ব্রাজিলে
হতে চলা ২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবল দরজায় কড়া নাড়ছে।বাংলাদেশ ছেঁয়ে যাচ্ছে
ব্রাজিল আর্জেন্টিনার পতাকায়।লাল সবুজের পতাকা এখন এদেশে বেমানান।তরুণ এবং
মধ্যবয়সী অপপ্রজন্ম ফুটবলের উন্মাদনায় লাল সবুজকে দূরে ঠেলে শৌচাগার থেকে
বাইক,ঘর থেকে অফিস এই দুই দেশের পতাকা দিয়ে ঢেকে রেখেছে।ফেসবুকের টাইমলাইন
ভরে যাচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার নাম গ্যাঁজড়ায়,প্রপিকে চলে আসছে বিভিন্ন
দেশের পতাকা বা খেলোয়াড় বা জার্সি।চলছে ঝগড়া,মারামারি ও গালাগালি।অথচ এসব
ব্যক্তির স্ট্যাটাসে একদা সাম্রাজ্যবাদ,আধিপত্যবাদ ও বিশ্বায়নবিরোধী কথা
দেখা গেছে।খেয়ে না খেয়ে নিজেকে জাতীয়তাবোধসম্পন্ন প্রমাণ দিতে ব্যস্ত
জনপদটিই অন্য জাতিকে নিয়ে ফাল খাচ্ছে।ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম জাতিস্বত্ত্বাকে
নিয়ে চিন্তিত কথিত ইসলামপন্থীও দেখি পতাকাসমেত কট্টর সমর্থনের জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছে।আবার সুশীল বেশে থাকা মানবতাবাদীও দেখি কোন
সাম্প্রদায়িকতার ধারক রাষ্ট্র যেমন স্পেন,জার্মানী,ফ্র্যান্সকে নিয়ে স্তুতি
রচনা করছে।এই লেখাটি যদি বন্ধু তালিকার কাউকে আঘাত করে তবে আগেভাগে পরিমিত
দুঃখ প্রকাশ করছি।চলুন কিছু সমর্থকগোষ্ঠীকে নিয়ে আলোচনা করা যাক-
জাতীয়তাবোধসম্পন্ন:
এই শ্রেণীটি বাংলাদেশকে হেভি ভালবাসে মুখে।শুধু সমর্থনের বেলায় 'খেলার মধ্যে রাজনীতি আনবেননা'বলে অন্য দেশের পতাকা নিয়ে কচলায়।অথচ জাতীয়তাবাদ অন্য জাতির কাছে সমান মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে।এই শ্রেণী জানেইনা জাতীয়তাবাদ ও আঞ্চলিকতাবাদ পরস্পর সম্পর্কিত।তাই এরা জাপান কোরিয়া ব ইরানকে সমর্থনের কথা বলেনা।যদি রাষ্ট্রের অর্থনীতির কথাও চিন্তা করা হয় তবে জাপানকে সমর্থন না করা বাংলা দেশের মানুষের জন্য পাপ।
ইসলামপন্থী:
এই জাতীয় পাবলিকের ওয়াল ভরে থাকে ইসলামের বাণীতে,নির্যাতিত মুসলিম জনপদ ও দেশের জন্য মায়া উথলে পড়ে।তবে এসব যে হালকা ভন্ডামী সেটা সমর্থনের ঘনত্ত্বে বোঝা যায়,যাচ্ছে ও যাবে।আর্জেন্টিনার গ্রুপে বসনিয়া,ইরান ও নাইজেরিয়া।তিনটাই মুসলিম অধ্যুষিত নির্যাতিত দেশ।কিন্তু কথিত ইসলামবাদীরা আর্জেন্টিনার পক্ষে আছে।অথচ মুসলিম জাতীয়তাবাদ বলে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের নির্যাতিতের পাশে দাঁড়াতে।বসনিয়া ও ইরানের সমর্থনে তারা নেই।
এখানেও বলবে,খেলায় রাজনীতি কিসের?আমি বলবো Michael Billings এর Banal Nationalism বইটি পড়ে ক্রীড়া,জাতীয়তাবোধ ও দেশপ্রেমের সম্পর্ক জেনে নিতে।
[চলবে]
০৫.০৬.২০১৪
জাতীয়তাবোধসম্পন্ন:
এই শ্রেণীটি বাংলাদেশকে হেভি ভালবাসে মুখে।শুধু সমর্থনের বেলায় 'খেলার মধ্যে রাজনীতি আনবেননা'বলে অন্য দেশের পতাকা নিয়ে কচলায়।অথচ জাতীয়তাবাদ অন্য জাতির কাছে সমান মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে।এই শ্রেণী জানেইনা জাতীয়তাবাদ ও আঞ্চলিকতাবাদ পরস্পর সম্পর্কিত।তাই এরা জাপান কোরিয়া ব ইরানকে সমর্থনের কথা বলেনা।যদি রাষ্ট্রের অর্থনীতির কথাও চিন্তা করা হয় তবে জাপানকে সমর্থন না করা বাংলা দেশের মানুষের জন্য পাপ।
ইসলামপন্থী:
এই জাতীয় পাবলিকের ওয়াল ভরে থাকে ইসলামের বাণীতে,নির্যাতিত মুসলিম জনপদ ও দেশের জন্য মায়া উথলে পড়ে।তবে এসব যে হালকা ভন্ডামী সেটা সমর্থনের ঘনত্ত্বে বোঝা যায়,যাচ্ছে ও যাবে।আর্জেন্টিনার গ্রুপে বসনিয়া,ইরান ও নাইজেরিয়া।তিনটাই মুসলিম অধ্যুষিত নির্যাতিত দেশ।কিন্তু কথিত ইসলামবাদীরা আর্জেন্টিনার পক্ষে আছে।অথচ মুসলিম জাতীয়তাবাদ বলে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের নির্যাতিতের পাশে দাঁড়াতে।বসনিয়া ও ইরানের সমর্থনে তারা নেই।
এখানেও বলবে,খেলায় রাজনীতি কিসের?আমি বলবো Michael Billings এর Banal Nationalism বইটি পড়ে ক্রীড়া,জাতীয়তাবোধ ও দেশপ্রেমের সম্পর্ক জেনে নিতে।
[চলবে]
০৫.০৬.২০১৪
0 Comments