স্থান:বিচার ময়দান,সময়:অসময়
ঈশ্বর:এই বিচারালয় দীর্ঘদিনের শুনানি ও উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে ও প্রত্যেক ব্যক্তি,রাষ্ট্র ও জাতিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে রায় ঘোষণা করল।
.......
ফলাফল:
রায়ের পর প্রত্যেক ব্যক্তি অথবা জাতি যার যার কার্য অনুযায়ী স্বর্গ অথবা নরকে জায়গা পেল।
কিন্তু ইসরাঈল রাষ্ট্র ও তার ৯৯ ভাগ নাগরিকই নরকে গেল ও ভারত রাষ্ট্র ও তার ৯০ ভাগ নাগরিকই নরকে জায়গা পেল!অন্য দেশের মানুষই ৫০ ভাগ করে স্বর্গ ও নরকে গেলো।
নারকীয় দৃশ্যপট শুরু:
নরকে বসবাস করতে লাগলো পাপীষ্ট জাতিগুলো।
হঠাত্ একদিন নরক থেকে মুহুর্মুহু চিত্কারের শব্দ আসছিল।ঈশ্বর দেবদূত পাঠিয়ে খবর নিলেন।সে জানায়,ভারতের অধিবাসীরা নরকের ইসরাঈলি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে ও এক ইহুদিকে হত্যা করে।এর প্রতিবাদে ইহুদিরা প্রত্যেক ভারতীয়র গালে জুতাতো মেরেছেই সঙ্গে একটি মৃত্যুর বদলে ভারতের এক কোটি জনগণকে পেটে পাড়া দিয়ে গাল দিয়ে জিহবা টেনে বের করে হত্যা করেছে।এটুকুতেই ক্ষ্রান্ত হইনি ইসরাঈল।নরক থেকে ভারতকে উতখাতের জন্য ইহুদিরা বিশাল যুদ্ধবহর নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সব শুনে স্বয়ং ঈশ্বর বেশ অবাক হলেন!তিনি কল্পনাও করতে পারেননি এই দুইটা সাম্প্রদায়িক ও জঘন্য রাষ্ট্র নরকেও এই কুকাজ করতে পারে।
স্থান:নরক,সময়:অসময়
ঈশ্বরে স্বয়ং স্পটে গেলেন।
তিনি গেলেই একসময়ের ভয়ংকর স্বার্থপর ভারতীয়রা কুকুরের মত হাঁপাতে হাঁপাতে ঈশ্বরের পদতলে পড়ে।তারা নরকে ইসরাঈলের পাশে বাস করতে চায়না বলে ঈশ্বরকে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়।ঈশ্বর ভারতীয়দের মধ্যে থেকে কয়েকজন প্রতিনিধিকে তার সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
স্থান:স্বর্গীয় অসমতল টেবিল
মহত্মা গান্ধী,একজন বিএসএফ প্রধান, প্রসেনজিত,পর্ণ ঘোষ,সানি লিওন,শ্রীশান্ত ,রণবীর লুচ্চা ও পশ্চিমবঙ্গের মূর্খমন্ত্রী আসলেন প্রতিনিধি হিসেবে।
ঈশ্বর:কেন তোমরা ইসরাঈলের সঙ্গে গ্যাঞ্জাম করছে?
তারা(সমস্বরে):আমরা নরকের প্রতিবেশি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাঈলকে চাইনা।বাংলাদেশকে চাই।
বিএসএফ প্রধান:ইহুদিদের একজনকেও সীমান্তে আমার বেজন্মা সৈনিকরা মারতে পারেনা।উল্টা কানের নিচে থাপ্পড় খেয়ে চলে আসে।অথচ ফেলানীদের কী নিখুঁতভাবে মারত এরাই।
প্রসেনজিত:আমার ছিনেমার কথা এরা জানেইনা।মোর মোচ ধরে টানাটানি করে ও প্রায়ই আমার ছবিকে ছ্যাভলা কাহিনী বলে।
রণবির লুচ্চা:হে ঈশ্বর,আমার রক্তে প্রবাহমান চরিত্রহীনতা সম্পর্কে জানেন আপনি।বলিউডে একটা মানসম্মত লুচ্চা ছিলাম।বাংলাদেশের কতিপয় শিকড়ভোলার কাছে হেভি জনপ্রিয়ও ছিলাম।কিন্তু এখানে প্রেক্ষাপট ভিন্ন।এই ইহুদীরা আমাকে জুকার বলে!সবচেয়ে দুঃখের কথা এরা বলিউড নামে কোনকিছুর অস্তিত্বই নেই বলে বিশ্বাস করে।এরা আমাকে কলঙ্ক দিয়ে আমার প্রেসটিজ পাংচার করে দিছে।আমি যখন বার্ফি ছবির কথা বলে কলার উঁচু করলাম তখন এক ইহুদি নারী আমার মুখে থুথু দিয়ে বলে,"চোপ!চোর,লুচ্চা!ঐ ছবিতো একটা হলিউড মুভির কপি।'
ঈশ্বরের সামনে এলেন ঝতুপর্ণ ঘোষ।
পর্ণ:ঈশ্বর,আমি বিশ্বাস করি আপনিও আমার মত জেন্ডার ট্রান্সফরমেশনে বিশ্বাস করেন।এই কথা বলতে না বলতেই ঝতুপর্ণর মুখে কয়েক গামলা পুঁজ ঢেলে দিয়ে প্রতিবাদ করা হল।পর্ণ তাও লজ্জা পেলনা।ঈশ্বর আমাকে লজ্জা দেওয়ার চেষ্টা করে আপনি ব্যর্থ,এবার আমার কথা শুনুন।এই ইসরাঈলের মানুষগুলোকে আমি যখন বললাম,আমিই পৃথিবীর একমাত্র'আন্তর্জাতিক' খ্যাতিসম্পন্নপরিচালক যে নিজের দেশের মতই অপর একটি দেশে মানে বাংলাদেশে মিডিয়া কাভারেজ পেয়েছি।তারা তখন আমাকে হেয় করে,আমার অবশিষ্ট কয়েকটা চুলেরও গোড়া কেটে দেয়।তাইনা শুধু আমাকে বলে,'আন্তর্জাতিক মানে কী শুধু ভারত আর বাংলাদেশের ভারতপ্রেমী হাতেগোনা অংশ?'।ছবিতো দূরের কথা তোর নামই প্রথম শুনলাম বলে কয়েকশকোটি স্বার্থপর স্বজাতির সামনে তারা আমাকে বেইজ্জতি করে।এই ঘটনা যদি বাংলাদেশে জানাজানি হয় তবে বাংলাদেশে আমি কীভাবে আমার উভলিঙ্গ মুখখানা দেখাবো?
শ্রীশান্ত:এসেই সে ঈশ্বরের সামনে বেয়াদবের মত মূত্র করে দিল।এর শাস্তিস্বরূপ তার মূত্র তারই ভূমি থেকে চেটেপুটে খেতে হল।শ্রীশান্ত শুরু করলো এভাবে:
আপনি জানেন আমাদের ভারতীয়দের রক্তে ওত্প্রোতভাবে জড়িয়ে আছে জুয়া।তো আমি এক ইহুদির সঙ্গে জুয়া খেলতে গেলাম।আমি ১৪ ভারতীয় রূপী বাজি ধরলাম।সে আমার ঘাড় ধরে ওঠায় দিয়ে বলল.ফকির্নির পুত,কিপটের বাচ্চা কিপটে!এই টাকা আমার টয়লেট পেপার কিনতে খরচ হয়।আমি যথেষ্ট লজ্জা পেলাম যদিও আমাদের লজ্জা নেই।শ্রীশান্ত তখন আইপিএলে তার চুরি ও জুয়ার কথা বলল।সে কীভাবে তার জুয়ার অপরাধ বাংলাদেশের ও আশরাফুলের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে তাও বলে।শ্রীশান্ত এসময় উত্পল শুভ্র ও প্রথম আলোর প্রতি ব্যাপকহারে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।ইহুদি এসব শুনে বলে,তোর মত বেয়াদপ হতচ্ছাড়াকে দেখেই বোঝা যায় তোরা পুরা ভারতীয়রাই এমন!
পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা:ভারতের সীমান্ত দিয়ে একটি বমির নদী ইসরাঈলে গিয়েছে।আমি বাংলাদেশ ভেবে দিলাম এই নদী আটকে।ওমনি ইহুদি যুদ্ধমন্ত্রী মোশে আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো।সে তার দুর্ধর্ষ খুনী সেনাবাহিনী নিয়ে আমার চুল ধরে ছ্যাচড়া টানে টেনে আমার হাতে কোদাল তুলে দিয়ে আমাকে দিয়েই নদীর বাঁধ কাটতে বাধ্য করে।এছাড়া সে আমার দেশ থেকে বেশ কিছু সম্পদ যা বাংলাদেশ থেকে লুট করেছিলাম তা নিয়ে গেছে।আমি ঈশ্বরকে অনুরোধ করব অনতিবিলম্বে বাংলাদেশের পাশে আমাদের অবস্থান করতে দেওয়া হোক।
মহত্মা গান্ধী মঞ্চে এলেন।তাকে বেশ বিমর্ষ দেখাচ্ছে।তিনি অভিযোগ করেন,আমি তাদেরকে হরতাল সম্পর্কে জ্ঞান দিচ্ছিলাম।তারা বলল,যা ভাগ ব্যাটা,এতে আমাদের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।শুধু তাই নয়,ভারত বিভাগের জন্য তারা আমাকে সরাসরি অভিযোগ করে আমার সম্মানহানি ঘটাচ্ছে।আমিও আমার সময়ের পূর্ব পাকিস্তানকে প্রতিবেশি রাষ্ট্র হিসেবে পেতে চাই।সেদেশের ইতিহাসে আমি কঠিন পজেটিভ।
এরপরেই এল সর্বশেষ প্রতিনিধি সানি লিওন।সে ঈশ্বরকে কাবু করতে টলিউড ও বলিউডের নায়িকাদের বেহায়া কামসূত্র প্রয়োগ করে।ঈশ্বর থুথু ছিটিয়ে সরিয়ে দিলেন দুর্গন্ধময় এই ভারতীয়কে।সানি বলে,তারা আমাকে পাশে রাখতে আপত্তি জানায়।তারা বলে আমাকে নাকি পতিতালয়েই বেশি মানায়।কষ্টের ব্যাপার তারা আমাকে পর্ণস্টার না বলে এর সরাসরি বাংলা করে 'বেশ্যা'ডাকে যা খুবই অপমানজনক।আমি বললাম,আমি বলিউডের নায়িকা।তারা একসঙ্গে কয়েকবার বমি করে বলল,যে ইন্ডাস্ট্রি তোর মত বেশ্যাকে চলচ্চিত্রে অভিনয় করায় তা যে কত নোংরা ও সস্তা তা এখন বুঝতে পারছি।ওয়াক থু!আমি তাদের বললাম,বাংলাদেশেও আমার ফ্যান আছে।তারা সত্য প্রকাশ করে বলল,ওসব তোদেরই এজেন্ট ও মিডিয়ার সুস্পষ্ট কারসাজি।
এক চিলতে অভিযোগ:
গান্ধীকে রেখে সানি লিওনকে সমাপনী অভিযোগ করতে দেওয়ার প্রতিবাদ জানায় জম্মু ও কাশ্মীর।ঈশ্বর এর জবাবে বলেন,তুমি সারাক্ষণ যুদ্ধবিধ্বস্ত থাকো।তুমি কী জানো গান্ধীর থেকেও এই নগ্নদেহ বিক্রি করে খাওয়া নারী ভারতে বেশি আলোচিত ও প্রশংসিত।একারণেই তাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।দেখছোনা সানি লিওনকে দেখেই তোমার অধিবাসী ছাড়া ভারতীয়গুলোর লালাক্ষরণ শুরু হয়ে গেছে।
ভারতী ও ইসরাঈলের প্রতি ঈশ্বর:
ভারত ছিলে পৃথিবীর অন্যতম অত্যাচারী রাষ্ট্র।তোমার অধিবাসীরা ছিল চরম সাম্প্রদায়িক ও স্বার্থপর।প্রতিবেশী বাংলাদেশের নিরপরাধ মানুষ হত্যা করেছো অনেক।তাদের অর্থনীতিকে বিধ্বস্ত করতে একের পর এক ষড়যন্ত্র করেছো।কিন্তু তা স্বত্বেও বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক তরুণদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তোমাদের আরেক স্বজাতি ও সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ও হায়েনা পাকিস্তানের মত তোমরাও ব্যর্থ হয়েছো।
ইসরাঈল ছিল পৃথিবীর দুর্ধর্ষ অকৃতজ্ঞ ও অত্যাচারি রাষ্ট্র।প্রতিদিন নিরপরাধ ফিলিস্তিনীদের খুন করতে।ছিলে যুদ্ধপ্রিয় এক নৃশংস জাতি।
বিচারকার্য শেষ হওয়ার পর আমি ভারতীয় খুনী ও স্বার্থপর ও ইসরাঈলি অবৈধ জনপদকে পাশাপাশি অবস্থান করতে দিই।ভারত যেভাবে বাংলাদেশকে অত্যাচার করতো,নরকে ঠিক সেইভাবে ইহুদীরা ভারতীয়দের প্রাপ্য আচরণ করছে।
তোমরা দুই জাতিগোষ্ঠীই কী লক্ষ করেছো যে,তোমাদের নরকে দৃশ্যমান কোন অগ্নী নেই?এর কারণ হচ্ছে তোমরা দুই জাতিই ভয়াবহ খারাপ।তোমাদের মনের মধ্যে রয়েছে প্রতিহিংসা,স্বার্থপরতার আগুনের দাবানল।পাশাপাশি তোমাদের অবস্থানই তোমাদের উপযুক্ত শাস্তি।
আর হ্যাঁ। এখানে বিশেষভাবে যে কথাটি ভারতীয়দের জানানো উচিত তা হচ্ছে,বাংলাদেশকে তোমাদের পাশেতো নয়ই-নরকের কোথাও স্থান দেওয়ার প্রশ্নই আসেনা।
পৃথিবীর কয়েকটি রাষ্ট্র যারা তাদের অধিবাসীদের নিয়ে সরাসরি স্বর্গে আছে বাংলাদেশ তাদের মধ্যে প্রথম। এ কথা শুনে ভারতীয়দের চটিপড়া চোখগুলো কপালে উঠে গেলো।
ঈশ্বর তাদের কিছুটা সস্তি দিয়ে বললেন,তবে বাংলাদেশকে না আনা গেলেও সে দেশের তোমাদের ক্রয়কৃত ও বিনামূল্যের এজেন্টদের তোমাদের সঙ্গেই নরকে আনা হচ্ছে।একটু দেরী হচ্ছে,কারণ তাদের পাসপোর্টের নাগরিকত্ব বাংলাদেশীর জায়গায় ভারতীয় করা হচ্ছে।একইভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে পাকিস্তানীদের সহায়তাকারী বেজন্মাদেরও পাকিস্তানী নরকে পাঠানো হয়েছে।
স্থান : নরকের পশ্চিমবঙ্গ,সময়: অসময়
ভারতীয় এজেন্ট বা দালালদের প্রথম চালানটি এসে পড়েছে।এর মধ্যে বাংলাদেশের টিভি সাংবাদিক,পত্রিকা সম্পাদক, বুদ্ধিজীবী,প্রতিবেদক,শিল্পপতি,রাজনীতিজীবী, নাস্তিকতা ও বামপন্থার মুখোশে তীব্র ভারতবাদী এবং মীরাক্কেলে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে অবজ্ঞাকারী জামিল ছিল উল্লেখযোগ্য।চালান আসার পরেই হলো ঝামেলা।পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীরা বাংলাদেশের এদেরকে নিতে অস্বীকৃতি জানালো।তাদের অভিযোগ,যারা নিজের দেশ বাংলাদেশ থাকতেও ভারতকে অগ্রাধিকার দিতো তাদের মত বেঈমান ও দেশদ্রোহীদের আমরা স্থান দিতে পারিনা।আমরা তীব্র স্বার্থপর,কৃপণ,খুনি ও চরিত্রহীন হতে পারি কিন্তু নিজের দেশকে বেচে দিতে পারিনি।এরা পেরেছে,যারা নিজের দেশের ক্ষতি করেছে তারা এখানে থেকেও যে ইসরাঈলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাদের ক্ষতি করবেনা তার গ্যারান্টি কে দেবে?
উপায়ন্তর না দেখে দেবদূতেরা বাংলাদেশদ্রোহীদের জন্য নরকে আলাদা স্থান বানালো।
সেই স্থানের উপরে অভিশপ্ত অক্ষরে লেখা ছিল:
মানসিক ভারতীয়দের আবাস্থল।
স্থান : ঈশ্বরের কার্যালয়,সময় : অসময়
ঈশ্বর স্বর্গ ও নরকের রাষ্ট্র ও অধিবাসীদের খবর জানতে চাইলেন।বার্তাবাহক জানালো,সব ঠিকঠাক আছে শুধু ভারতীয়রা ইসরাঈলের অংশ দখল করে আবার ইসরাঈল ভারতীয়দের।এই নিয়ে প্রায় খুনোখুনি লাগে।ভারতের জনগণকে ইসরাঈল পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে দিয়েছে,মেরে কয়েকশ কোটি থেকে এখন মাত্র ৫০কোটিতে এনেছে।সানি লিওন হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী।সে ঘোষণা দিয়েছে,ভারতের প্রত্যেকটি জেলায় আধুনিক একেকটি পর্ণস্টুডিও গড়ে তুলবে।এ খাতটি পৃথিবীর ভারতের মত এখানেও সম্ভাবনাময়।সব বিষয়ে ইসরাঈলের হাতে মার খেলেও যৌনতার দিক দিয়ে ইসরাঈলকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে ভারত।ইতোমধ্যে কয়েকবার ইহুদী শিশুদের চলন্ত বাসে ধর্ষণ করেছে ভারতীয়রা।এর প্রতিক্রিয়ায় সানি লিওন বলেছেন,Rape isn't a crime.It's a surprize sex.
তবে এরইমধ্যে ইসরাঈলও ভারতীয় অর্ধনগ্নাদের উপর Surprize sex বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানা গেছে।
নরকের পাহারাদাররা ক্ষোভের সঙ্গে বলেছে,এমন জঘন্য ও নির্লজ্জ জাতি আগে-পরে তারা দেখেনি।নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এরা কিছুই বোঝেনা।
ঈশ্বর এবার মানসিক ভারতীয়দের খবর জানাতে বলেন।বার্তাবাহক বলে,সেখানে সাহিত্যিকদের একটি চালান যাওয়ার পরেই হট্রগোল শুরু হয়।অধিকাংশই ভারতের দালালীর পেছনে সাহিত্যিকদের অবদান অসীম বলে মত দেয়।তবে সাহিত্যিকরা মিডিয়া নিয়ন্ত্রণকারী ও ভারতপন্থী রাজনীতিবিদদের সরাসরি দোষ দেয়।অনেকে ভারতীয় গোয়েন্দা র কেও দোষারোপ করে।
প্রিয় বাংলাদেশ চির অম্লান
'প্রিয় বাংলাদেশের কী খবর?',ঈশ্বর প্রশ্ন করলেন।
বার্তাবাহক ও অন্যান্য দেবদূতেরা যা বলল তার সারমর্ম হচ্ছে:
অসংখ্যবার আপনি নতুন জাতি সৃষ্টি করেছেন।কিন্তু এমন প্রাঞ্জল ও সৃষ্টিশীল জাতি এর আগে আমরা দেখিনি।সেখানে সবাই সবার খোঁজ নেয়,প্রতিহিংসা ও পরচর্চা নেই।তারা তাদের সংস্কৃতিকে দারুনভাবে আঁকড়ে ধরেছে এই স্বর্গেও।
ভাওয়াইয়া,ভাটিয়ালি,জারিসারি,গম্ভীরা,মসলিন,জামদানি,পুঁথিসাহিত্য,আম,কাঠাঁল,জাম,বরই,শাপলা,লালশাক,ধান,শোল,কই,টেংরা,ইলিশ,ছায়া,সবুজ,হেমন্ত,নবান্ন,খেজুর রস,পদ্মা,মধুমতি,তিস্তা,চিতই,আন্দাসা,পুলি,পায়েস,খিচুড়ির বর্ণিল রূপ ও গন্ধে স্বর্গকে ছন্দময় করে তুলছে বাংলাদেশের জনগণ।
তারা বলে,ইস !পৃথিবীতেও যদি ঐ আত্মমর্যাদাহীধ দেশদ্রোহীরা আমাদের দেশে না থাকতো!!
ঈশ্বর স্বয়ং স্বর্গেও বাংলাদেশকে চির চিরঞ্জীব ঘোষণা করলেন ।।
০৪.০৬.২০১৩
0 Comments