চট্রগ্রামের পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানমকে(৪০) যারা হত্যা করেছে এরা মানবতার শত্রু। এরা কোন মানুষের জাত হতে পারেনা। একজন নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা পৃথিবীর সমগ্র মানুষকে হত্যা করার সমান। কি দোষ করেছিল ঐ
নারী? তার স্বামীর প্রতি যে ক্ষোভ তা পৃথিবীর কোন ইতিহাসে, কোন দলিলে, কোন ধর্মে তার স্ত্রীর উপর উঠানো যায়?যে সন্ত্রাসীরা এহেন মহাঅন্যায়, মহাসন্ত্রাসযজ্ঞ করেছে তাদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে।এরা পৃথিবীর ক্যান্সার। এদের বন্ধু হতে পারে কেবল
জায়োনিস্ট টেররিস্টরা যারা নিরপরাধা ফিলিস্তিনীদের ধরে ধরে হত্যা করে।বাংলাদেশে এমন কোন পরিস্থিতি আসেনি যে এভাবে মানুষ হত্যা করে এক পক্ষের সমর্থন পাবে টেররিস্টরা।।বাংলাদেশের কৃষক থেকে অধ্যাপক, ছাত্র-রাজনীতিক, আমলা-মাওলানা কেউই এই বর্বর হত্যাকান্ডকে সমর্থন করেনা। এদেশে এমন অসভ্য, জঘন্য, বর্বর, আল্লাহ ও রাসূলবিদ্বেষী কর্মকান্ড চলবেনা। আমরা সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবো। আমাদের সবার গেীরব, আমাদের শান্তির ধর্মকে ব্যবহার করে কোন অসুস্থ গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে আমরা দেবোনা। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের এই অসুস্থ পাশবিক প্রানীদের এতোটা গুরুত্ত্ব দিয়ে নিউজে কাভারেজ দেয়া বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ এরা যত জনগনের কাছে পরিচিত হবে ততো এরা মানুষকে সহজে উস্কানী দিতে পারবে। তাই আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর গোপনে এদের আস্তানা, এদের পৃষ্ঠপোষক, এদেরে মাস্টারমাইন্ডদের বের করার সুযোগ দিতে হবে। তারপর নিউজ কাভারেজ দিতে হবে। কারণ এরা এখন হণ্যে। বাংলাদেশকে ওদের হতে দেয়ো যাবেনা। সবার ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কারণ সাম্রাজ্যবাদীরা ওদের কাঁধে পা দিয়ে একটি দেশে বোমা ফেলে। আমাদের ,শ্যাম-সবুজ বাংলাদেশে আমরা “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” নামের সন্ত্রাসী প্রকল্প আনতে দিতে পারিনা।
আর যদি এ ঘটনায় অন্য কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা ধর্মের কেউ জড়িত থাকে তবে তাকে বা তাদেরও কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে। কারণ এই ধরনের খুন জাতি হিসেবে আমাদের আক্রান্ত করছে এবং রাষ্ট্রকে বিশ্বের কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে।
আর যদি এ ঘটনায় অন্য কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা ধর্মের কেউ জড়িত থাকে তবে তাকে বা তাদেরও কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে। কারণ এই ধরনের খুন জাতি হিসেবে আমাদের আক্রান্ত করছে এবং রাষ্ট্রকে বিশ্বের কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে।
২।
এই ঘটনায় ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে যারা রাজনৈতিক ফায়দা লুটে থাকে, যারা জায়োনিস্টদের
ওয়ার অন টেররিজমের বিশ্ব প্রডাক্ট তারা জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। কিন্তু
এই জঘন্য কুকর্ম কিছুতেই ইসলাম সমর্থন করেনা। ইসলাম শান্তির ধর্ম। এখানে অশান্তি ও
বিসৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কোন স্থান নেই। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরানের সুরা মায়িদার ৩২
নং আয়াতে বলেছেন,
যে ব্যক্তি অন্য কেউকে বিনা কারণে হত্যা করে সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা
করে, আর যে ব্যক্তি কারো জীবন রক্ষা করে সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করে।
এমন শান্তিপূর্ণ বানী যে ধর্মে রয়েছে সে ধর্মকে ব্যবহার করে যারা এমন বর্বর হত্যাকান্ড
ঘটায় তারা জালিম, তারা খুনী, তারা মুসলমান পরিচয় দিতে পারেনা। মহানবী স এর ৬৩ বছরের
জীবনে এসব খুনীরা একটি দলিল দেখাক যেখানে এমন পৈচাশিক গুপ্তহত্যার বৈধতা দেয়া হয়েছে।
একজন মুসলিম কে হত্যা করে ঐ সন্ত্রাসীরা সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করলো। আল্লাহ এই জুলুমের
বিচার করবেন।মাহমুদা নিরপরাধ।তার স্বামীও এমন কিছু করেনি যার কারণে তাকে হত্যা করতে হবে । বাংলাদেশ কারো তাকফির আর ফতোয়াবাজির স্টেডিয়াম না।তাদের সন্তান তো আরো নিষ্পাপ ও নিরপরাধ। তাকে ইয়াতিম করা জালেমরা ধর্মের ছায়াতলে স্থান পাবে বলে ভাবে কিভাবেে? কোনক্রমেই এই এই খুনকে জাস্টিফাইড করার উপায় নেই। এটা সিরিয়া ইরাক নয়। এখানে যাচ্ছেতাই করে নিস্তার পাওয়া যাবেনা। কোন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম এই দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ মেনে নেবেনা।আমরা ইসরাঈল, আমেরিকা, দায়েশ, আল কায়েদা এই অক্ষের এক ব্লকের রাজনীতি সম্পর্কে ভালভাবে জানি হে , ধর্মকে কলঙ্কিত করা পাপীর দল,হে war on terror এর নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানী সরবরাহকারীর দল।
মধ্যপ্রাচ্যের শিয়া-সুন্নী দ্বন্দ্ব এদেশে বাঁধাতে ব্যর্থ হয়ে প্রথমে হিন্দু-মুসলিম-খ্রীষ্টান-বেীদ্ধ দ্বন্দ্ব অত:পর এখন সরকারী কর্মকর্তাদের পরিবারের উপর এই বর্বর হামলা!উফ! কি নির্মম। আল্লাহ কিছুতেই নিষ্পাপ মানুষ হত্যা করা এসব পাপীষ্ঠদের ক্ষমা করবেননা বলে আমার বিশ্বাস। আল্লাহ, তুমি এমন নিরপরাধী নারীকে হত্যাকারী খুনীদের বিচার করো।
৩।
![]() |
| যে বর্বরদের হাতে এমন নিষ্পাপ এক মা খুন হতে পারে তাদের কোন আদর্শ নেই। তাদের উপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক।ছবি/ইন্টারনেট। |
মধ্যপ্রাচ্যের শিয়া-সুন্নী দ্বন্দ্ব এদেশে বাঁধাতে ব্যর্থ হয়ে প্রথমে হিন্দু-মুসলিম-খ্রীষ্টান-বেীদ্ধ দ্বন্দ্ব অত:পর এখন সরকারী কর্মকর্তাদের পরিবারের উপর এই বর্বর হামলা!উফ! কি নির্মম। আল্লাহ কিছুতেই নিষ্পাপ মানুষ হত্যা করা এসব পাপীষ্ঠদের ক্ষমা করবেননা বলে আমার বিশ্বাস। আল্লাহ, তুমি এমন নিরপরাধী নারীকে হত্যাকারী খুনীদের বিচার করো।
৩।
এই ঘটনায় ইহুদী নারী রিটার বদেীলতে ইসরাঈলপন্থী দায়েশ তথা আইএস স্বীকারক্তি দেবে এটা
ধরে নেয়া যায়। এটাকে মিডিয়া যেন গুরুত্ত্ব না দিয়ে প্রকাশ করে সন্ত্রাসীরা গ্রেফতারের
আগে। কারণ এদেশে আইএস আছে এটা প্রমাণ করে এখানে আগ্রাসন চালানোর পাঁয়তারা করছে পশ্চিমারা।
তাদের সে সুযোগ দেয়া যাবেনা। আইএসকে মিডিয়া কাভারেজ দিলে এদেশে তাদের পরিচিত হওয়ার
এজেন্ডা বাস্তবায়িত হবে। আমরা সেটা দেখতে চাইনা। আমরা বাংলাদেশে আইএস, আলকায়েদার অজুহাতে
ন্যাটো আর আমেরিকার আগ্রাসন চাইনা। আমরা শান্তি চাই। যারা শান্তির বিরুদ্ধে সেইসব সন্ত্রাসীদের
গোপনে গ্রেফতার করে বিচার করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব।
৪।
বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এদেশে মুসলমান, হিন্দু বেীদ্ধ খ্রীস্টান সকলের বাস করার সমান
অধিকার।ইসলাম ও বাংলাদেশের সংবিধান কোথাও তাদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক বলা হয়নি।
বরং তাদের জীবন ও জীবীকার নিরাপত্তা দিতে সংবিধান বাধ্য। তাহলে যারা এই হত্যাকান্ড
ঘটাচ্ছে এদের উদ্দেশ্য কি? এই খুনীরা কি চায়?তাদের এখনই ধরে আনা হোক। ওরা ধরাছোঁয়ার
বাইরের কেউ নিশ্চয়ইনা। ওরা অপরাধী, অপরাধী তার অপরাধের চিহ্ন রেখে যায়। ওরাও রেখেছে
নিশ্চয়ই। আমাদের সবচেয়ে দক্ষ ও চেীকশ গোয়েন্দা কর্মীদের দিয়ে এই খুনী চক্রকে গ্রেফতার
করার জোরালো দাবি এখন প্রতিটি বাংলাদেশীর। কারণ এরা একই সঙ্গে আমাদের ধর্ম ও আমাদের
রাষ্ট্রকে কলঙ্কিত করছে।এরা মানুষ, মানবতা ও শান্তির ধর্মের বিরোধী শক্তি।
৫।
ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক নামের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাঈলের গণমাধ্যম এ ঘটনাকে গুরুত্ত্বের সাথে কাভার করেছে। বাংলাদেশের দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা বাহিনীকে তাই যতদ্রুত সম্ভব খুনীদের গ্রেফতার করতে উঠেপড়ে লাগতে হবে। কারণ যতে দেরি হবে তত ওরা আমাদের সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তাবাহিনীকে দূর্বল বলার সুযোগ পাবে। এ অজুহাতে ওদের সেনা পাঠাতে চাইবে। কিংবা ওরা বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে ঘাঁটি গাড়তে চাইবে। সে সুযোগ দেয়া যাবেনা। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দেশের প্রতিটি বাহিনী সন্ত্রাসীদের মোকাবেলার জন্য অনেক বেশি যোগ্য এবং পারদর্শী। তাই ধরা হোক মাহমুদার খুনীদের। একটাও যেন হাতছাড়া না হয়। এদের ধরলে বাকি খুনীদের পাওয়াও কঠিন হবেনা।আর ওদের ধরতে না পারলে বাংলাদেশ পড়বে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের কবলে, আর ওপারে শান্তি পাবেনা মাহমুদার আত্মা...।
৫।
ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক নামের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাঈলের গণমাধ্যম এ ঘটনাকে গুরুত্ত্বের সাথে কাভার করেছে। বাংলাদেশের দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা বাহিনীকে তাই যতদ্রুত সম্ভব খুনীদের গ্রেফতার করতে উঠেপড়ে লাগতে হবে। কারণ যতে দেরি হবে তত ওরা আমাদের সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তাবাহিনীকে দূর্বল বলার সুযোগ পাবে। এ অজুহাতে ওদের সেনা পাঠাতে চাইবে। কিংবা ওরা বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে ঘাঁটি গাড়তে চাইবে। সে সুযোগ দেয়া যাবেনা। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দেশের প্রতিটি বাহিনী সন্ত্রাসীদের মোকাবেলার জন্য অনেক বেশি যোগ্য এবং পারদর্শী। তাই ধরা হোক মাহমুদার খুনীদের। একটাও যেন হাতছাড়া না হয়। এদের ধরলে বাকি খুনীদের পাওয়াও কঠিন হবেনা।আর ওদের ধরতে না পারলে বাংলাদেশ পড়বে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের কবলে, আর ওপারে শান্তি পাবেনা মাহমুদার আত্মা...।


0 Comments