লেগ দিয়ে হোক অথবা আধুনিক ভাইরাস দিয়ে হোক! বেয়াদব ও সীমালঙ্ঘনকারীকে মহান স্রষ্টা তার দয়ার ছায়া থেকে বিতাড়িত করেন। আমরা---মানুষ; কী পরিমাণ বেয়াদবী ও সীমালঙ্ঘন করছি সামষ্টিকভাবে তা নিয়ে ভেবেছি আমরা?
অতীতেও দেখবেন মিশরে প্লেগ আসে মূলত তৎকালীন শাসক বা ফিরাউন কর্তৃক সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে মূসা নবী(আ) এর অনুসারী মজলুম (এখন ইহুদীরা সবচেয়ে বড় জালিম) ইহুদী জাতির উপর অত্যাচার করায়। ইয়াজুজ-মাজুজ যখন পৃথিবীতে অনাচার-অবিচার করতেই থাকবে তখনো এমন কোনো কিছু দিয়ে এদের বিনাশ করা হবে বলে ইব্রাহীমিয় তিনটি ধর্মে উল্লেখ রয়েছে।
এখন আপনার প্রশ্ন জাগতে পারে, সবাই তো অত্যাচারী না, সবাই তো কোন না কোনভাবে আক্রান্ত হতে পারে। এর ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা হতে পারে, এই যে দুনিয়ায় অনাচার-অবিচার, মজলুমের উপর আক্রমণ, ভূমি লুট, প্রাণী হত্যা, জঘন্য ব্যভিচার-সমকামীতা, সুদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি এসবের প্রতি আমাদের সবার বিশ্বাসের যে নিম্নস্তর 'মনে মনে প্রতিবাদ করা' তাও কী ছিলো? ছিলোনা নিশ্চিত।
রোহিঙ্গা, কাশ্মীরী, উইঘুর, বেলুচ, সিরিয়ান, ইরাকী, ক্রিমিয়ান, আফ্রিকান, আফগান, ইউক্রেনিয়ান, ইয়েমেনী, ফিলিস্তিনীদের উপর জালিম শোষকদের আগ্রাসন, হত্যাযজ্ঞ, বোমাবাজির বিরুদ্ধে যার যার সক্ষমতা অনুযায়ী আমরা প্রতিবাদ করেছি? দুনিয়ার এক পাশে মানুষ বোমার ভয়ে নির্ঘুম, আরেক পাশে পার্টি-আমোদ-ফূর্তি! সেই পার্টি-ফূর্তিতে আবার অন্যান্য প্রাণী হত্যা করে দেদারছে ভোগে মত্ত থাকে মানুষ নামের অমানুষরা।
সমাজে অশ্লীলতা, ব্যভিচার, বেহায়াবৃত্তি, সমকামীতাকে আমরা অপরাধ বলে আর ভাবছিই না। বরং মূল্যবোধের অবক্ষয় এত নিম্ন পর্যায়ে এসে ঠেকেছে যে, নির্বিচারে ব্যভিচার এখানে স্বাভাবিক, সেটি করে মিডিয়ায় বা বাস্তবে ব্যভিচারীরা বুক ফুলিয়ে বলে বেড়াচ্ছে। পর্ণগ্রাফির মত অমানবিক অশ্লীলতার মাধ্যমে মায়ের জাতিকে ভোগ্যপণ্য করা হচ্ছে, সেটিকে নির্লজ্জের মত ইন্ডাস্ট্রি বলা হচ্ছে এবং পর্ন সাইট বন্ধ করলে অনেক পাপিষ্ট ও পাপিষ্টা গোস্বা করছে মানবাধিকারের নাম দিয়ে।
সমকামীতার মত যৌনবিকৃতি, যার কারণে আদ ও সামূদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে, তাকে চিকিৎসা না করিয়ে স্বাভাবিক বলে রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে।
ডারউইনের গাঁজাখুরি শয়তানী গালগল্প যা 'ইউজেনিক্স বা উঁচু জাত ধারণা ও শক্তিশালীর টিকে থাকার' মত আধিপত্যবাদী জালেম মতবাদ তাকে চর্চা ও পাঠ্য করা হচ্ছে। এ মতকে ব্যবহার করেই ইইরোপ ও আমেরিকা এবং অন্যান্য কথিত পরাশক্তি অন্যের দেশ, ভূমি, সংস্কৃতি ও সম্পদ দখল ও লোপাট করছে।
গোটা দুনিয়ার মানুষের সম্পদ লোপাট করে যে ১% মানুষ ভোগ করছিলো তাদের শায়েস্তা কে করবে? ধনীর সম্পদে গরীবের যে অধিকার তা গরীবকে বুঝিয়ে না দিলে বিচার কে করবে? যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী তিনি তার নিয়মেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ভারসাম্যপূর্ণ পৃথিবীতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের অবকাশ শেষ হলে পাকড়াও করা শুরু করেন। মানুষের বানানো মেকী রেজুলেশন/নিয়ম/রীতি সেখানে কার্যকর নয়। অন্য প্রানীজগৎ, উদ্ভিদ,অণুজীবসহ গোটা পৃথিবী ও প্রকৃতির প্রতি মানুষের সীমাহীন অবিচার-অত্যাচারের পরিণতি তাই গজব আকারেই যুগে যুগে এসেছে৷ এমন কী আজকের বিজ্ঞানও বলছে, পৃথিবীকে অশান্ত করে তুলছে লোভী মানুষ। কপ বা গ্রেটার ফ্রাইডে ফর ফিউচার সেই অশান্ত পৃথিবীর আর্তনাদের কারণেই তৈরি।
নিজের ভোগের জন্য, লোভের জন্য মানুষ এমন কোনো একটি প্রাণী বা উদ্ভিদ বা অণুজীবকে কষ্ট দেয়নি, তার বাসস্থান ধ্বংস করেনি, তার বংশবিস্তার থামিয়ে দেয়নি, তাকে হত্যা করেনি এ নজির কেউ দেখাতে পারবেন? যদি না পারেন তবে নিশ্চিত থাকেন, আমরাই স্রষ্টাকে ক্রুদ্ধ করেছি। বিগত ১০০ বছরে কচুর সর্বগ্রাসী মুনাফালোভী শিল্পায়ন, বিশ্বায়ন ও আধুনিকায়নের নামে বর্বরভাবে পৃথিবীর ৬০-৭০ ভাগ জীববৈচিত্র্য মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ধ্বংস করেছে। মানুষের সাময়িক খায়েশ/লোভ/লাভ/মুনাফার জন্য যা প্রয়োজন হয়নি তাকেই পুঁজিবাদী নিকৃষ্ট মানুষ 'অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর' ঘোষণা করে বিনাশ বা বিপন্ন করেছে। এতসব প্রাণ হত্যার দায় তাকে ভোগ করতে হবেনা? মানুষ অন্যান্য সৃষ্টির মতই একটি সৃষ্টি। তাকে জ্ঞান-বুদ্ধি দেয়া হয়েছে এ পৃথিবীতে সাম্য ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে সব প্রাণী, উদ্ভিদ ও অনুজীবের ভারসাম্যপূর্ণ সহবস্থান নিশ্চিত করতে। অথচ সে কেবল নিজের লোভ, লালসা, স্বপ্ন পূরণে পৃথিবীকে ক্ষতবিক্ষত করে চলেছে। এবার এসব অজাচার-অনাচারের সামষ্টিক জবাবদিহির সময় চলে আসলো কি তবে?
সুদ, যার সর্বনিম্ন পাপ নিজের জন্মদাত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করা এবং যাকে আল্লাহ নিজে নিষিদ্ধ করেছেন তা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে নানা নামে, রূপে ঢুকে পড়েছে। সুদকে ইন্টারেস্ট, মুনাফা, লাভ, প্রফিট নানা নামে বৈধ করা হয়েছে। অথচ হারাম খাদ্য শরীরে গেলে ইবাদত কবুল হয়না।
মানুষের আল্লাহ বা স্রষ্টা বা প্রতিপালক ঈশ্বর বা খোদার প্রতি ভীতি নাই, বা হ্রাস পাচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুনাফার লোভে, ব্যবসার লোভে, শিল্পের লালসায় আমাজনের মত বন পুড়িয়ে কোটি কোটি অবলা প্রাণ হত্যা করা হচ্ছে।
তো, এ পৃথিবী কেবল মানুষের? কে দিয়েছে মানুষকে পৃথিবীর অন্য সব প্রাণীর বসবাসস্থল ধ্বংস করার একচ্ছত্র অধিকার? অন্য সকল প্রানী তা ধানখেতের উপকারী পতঙ্গ থেকে রাস্তার কুকুর, কিংবা সাপ-ব্যাঙ-গুইসাপ; পাখি-মাছ-বাঘ-ভল্লুক-শূকর-কচ্ছপ-গরু-মুরগী; গাছপালা-গুল্ম-ঘাস-লতাপাতা, স্থল-জল-সমুদ্রের প্রাণ, বড়-ছোট-ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক অণুজীব সকলের এই পৃথিবী। পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রকে সচল রাখতে এদের সকলের ভূমিকা রয়েছে। অথচ লোভী মানুষ নিজের রিপুর ও উদরের নষ্ট সর্বগ্রাসী ভোগের তাড়নায় সবার সহঅবস্থানকে ধ্বংস করেছে। নিজের স্বার্থে মাটি, পানি ও বাতাসকে দূষিত করেছে। এখন এইসব মজলুমের ফরিয়াদকে স্রষ্টা কীভাবে রাখবেন?
মানুষ এ পৃথিবীর অন্য মজলুম মানুষ ও অবলা প্রাণের প্রতি প্রতিনিয়ত জুলুম করেছে। সীমাহীন লোভের কারণে কল কারখানা করতে প্রকৃতি ধ্বংস করা হয়েছে; প্লাস্টিক, সার ও অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে জল ও স্থলের অন্যান্য অনুজীব ও প্রাণীদের বংশবিস্তারকে নষ্ট করা হয়েছে, আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়েছে গাছপালা,কীটপতঙ্গ, প্রানীকুল।
সম্পদের অসম বণ্টন সব দেশে, সব জাতিতে। গুটিকয়েক বাটপারের হাতে সম্পদ ও ক্ষমতা কুক্ষিগত রয়েছে। এরা কোটি মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করছে। এ নিয়ে সাধারন মানুষের প্রতিবাদ নাই, নীরবে ঘৃণাও যেন উঠে গেছে সমাজ থেকে। সবচেয়ে বড় দুষ্কৃতকারী, সুদখোর, দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, পণ্যে ভেজাল প্রদানকারী, অযোগ্যদের নিয়োগ প্রদানকারী খেয়ানতকারী, ভূমিদস্যু, মিথ্যাবাদী রাজনৈতিক নেতা, খুনী, ধর্ম ব্যবসায়ী ভোগবাদী মোল্লা, অশ্লীল গায়ক-গায়িকা-নর্তক-নর্তকী, ব্যভিচারী সেলেব্রেটি পৃথিবীতে এখন সম্মানিত। এসব অপরাধীদের পক্ষে বেহায়ার মতো ওকালতিও চলে এ সমাজে প্রকাশ্যে। অথচ এক সময় সমাজে এসব অপরাধীদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ছিলনা। সকলেই অন্তত এদের পছন্দ করেনা তা বলতো। এই যে সামগ্রিকভাবে মানবজাতির মূল্যবোধের অবক্ষয় ও নৈতিক অধঃপতন, এটিই গজবকে ত্বরান্বিত করেছে। সীমালঙ্ঘন করলে মহান প্রভু নানাভাবে শাস্তি দিয়ে থাকেন।
আমাদের সীমাবদ্ধতা এতোটাই ভয়াবহ যে, আমরা নিজেদের সর্বগ্রাসী মানসিকতাকে দোষারোপ এখনো করছিনা, বরং বিশ্বাসীদের উপহাস করছি, যারা উপহাস করছে তাদের প্রতিবাদও করছিনা।
যেভাবে নির্বিচারে প্রাণী হত্যা করা হচ্ছে কেবল আমাদের উদরপূর্তির জন্য তা দুনিয়াতে আগে কখনোই হয়নি। স্রষ্টার দেয়া মৌলিক নিয়ামত আদিজাতের ফসল ও গাছগুলোকে জেনেটিক্যালি মোডিফাই করে বিকৃত করা হচ্ছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হচ্ছে। গর্ভপাত করে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে, আবার এই হত্যাকারীরাই ব্যবসা ও লোভ-লালসার কারণে জোরপূর্বক দ্রুত বাচ্চা প্রদান করতে বাধ্য করছে অন্যান্য প্রাণীদের। গরীব না খেয়ে মরলেও ধনী ও স্বচ্ছলরা সেদিকে মুখ ফিরে চায়নি। প্রতিবেশি না খেয়ে থাকে, লোক দেখানো দান-খয়রাতও লোপাটের পর আসে, অসুস্থকে, বস্ত্রহীনকে কেউ সেবা ও বস্ত্র দেয়না।
এভাবে দুনিয়ায় ধনী-গরীবের বৈষম্যও এতোটা আগে ছিলোনা। পৃথিবীর কোথাও ন্যায়বিচার নাই। বিচারের জন্য, পৃথিবীতে সাম্যের জন্য, মানুষের খাই খাই স্বভাব আর দাম্ভিকতা চূর্ণ করার জন্য এ ধরনের মহামারী যুগেযুগে এসেছে।
আগে ইতিহাসগ্রন্থ ছিলোনা, মিডিয়া ছিলোনা, টেলিভিশন, ফেসবুক ছিলোনা। ধর্মগ্রন্থ ছিলো এবং সে সব ধর্মগ্রন্থই মানুষের সীমালঙ্ঘনের সামষ্টিক শাস্তির ব্যাপারে আমাদের জানাচ্ছে। পাপ-পূন্যের হিসেব হবে হাশরের ময়দানে কিন্তু আমাদের যার যার জায়গা থেকে জুলুম, অবিচার, অসাম্য, অমানবিকতার কতটুকু প্রতিবাদ আমরা করি? করেছি?
ধর্মকর্মের অভ্যাস এখনো করতে পারিনি, সে আমার পাপ; কিন্তু আমি বিশ্বাসী। আমি বিশ্বাস করি, এ দুনিয়ার অধিকাংশ মহামারী, দুর্যোগ মানুষের কর্মের পরিণতি। করোনা আমাদেরই সামষ্টিক পাপ ও অবিচারের ফসল। যার যার জায়গা থেকে সামষ্টিক ক্ষমাপ্রার্থনা তাই এই সময়ের দাবি। চলুন ক্ষমা চাই, মানুষ হই আর অনাচার-অজাচার-অবিচার-অত্যাচার-দুর্নীতি-সুদ-ঘুষ-আগ্রাসন-খুন-বন উজাড়-সার ও বিষ ব্যবহার-ব্যভিচারকে সমস্বরে না বলি আর নিচের নির্দেশনা পালন করি-
'’জমিনের কোথাও মহামারী দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান করলে সে জায়গা ছেড়ে চলে এসো না। আবার কোনো এলাকায় মহামারী দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে, সে জায়গায় গমন করো না।’ (তিরমিজির ১০৬৫ নং হাদিস )।
মহান আল্লাহ আমাদের উত্তম অনুধাবনসক্ষম করুন এবং করোনা ভাইরাস থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করুন। আমিন।
#ভিন্নভাবনা #করোনা #ভাইরাস
#CoronaVirus #WrathOfGod #NaturalJustice #Covid19 #PandemicCorona #CoronaPandemic
0 Comments